Tuesday, December 31, 2019

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ফেল করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সাহিদা আক্তার (১৪) নামে এক পরীক্ষার্থী। অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামে এক ছাত্রী। 

সাহিদা আক্তার (১৪) নামের পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম জানান, ‘স্কুলছাত্রী সাহিদা জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে।  
এসআই নাজমুল জানান, নিহত স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালে রাখা হয়েছে। 
নিহত শাহিদা ওই এলাকার বাসিন্দা শাহীন হাওলাদারের মেয়ে এবং বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এবার জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। 
অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামের নিহত ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চর মহাদেবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মহিদ শিকদার। মিম এবার চর জৌকুড়া নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। 
রাজবাড়ীর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার মিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর পিতা মহিদ শিকদার জানায়, মিম এবার চর জৌকুগা নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। দুপুর ১টার দিকে পরীক্ষার ফল জানতে পারে সে। অকৃতকার্য হবার খবর শুনে ঘরের মধ্যে শুয়ে ছিল। বিকেলে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ওর মা। তারপর অনেক ডাকাডাকি করে দরজা না খুললে জানালা দিয়ে দেখি সে আত্মহত্যা করেছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও থাকবে পুলিশ নিরাপত্তা 

মঙ্গলবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ও সমবেত হওয়া থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকতে বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না 
তিনি বলেন, নববর্ষ উদযাপনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির যেকোনো ধরনের আশঙ্কা রোধে ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদে এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ, উৎসব করা যাবে না। এছাড়া কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি-পটকা ফোটানো যাবে না।এবারও উন্মুক্ত স্থানে সবধরনের অনুষ্ঠান, নাচ-গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকছে না। এমনকি ঘরোয়াভাবে কেউ কোনো অনুষ্ঠান করতে চাইলেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে। সেখানে পুলিশ নিরাপত্তা বিধান করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর স্টিকার ও পরিচয়পত্র ছাড়া বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে নীলক্ষেত এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর সব বার বন্ধ থাকবে। মাদকসেবনের বৈধতা ছাড়া কাউকে যেন পাঁচ তারকা হোটেলে অ্যালাও না করা হয় সে জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।
তিনি বলেন, এবার মাদক সেবন করে কেউ বেপরোয়া যানবাহন চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ডিএমপি। পাশাপাশি অ্যালকোহল টেস্টের জন্য গুলশান বনানী ও হাতিরঝিলসহ একাধিক এলাকায় কিটসহ পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করবে।
সুষ্ঠু বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি কেন দেবে না ডিএমপি- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই মূলত উন্মুক্ত স্থানে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। কারণ উন্মুক্ত স্থানে নিরাপত্তা বিধান করা একটু কঠিনই। এক্ষেত্রে ইনডোরে অনুষ্ঠানে উৎসাহিত করা হলেও, ইনডোরের ক্ষেত্রেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের ক্ষেত্রে কোনো হুমকি তৈরি করছে কিনা- জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, সুস্পষ্ট হুমকি না থাকলেও উন্মুক্ত স্থানের ক্ষেত্রে তো প্রচ্ছন্ন হুমকি থাকে। সে জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।
ঢাবি ও বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে কিনা- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাবিতে চাইলে পুলিশ যেতে পারে না। তবে সেখানে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে ককটেল বিস্ফোরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য। আর বিএনপি পার্টি অফিসের সামনের সড়কও খুব ব্যস্ততম। অনেক যানবাহন সেখানে চলাচল করে। আমি সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিসিকে নির্দেশনা দিয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিএনপি পার্টি অফিস এলাকা পুরোটা যেন সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়।
এছাড়া গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলি ক্রসিং এবং আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে এ দুটি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের ওইসব এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
এবার রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। 
সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি আতশবাজি, পটকাবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালনাসহ যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।  
 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ২০১৯ সালে মোট ৯৪৫ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। তাঁদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিহত ২৬৯ জন এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৬৭৬ জন নিহত হয়েছেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর এবং ওশির উদ্যোগে মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে।

সেক্টরভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন, ১৫৬ জন শ্রমিক নির্মাণ খাতে প্রাণ হারান, পোশাকশিল্পে নিহত ৪০ জন, কৃষিশ্রমিক নিহত হয়েছেন ৯৮ জন এবং দিনমজুর মারা গেছেন ৪৯ জন। এ ছাড়া ২৩ জন জাহাজভাঙা শিল্পে কর্মরত শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। বাকিরা অন্যান্য বিবিধ সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন।
ওশি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারপারসন এস এম মোরশেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে কর্মস্থলে হতাহতের উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া, অগ্নিকাণ্ড, ভবন বা স্থাপনা থকে পড়ে যাওয়া, বজ্রপাত, বয়লার ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, গৃহশ্রমিকদের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন এবং ধাতব আঘাতের কথা বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিস্থিতি-২০১৯’ শীর্ষক এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (ওশি)।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি-২ হোয়াইক্যং ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসপি) শাহ আলম । 
গুলিবিদ্ধ র‌্যাব সদস্যরা হলেন- কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি সদস্য সৈনিক ইমরান ও কর্পোরাল শাহাব উদ্দিন।
র‌্যাব জানায়, বিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের আস্তানায় অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এতে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের টেকনাফে মেরিন সিটি নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে প্রেরণ করা হচ্ছে।
টেকনাফ মেরিন সিটি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফরহাদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকাল ৫টার দিকে র‌্যাবের গাড়িতে করে গুলিবিদ্ধ দুই ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। তাদের কোমরের পেছনে গুলির আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি অধিনায়ক লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ দিকে ক্যাম্পের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ছাউনি টাওয়ার এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের সময় র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালায়। মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার সলিমকে (৩২) আটকের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পাঁচ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এতে র‌্যাবের দুইজন সদস্য আহত হন।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনায় জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে র‌্যাব অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান এএসপি শাহ আলম।

Monday, December 30, 2019

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আড়িয়ারা গ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মুরছালিন মৃধা (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভূক্তভোগীরা জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৩ বছরের এক শিশুকে খাবারের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে লোহাগড়ার চাচই-ধানাইড় গ্রামের ইটভাটা শ্রমিকদের থাকার কক্ষে মুরছালিন মৃধাসহ চার যুবক মিলে ওই শিশুকে গত ২৪ ডিসেম্বর রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরেরদিন (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে ওই ইটভাটার উত্তরপাশে তালগাছের পাশে ভূক্তভোগী শিশুকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবকেরা। এক পর্যায়ে ওই শিশুটি কিছুটা চেতনা পেয়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারের এক সদস্যকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
পরবর্তীতে শিশুটির বাবা-মা ঘটনাটি জানার পর প্রতিবেশি মুরাদ শেখ গত ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে ধর্ষণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন।
এরপর শিশুটিকে দ্রুত লোহাগড়া থানায় নিতে আসতে বলা হয়।
এ ঘটনায় শিশুর চাচা বাদী হয়ে মুরছালিন মৃধাসহ তার সহযোগী আড়িয়ারা গ্রামের খায়ের শেখের ছেলে নাসির শেখ (২০), জাকারিয়া মোল্যার ছেলে এনামুল মোল্যা (২২) ও আজিম খানের ছেলে রাসেল খানকে (১৯) আসামি করে গত ২৭ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, আসামি মুরছালিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শনিবার ভোরে মামলার ১ নম্বর আসামি মুরছালিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তাকে আড়িয়ারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। মুরছালিন ওই গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে।
এদিন দুপুরেই নড়াইল সদর হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)

রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)


এসএএস স্টিল মিল রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি

ঘটনাটি এসএএস স্টিল মি কোটবাড়ি বিশ্বরোড ছোটন সাহেব নামে এক ব্যক্তির রড ফ্যাক্টরির। 
News24Express এর পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখবেন ও ব্যবস্থা নেবেন। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (আইন) খোন্দকার মোঃ ফজলুর হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের ধারনকৃত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, কারখানার মালিকের অনেক টাকার মালিক এবং ক্ষমতাশীল। অভিযোগ করলেও লাভ হবে না তাই এলাকাবাসী নিশ্চুপ।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন 
https://www.facebook.com/news24expressbd/videos/517453782196483/?modal=admin_todo_tour 
মানব কুকুর এবার রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলে

মানব কুকুর এবার রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলে



প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ কেন কুকুরের মতো চলাফেরা করছে?

সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার জন্ম হয়েছে দেশের রাজধানী হাতিরঝিলে।
এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
জানা যায়, হিউম্যান ডগ সেজে হাতিরঝিলের রাস্তায় যিনি হাঁটছেন তার নাম টুটুল চৌধুরী। সেঁজুতি নামের এক নারী তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সে সময় তাদের কিছু ছবি তোলা হয়। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
ধারণাটি বাংলাদেশে প্রথম হলেও এটি একটি ‘পারফর্মিং আর্ট’। পশ্চিমা ধারণার এ পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের প্রকাশ্য রাস্তায়। তখন ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এ পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন। এ পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে- কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণিকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয়; তেমনই এখানে মানুষকে প্রাণি চরিত্রে দেখানো হয়।
সম্প্রতি হাতিরঝিলে সেই ‘পারফর্মিং আর্ট’ ফ্রম পোর্টফোলিও অব ডগডনেসের পুনারাবৃত্তি ঘটে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায়। এতে অংশ নেওয়া নারী সেঁজুতি একে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি বলেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী।
সেঁজুতি লেখক ক্লদিয়া স্লানারের লেখাকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, ‘এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।’
অনেকে বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে Taboo’ অনুষ্ঠান দেখলে হিউম্যান ডগ সম্পর্কে অনেকটা ক্লিয়ার হবেন। সেখানকার একটি এপিসোডে ‘হিউম্যান ডগ’ নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি আছে, ইউটিউবে পাবেন। এটি আধুনিক দুনিয়ায় পুরাতন ক্রীতদাস প্রথাও বলা যায়। ইউরোপ-আমেরিকায় এসব দেখা যায়। আপনি মানুষ কিনে তাকে দিয়ে যা ইচ্ছে, তা-ই করাতে পারেন। আধুনিক সভ্যতায় এটাকে ‘সাইকো অসভ্যতা’ও বলা যেতে পারে।’
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এ পারফর্মিং আর্টের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেতিবাচকভাবে। সেখানে বলা হচ্ছে, হাতিরঝিলে দেখা গেল মানব কুকুর কিংবা আমাদের সমাজে ঢুকে গেল পশ্চিমা নিম্ন প্রকৃতির সংস্কৃতি। সেঁজুতি পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘রোগ হইলে যেমন ডাক্তারের কাছে যাওন লাগে কিন্তু তার আগে রোগটা নির্ণয় করতে হয়। এখন পরিচিত রোগের সাথে তো পরিচিত কিন্তু অপরিচিত/অজানা রোগ হইলে কেম্নে বুঝবা? এখন আমি অসুস্থ হইলে সেটা কষ্ট দেয় আগে কাকে! আমার পরিবারকে। আর আমরা অসুস্থ হইলে কাকে কষ্ট দেয়!! সমাজকে। তাই সমাজ সুস্থ করতে হইলে আগে আমাদের সুস্থ থাকতে হবে তাই না? তাই আমরা সুস্থ আছি কিনা অইটা পরীক্ষা করলাম। কাটা দিয়ে কাটা তোলা বুঝে সবাই কিন্তু প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস কেউ মন দিয়ে করে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে আজ সোমবার পুনরায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্যান্টিনের হৃদয় নামে এক কর্মচারী আহত হয়েছেন।
এ নিয়ে এই এলাকায় গত দুই দিনে ৬টি ককটেল বিস্ফোরিত হলো।
বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী।
ককটেল বিস্ফোরণের এসব ঘটনার জন্য তিনি কিছু ‘ভুঁইফোড়’ সংগঠনকে দায়ী করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মধুর ক্যানটিনের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ককটেলের স্প্লিন্টারের আঘাতে ক্যান্টিনের কর্মচারী হৃদয় আহত হন।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, সে ব্যাপারে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গতকাল রোববার সকালে মধুর ক্যান্টিনের সামনে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে বিস্ফোরিত হয় আরও একটি ককটেল।
গত বৃহস্পতিবার মধুর ক্যানটিনের সামনে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার হয়। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেদিন ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট৷
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলছেন, মধুর ক্যান্টিনের পার্শ্ববর্তী কলাভবনের ছাদ থেকে ককটেলটি ছোড়া হয়ে থাকতে পারে। কারণ, আশপাশ থেকে ককটেল ছোড়া হলে কেউ না কেউ দুর্বৃত্তদের দেখতে পেতেন৷ কিন্তু এমন কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি, যিনি কাউকে ককটেল ছুড়তে বা পালিয়ে যেতে দেখেছেন।
আজ সকালে বিস্ফোরণের ঘটনার পরই মধুর ক্যান্টিন এলাকায় যান প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী। একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভুঁইফোড় কিছু সংগঠন, যাদের আদর্শ নেই কিন্তু উদ্দেশ্য আছে, তারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে৷’
ভুঁইফোড় সংগঠন বলতে কাদের বোঝানো হচ্ছে—জানতে চাইলে এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বিবদমান কিছু সংগঠন যারা শিক্ষার ধারাকে নষ্ট করতে চায়। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়।
তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অপপ্রয়াসকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।
বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র

বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র


বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র 

প্রেমে সাড়া না পেয়ে বগুড়ার ধুনটে সোনাহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে সাব্বির হোসেন (২০) নামে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার এক ছাত্র।
সাব্বির হোসেন উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান মন্ডলের ছেলে এবং বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর শারিরিক পরীক্ষার জন্য ধুনট থানা থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একই সঙ্গে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার বর্মন বলেন, স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা একজন প্রান্তিক কৃষক। তার প্রতিবেশি কলেজছাত্র সাব্বির হোসেনে। মেয়েটি স্থানীয় সোনাহাটা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। প্রায় এক বছর আগে থেকে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় সাব্বির। কিন্তু সাব্বিরের প্রেম প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি স্কুলছাত্রী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাব্বির মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে।
এ অবস্থায় শনিবার রাত ১০টার দিকে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে একাই ঘর থেকে বের হয়। এ সময় মেয়েটিকে কৌশলে নিজের পড়ার ঘরে তুলে নিয়ে আটক রেখে ধর্ষণ করে সাব্বির হোসেন। সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে সম্ভ্রম হারানো মেয়েটি এ বিষয়টি তার মা-বাবা জানায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে রবিবার রাতে ধুনট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

Monday, November 18, 2019

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  রাজউকের নকশা না মেনে অবৈধভাবে বর্ধিত অংশ নির্মাণ করা হয়েছে শাকিব খানের গুলশান নিকেতনের বাড়িটি এই অভিযোগে শাকিব খানকে এ জরিমানা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফ হোসেন। 
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘টি-১০’ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাঙা ভাঙা ইংরেজি বলে তুমুল সমালোচিত হয়েছেন শাকিব খান। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আজ জরিমানার কবলে পড়লেন তিনি।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাজউকের এ ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালিত হয়। রাজউকের অভিযানকালে শাকিব খানের ভগ্নিপতি ও বাড়িটির কেয়ারটেকার ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন । ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে বাড়িটির কাগজপত্র দেখতে এলে সেখানে অসংলগ্নতা ধরা পড়ে। ঘটনাস্থলেই শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন (অনাদায়ে এক বছরের জেল) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শাকিব খানকে জরিমানার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন রাজউকের জোন (৪) অথরাইজ অফিসার মোহাম্মদ হোসেন। তিনি জানান, সকাল থেকেই নিকেতন এলাকায় রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানের সময় শাকিব খানের বাড়িটি নকশা না মেনে নির্মিত হওয়ায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
উল্লেখ্য যে, কিছুদিন আগে সময়মতো সিনেমার কাজ শেষ না করায় শাকিব খানের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছিলো চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া।  

Sunday, November 17, 2019

মজলুম জননেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ জানেন কি আপনি?

মজলুম জননেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ জানেন কি আপনি?

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মজলুম জননেতার মৃত্যুবার্ষিকী আজ জানেন কি আপনি?  অনেকেই মনে রাখেন নি।  
আজ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। 
১৯৭৬ সালের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। 
মওলানা ভাসানী কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন
১৮৮০ সালে ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্ম মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর। জীবনের প্রায় পুরো সময় কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। এখানেই বর্তমানে মাভাবিপ্রবি অবস্থিত।
এখান থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন পূঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের। তৎকালীণ আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ভাসানী পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠির অত্যাচার নীপিড়নের বিরুদ্ধে সবসময় ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।। 

Saturday, November 16, 2019

এইবার বাংলাদেশে বাবরী মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে

এইবার বাংলাদেশে বাবরী মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে

এইবার বাংলাদেশে বাবরী নামে মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে  
বাংলাদেশে বাবরী মসজিদ নামে একটি মসজিদ নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন আল্লামা মামুনুল হক দাঃবাঃ।
শুক্রবার লাইভে এসে তিনি একথা বলেন। 
তিনি আরো বলেন, 
"ভারতের বাবরী মসজিদ ভোলার মতো নয় ইনশাআল্লাহ একদিন তা পুনরায় দখল হবে । পবিত্র বাবরী মসজিদের মতো বড় পরিসরে একটি মসজিদে আমাদের মাদ্রাসার জায়গায় নির্মিত হবে।" 
এতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসার ঝড় বইছে।

Friday, November 15, 2019

 ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সুপার ক্লাসিকো ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সুপার ক্লাসিকো ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়

আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১১ টায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সেরা ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলো রিয়াদে।   
 বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই দল। এশিয়ার দেশ সৌদি আরবের রিয়াদের কিং সাউদ ইউনিভার্সিটি স্টেডিয়ামে  সুপার ক্লাসিকো ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায় শুরু হয়েছিলো।
ম্যাচটিতে মেসি খেললেও খেলেন নি নেইমার। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসি নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই ম্যাচের মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরলেন। কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হেরে বিদায় নেয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের জার্সিতে খেললেন বার্সিলোনা তারকা। ওই আসরে রেফারিং নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় নিষিদ্ধ হয়েছিলেন মেসি। সবমিলিয়ে আজকের এই খেলাকে ইতিহাসের সেরা ম্যাচ বলছেন অনেকেই।  
খেলার ফলাফলে আর্জন্টিনা ১-০ গোলে জয়লাভ করে। 

Wednesday, November 13, 2019

যুবসমাজ চাকুরী না করে স্বেচ্ছায় বেছে নিচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং পেশা

যুবসমাজ চাকুরী না করে স্বেচ্ছায় বেছে নিচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ফ্রিল্যান্সিং পেশা বেছে নিচ্ছে যুবসমাজের অধিকাংশই যারা চাকুরী পাচ্ছে না কিংবা চাকুরী করছে না কিংন্তু আইসিটি ও ফ্রিল্যান্সিং কেই তারা অধিক প্রাধান্য দিচ্ছেন ।
পুরো ফেসবুক জুড়ে বেশিরভাগই শুধু স্পন্সর আর স্পন্সর । ফেসবুক নিউজফিডে গেলে সবসময় স্পন্সরড  পেইজ কিংবা পোষ্ট পাওয়া যায় । 
এতে অংশ নিচ্ছে যুবসমাজ থেকে শুরু করে সকল পেশার মানুষ আর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারে পিছিয়ে নেই কেউ।
কেউবা তার নিজ নিজ  মাস্টার কার্ড দিয়ে কিংবা কেউ প্রোমোট সেন্টারের সহযোগিতায়।
এবিষয়ে ফার্মগেট প্রোমোট এন্ড বুস্ট সেন্টারে কথা হলে তারা জানান
''গ্রাহকরা পন্য থেকে শুরু করে লাইক পাওয়া ও রিচ বৃদ্ধির জন্য বুস্ট করে থাকেন এবং প্রোমোট করেন।
আমরা ডলার ৯০ টাকা করে নিই কেউ কেউ কম বা বেশি নিয়ে থাকে । আবার আর এম দিয়েও বুস্ট করি।
অনেক সময় লাইক এর নামে অনেকে ধোঁকাও দেন যেগুলো থেকে সতর্ক থাকার আওভান জানান তারা।
তাদের অফিসিয়াল পেইজ https://www.facebook.com/TrueBoostServices/  থেকে অনেকেই ভালো কাজ করান বলে জানা যায়। এরকম লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশে বুস্ট এবং প্রোমোটের কাজ করে থাকে বলেও তারা জানান।
এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে ফ্যাশন পেইজ ,ব্যকিগত পেইজ প্রতিষ্ঠার পিছনে মানুষ অনেক সময় দিচ্ছে বলেও জানা যায়।
ফ্রিল্যান্সিং পেশা বেছে নিচ্ছে যুবসমাজের অধিকাংশই যারা চাকুরী পাচ্ছে না কিংবা চাকুরী করছে না কিংন্তু আইসিটি ও ফ্রিল্যান্সিং কেই তারা অধিক প্রাধান্য দিচ্ছেন ।  অনলাইন ,অফলাইন আউটসোর্সিং তো রয়েছেই  পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় রয়েছে হাজার হাজার আইটি কোম্পানি , ট্রেনিং সেন্টার , বুস্ট সেন্টার , বাজারের পন্য , হোমডেলিভেরি,  সার্ভিস পেইজ , টিচিং পেইজ , লার্নিং পেইজ সহ নানা ধরনের পেইজ ও গ্রুপ । 

Tuesday, November 12, 2019

দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৬ আহত ৭৬ (ভিডিও)

দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৬ আহত ৭৬ (ভিডিও)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাত্রীবাহী দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ আহত ৭৬ 


মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  
ট্রেন দুটো দুই দিকে যাচ্ছিল। কর্মকর্তারা জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে চলন্ত অবস্থায়। উদয়নকে লুপ বা সাইড লাইনে যখন পাঠানো হচ্ছিল তখন এর পেছনের তিনটি বগি মূল লাইনে থাকতেই ঢাকাগামী তূর্ণা চলে আসে এবং এ সংঘর্ষ ঘটে।
আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কান্তি দাস দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুইটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানান, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বগির নিচে আরো মরদেহ থাকতে পারে। হতাহতদের উদ্ধার কাজ চলছে। অনেকের কাটা হাত-পা উদ্ধার হচ্ছে। এ দৃশ্য অসহনীয়। 

শেষ খবর পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জন জানা গিয়েছে। 
ভিডিওলিংকঃ  https://www.facebook.com/news24expressbd/videos/432751750720540/?modal=admin_todo_tour  

Monday, November 11, 2019

তুরিন আফরোজকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতি

তুরিন আফরোজকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতি

প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজকে পেশাগত অসদাচরণ, শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সকল মামলার কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। 
মানবতাবিরোধী অপরাধীর সঙ্গে প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের গোপন আঁতাত ছিলো বলেও জানা যায়। 
চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপু স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখা থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। 
সোমবার (১১ নভেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানানো হয়েছে। এরপর তাকে মন্ত্রণালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
উল্লেখ্য যে, এর আগে জুন মাসে  নিজ মেয়ের কাছে নিগৃহীত হওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে উত্তরার নিজ বাড়িতে ফিরতে চেয়ে সংবাদ সম্মেলন  করেছিলেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের গর্ভধারিনী মা সামসুন নাহার তসলিম।  

Sunday, November 10, 2019

স্বৈরাচার নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাকঃ নূর

স্বৈরাচার নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাকঃ নূর

শহিদ নূর হোসেন দিবস  ১০ ই নভেম্বর যার বুকে লেখা ছিলো স্বৈরাচার নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাক। 
নূর হোসেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ।

১৯৮৭ সালের ১০ই নভেম্বর দেশের দুটি রাজনৈতিক দল বিএনপি ও আওয়ামীলীগ একত্র হয়ে স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের লক্ষ্যে ঢাকা অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করে। এর পূর্বে এরশাদ ১৯৮২ সালে একটি সেনা উত্থানের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং ১৯৮৭ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেন, কিন্তু বিরোধী দলগুলো তার এই নির্বাচনকে জালিয়াতি বলে অভিযুক্ত করে। তাদের একমাত্র দাবী ছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা। অবরোধ কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ঢাকায় একটি মিছিলে নূর হোসেন অংশ নেন এবং প্রতিবাদ হিসেবে বুকে পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেনঃ ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ । মিছিলটি ঢাকা জিপিও-র সামনে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি আসলে স্বৈরশাসকের মদদপুষ্ট পুলিশবাহিনীর গুলিতে নূর হোসেনসহ মোট তিনজন আন্দোলনকারী নিহত হন, এসময় বহু আন্দোলনকারী আহত হন। নিহত অপর দুই ব্যক্তি হলেন যুবলীগ নেতা নুরুল হূদা বাবুল এবং আমিনুল হূদা টিটু।

এই হত্যাকান্ডের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ বিরোধী দলগুলো ১১ ও ১২ই নভেম্বর সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা হরতাল ঘোষণা করে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়েন, ফলে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন আরোও ত্বরান্বিত হয়। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটে গণতন্ত্র পুণ-প্রতিষ্ঠিত হয় ।  
বিশ্ববিদ্যালয় চলে সরকারের টাকায়, সরকার চলে কার টাকায়ঃ নূর (ভিডিওসহ)

বিশ্ববিদ্যালয় চলে সরকারের টাকায়, সরকার চলে কার টাকায়ঃ নূর (ভিডিওসহ)

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় চলে সরকারের টাকায়, তাহলে সরকার চলে কার টাকায় বলে প্রশ্ন ছুড়েছেন ভিপি নুরুল হক নুর

তিনি আরো বলেন, লন্ডনে চিকিৎসা নেওয়া,সিঙ্গাপুরে চেকাপ এই টাকা দেশের জনগণের টাকা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেই যদি সবকিছু করতে হয়, তাহলে ৩০০ এমপি,কয়েক ডজন মন্ত্রী রেখে রাষ্ট্রের লাভ কী,কেন তাদের পিছনে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে.....? কিন্তু অাপনারা? অাপনাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, শিক্ষার্থীরা তো জনগণের সামান্য কিছু অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ে খরচ করে অার অাপনাদের থাকা-খাওয়া ,লন্ডন,সিঙ্গাপুরের চিকিৎসা, গাড়ির জ্বালানি, নিরাপত্তার বহর সবই সাধারণ জনগণের টাকায়।
জনগনের আংশিক অর্থ ব্যবহারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তো তাও পরবর্তী জীবনে জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আর করেও থাকে।
কিন্তু অাপনারা একবার ক্ষমতা পেলেই তো নিজেদের দলের লোকদের চাকরি, জনগণের টাকা লুটপাট, অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্য জনগণের উপর নির্যাতন-নিপীড়নসহ সব ধরণের অমানবিক কাজই তো করেন! পারলে তো ক্ষমতায় থাকতে বিদেশীদের কাছে দেশটাও বেঁচে দেন।
তারপরেও একেকজন কোন মুখে এতো নীতি কথা শোনান?
সাধারণ জনগণকে অাপনাদের দলকানা নেতা-কর্মী, সমর্থকদের মতো এতো বোকা ভাইবেন না যে, অাপনারা অাউল-ফাউল যা বলবেন সেটাতে তালি দিবে। একটা কথা মনে রাখবেন, দেশ ও ক্ষমতার মালিক জনগণ। অাপনাদেরকে ভোটের মাধ্যমে ৫ বছরের জন্য দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেয় মাত্র। যেখানে অাপনারা জনগণের সেবক ।
সুতরাং মালিকদের নিয়ে এভাবে তির্যক মন্তব্য, কটুক্তি ঠিক না। কারণ, মালিক চাইলে যে কোন সময়ে অাপনাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিতে পারে।
অার বর্তমানে যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় অাছেন, অাপনাদের মনে রাখা উচিত জনগণ অাপনাদেরকে দায়িত্ব দেয় নি। অাপনারা অপশক্তির মাধ্যমে জোর করে দায়িত্ব নিয়ে অাছেন। তা যে কোন সময়েই তাসের ঘরের মতো বিলীন হয়ে যেতে পারে।
সুতরাং মালিকের অর্থাৎ জনগণের চাওয়ার সাথে থাকতে চেষ্টা করুন, মালিক (জনগণ) ক্ষেপে গেলেই কিন্তু বিপদ।
আরো ভিডিওলিংকঃ  

Saturday, November 9, 2019

১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস

১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস

১২ রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস । 

মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা.) পৃথিবীতে এসেছিলেন তওহিদের মহান বাণী নিয়ে। প্রচার করেছেন শান্তির ধর্ম ইসলাম। তাঁর আবির্ভাব এবং ইসলামের শান্তির বাণীর প্রচার সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করে। 
আরবের মরুপ্রান্তরে ১ হাজার ৪৪৯ বছর আগের এই দিনে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। 
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) দীর্ঘ ২৩ বছর এই বার্তা প্রচার করেন। ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। 
আরব সমাজ যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে ডুবে ছিল, তখন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সারা বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছিলেন সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহ। ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন মহানবী। বিশ্ববাসীকে তিনি মুক্তি ও শান্তির পথে আসার আহ্বান জানান। সব ধরনের কুসংস্কার, গোঁড়ামি, অন্যায়, অবিচার ও দাসত্বের শৃঙ্খল ভেঙে মানবসত্তার চিরমুক্তির বার্তা বহন করে এনেছিলেন তিনি। 
বাবরি মসজিদের জায়গাতে মন্দির নির্মানঃ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

বাবরি মসজিদের জায়গাতে মন্দির নির্মানঃ ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যার বিরোধীপূর্ণ বাবরি মসজিদের জমি মন্দির নির্মাণে হিন্দুদের দিতে বিতর্কিত নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। 

শনিবার ভারতের প্রধান বিচারক রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানক বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে এ রায় দিয়েছেন। এই বিতর্কিত রায়ের ফলে রামের জন্মভূমি ট্রাস্ট এখন জমিটির অধিকারী হবে।  
আগামী ১৭ নভেম্বর অবসরের আগে কয়েক দশকের এই আইনিবিরোধীদের নিষ্পত্তি করলেন রঞ্জন গগৈ। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন, বিচারপতি এসএ বোবডি, ডিওয়াই চন্দ্রাচুড, অশোক ভুষান ও এস আবদুল নাজের।
আর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি প্রকল্প গঠন করতে বলেছে শীর্ষ আদালত। এই প্রকল্পের অধীন একটি সংস্থা গঠন করে তিন মাসের মধ্যে বাবরি মসজিদের জমির ভেতর ও বাইরের প্রাঙ্গন রামজন্মভূমি ট্রাস্টকে হস্তান্তর করতেও বলা হয়েছে। অযোধ্যার বিখ্যাত কোনো স্থানে একটি মসজিদ নির্মাণে পাঁচ একরের একখণ্ড জমি মুসলমানদের দিতেও রায়ে বলা হয়েছে।
রায়ে নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে মুসলমান সম্প্রদায়কে শহরেই আলাদা একখণ্ড পাঁচ একরের জমি বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারতে গত কয়েক দশকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই বিরোধপূর্ণ জমি। সেখানে হিন্দুদের দেবতা রামের জন্মভূমি বলে দাবি করা হয়েছে। ১৯৯২ সালে মসজিদটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা। তখন দাঙ্গায় দুই হাজারের বেশি লোক নিহত হয়েছেন।  

Friday, November 8, 2019

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে আগামীকাল শনিবারের (৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য সারাদেশে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
শনিবার জেএসসি ও জেডিসিতে গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। স্থগিত হওয়ার জেএসসি পরীক্ষা ১২ নভেম্বর এবং জেডিসি পরীক্ষা আগামী ১৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। 
এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।  জেলাগুলো হলো- সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পিরোজপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় প্রস্তুতিসহ পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য উপকূলীয় ১৩ জেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শনি ও রোববারের (৯ ও ১০ নভেম্বর) ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ক্রমেই শক্তি সঞ্চার করে ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। শুরুর দিকে ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় ৮০-৯০ কিলোমিটার। শুক্রবার দুপুর থেকে এটির শক্তি ক্রমেই বাড়তে থাকে। ‘বুলবুল’ ইতিমধ্যে দ্বিতীয় ক্যাটাগরির ঘূর্ণিঝড়ে উন্নীত হয়েছে। এটি এখন আঘাত হানলে ১৩০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইবে। যে বাতাসে ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' প্রবল আকার ধারণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি নিখোঁজ ১

ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' প্রবল আকার ধারণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি নিখোঁজ ১

বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' প্রবল আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে আন্ধারমানিক নদসহ সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। উত্তাল সমুদ্র থেকে তীরে ফেরার পথে ঢেউয়ের তাণ্ডবে এফবি মা কুলসুম ট্রলার থেকে বঙ্গোপসাগরে পড়ে গিয়ে মো. বেল্লাল নামের (৪০) এক জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা দুপুর ২টার কিছু সময় পর জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল' এখন অবস্থান করছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায়। 
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী সাইক্লোনটি বাংলাদেশের খুলনা-বরিশাল অঞ্চলে আঘাত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মি: মল্লিক।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের জন্য চার নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারী করা হয়েছে। 

মিথিলা-ফাহমির অশ্লীল ছবি শেয়ার আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন ফাহমি

মিথিলা-ফাহমির অশ্লীল ছবি শেয়ার আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন ফাহমি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী মিথিলা ও নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির অন্তরঙ্গ ছবি ভাইরাল হয়েছে। 
সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই ফেসবুকের বেশ কিছু গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে কয়েকটি ছবি। যেখানে ফাহমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে মিথিলাকে। পরে জানা যায়, ফাহমির ফেসবুক পেজটি হ্যাক করা হয়েছে।
সেই উত্তাপে নতুন করে মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) থেকে ছড়িয়ে পড়েছে মিথিলা-ফাহমির নামে কিছু অশ্লীল ভিডিও।মূলত এগুলো সবই ভুয়া ভিডিও বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে । বিভিন্ন পর্নো সাইট থেকে ডাউনলোড করে মিথিলা ও ফাহমির নামে প্রচার করা হচ্ছে ভিডিওগুলো।
এদিকে জানা গেছে, হ্যা’ক হওয়া পেজ উ’দ্ধার করতে আ’ইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি।তার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে,দ্রুতই পুলিশের সা’ইবার ক্রা’ইম ইউনিটের সাহায্য নেবেন এই নির্মাতা।কে বা কারা পেজ হ্যা’কিংয়ের সঙ্গে জড়িত আপাতত অনুমানের ভিত্তিতে সেটি যাচাই-বাছাইয়ের চেষ্টা চলছে।আই’নিভাবে হ্যা’কারদের শনাক্ত করা হতে পারে।সেই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা অশ্লীল ছবি ও ভুয়া ভিডিও ছড়াচ্ছেন তাদেরও নজরদারিতে আনা হবে । বিশেষ করে নানা রকম বানোয়াট তথ্যে মিথ্যা ছবি দিয়ে ভিডিও তৈরি করা ইউটিউবারদের ব্যাপারেও শক্ত অবস্থানে যাচ্ছেন ফাহমি। তবে গতকাল সন্ধ্যার পর থেকেই মিথিলা-ফাহমি দুজনই ফোন বন্ধ করে রেখছেন। ভাইরাল হওয়া ছবি নিয়ে তারা কোনো মন্তব্য করেননি। 
এদিকে আদর্শ এক জুটি হিসেবেই মিডিয়া জগতে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলেন মিথিলা ও তাহসান। তবে তাদের সংসার ভেঙে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর গায়ক ও অভিনেতা জন কবিরের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের খবর সামনে আসে।
সে গুঞ্জনের রঙ ফিকে না হতেই কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে মিথিলার ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি সামনে আসে। জানা যায়, সৃজিতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। শিগগিরই সৃজিত-মিথিলার বিয়ে হবে বলেও রব ওঠে। এর আগেই ভাইরাল হয়েছে মিথিলা ও নির্মাতা ইফতেখার আহমেদ ফাহমির আপত্তিকর কিছু ছবি।  

Thursday, November 7, 2019

প্রথম আলো আয়োজকদের অবহেলাই স্কুলছাত্র আবরারের মৃত্যুর জন্য দায়ীঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রথম আলো আয়োজকদের অবহেলাই স্কুলছাত্র আবরারের মৃত্যুর জন্য দায়ীঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রথম আলো আয়োজকদের অবহেলাই স্কুলছাত্র আবরারের মৃত্যুর জন্য দায়ী বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।  
Image result for শেখ হাসিনাপ্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দুস্থ ও অসচ্ছল সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের যে ঘটনা ঘটলো, আয়োজকরা এটাকে এতটা নেগলেক্ট করেছে! বাচ্চাটা মারা গেছে, এরপরও ঘটনাটা চাপা দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। ধানমন্ডিতে এতোগুলো হাসপাতাল, তবুও মহাখালীতে নিয়ে গেলো। প্রথম আলো এই ধরনের একটা ঘটনা কীভাবে ঘটায়? তাদের কোনও দায়বদ্ধতা নেই? ছোট ছোট বাচ্চারা এখানে পড়াশোনা করছে। তাদের নিরাপত্তা না দেখা এটাও তো গর্হিত অপরাধ। এটা তো বরদাশত করা যায় না।’
শেখ হাসিনা বলেন, কথায় কথায় ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলন। ভিসিকে দুর্নীতিবাজ বলছে। এখানে আমার একটা স্পষ্ট কথা, যারা ভিসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনছে, তাদেরকে কিন্তু এই অভিযোগ প্রমাণ করতে হবে এবং তথ্য দিতে হবে, তারা যদি তথ্য দিতে পারেন নিশ্চয়ই আমরা ব্যবস্থা নেবো। এবং অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।
এসময়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দুর্নীতি প্রমাণে ব্যর্থ হলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নেয়ারও হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন মেনে নেয়া হবে না।  

Wednesday, November 6, 2019

এবার ছাত্রদের রক্ষায় জাহাঙ্গীরনগরে শিক্ষকদের ব্যারিকেড

এবার ছাত্রদের রক্ষায় জাহাঙ্গীরনগরে শিক্ষকদের ব্যারিকেড


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের আন্দোলনে আজ ছাত্রদের রক্ষায় শিক্ষকদের ব্যারিকেড দিতে দেখা যায়।

এবার ছাত্রদের রক্ষায় জাহাঙ্গীরনগরে শিক্ষকদের ব্যারিকেড । আজ (বুধবার) বিকেলে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে পুলিশের থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে কয়েকজন শিক্ষককে প্রাচীর তুলে দাঁড়াতে দেখা যায়। বর্তমানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবননের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে। বাসভবনে প্রবেশের গেইটে একশো’র অধিক পুলিশ অবস্থান করছে। আন্দোলনকারী শিক্ষকরা পুলিশ এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে অবস্থান নিয়েছেন।
তবে যেখানে কিছু শিক্ষক উপাচার্যের দালালি করছেন, সেখানে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় কয়েকজন শিক্ষকের ব্যারিকেড আলোচনায় এসেছে।
শিক্ষার্থীরা যাতে হামলার শিকার না হতে পারেন তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের আহ্বায়ক অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক সাইদ ফেরদৌস, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু, অধ্যাপক রায়হান রাইন এবং অধ্যাপক কামরুল আহসান প্রাচীর তৈরি করে দাঁড়ান।
এবিষয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, এরাই আমাদের শিক্ষক, এই ব্যারিকেড পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধের দেয়াল । 
বর্তমানে উপাচার্যের বাস ভবনের সামনে ১৩০ জন পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। 
এছাড়াও, জরুরী মুহুর্তে মোতায়েনের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ ক্যাম্পাসের বাইরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 
বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।  
ধরা খেয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ৩২ কোটি টাকা ফেরত দিলেন

ধরা খেয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ৩২ কোটি টাকা ফেরত দিলেন


অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে পড়ায় অবশেষে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ফেরত দিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (ডিজি) সামীম মো. আফজাল। 
Image result for ইফা ডিজি শামীম আফজাল
গত ২৩ অক্টোবর সোনালী ব্যাংক পাবলিক সার্ভিস কমিশন শাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে রাজস্ব কোষাগারে এ টাকা জমা দিয়েছেন তিনি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইফা ডিজি সামীম আফজাল বলেন, ‘টেলিফোনে এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে পারব না। কিছু জানতে হলে অফিসে আসুন।’ ৩২ কোটি টাকা কেন ফেরত দিলেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি আবারও বলেন, ‘অফিসে আসুন। তখন বলব।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘গত ২৩ অক্টোবর নিজের স্বাক্ষরিত সোনালী ব্যাংকের ১৪৬০৭০৮ নং চেকের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৯৯ লাখ ১৫ হাজার ২২০ টাকা ফেরত দেন সামীম আফজাল। সরকারের বিশেষ নিরীক্ষা দল এ টাকা ফেরত আনার উদ্যোগ নেয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ কার্যালয় থেকে এ নিরীক্ষা দল প্রেরণ করা হয়।’
সিভিল অডিট বিভাগের এ নিরীক্ষা দল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের ডিপিপি, বরাদ্দ ও ব্যয়, ক্যাশবই, লেজার বুক ও রেকর্ডপত্র যাচাই করে ৩১ কোটি ৯৯ লাখ ১৫ হাজার ২২০ টাকার গরমিল পান। এ টাকার বিষয়ে ইফা ডিজিকে জিজ্ঞেস করে নিরীক্ষা দল। এ টাকা ৬৪ জেলায় প্রেরণ করা হয়েছে বলে ইফা ডিজি দাবি করেন। তবে এর পক্ষে তিনি টাকা ছাড়ের কোনা নথি দেখাতে পারেননি।
এ ধরনের আরো বহু প্রকল্প থেকে আরো বড় দুর্নীতির প্রমাণ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এই ৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্য ছিল ডিজি সাহেবের। এ কারণেই তিনি এ টাকা নিজ জিম্মায় রেখে দিয়েছিলেন। গত ৫ মাস আগে বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই সময় একটি তদন্ত কমিটি করে দেওয়া হয়। এ কমিটি তদন্ত ও অনুসন্ধান করে ডিজির ৩২ কোটি টাকা অনিয়মের সন্ধান পায়। এরপর একটি অডিট কমিটি করা হয়। এ কমিটিকে ম্যানেজ করার জন্য ডিজি সাহেব বহু চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত হয়তো টাকাটা রাজস্ব কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন। ’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি হিসেবে নিয়োগ লাভের পর থেকেই এ প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে সামীম আফজালের বিরুদ্ধে। তাঁর আর্থিক অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যহার নিয়ে বেশ কয়েকটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে অনুরোধ করে। সর্বশেষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সামীম আফজাল ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসেব তলব করে। এর পরই টাকা ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সংস্থার চাপে শেষ পর্যন্ত সামীম আফজাল এ টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন। এ ছাড়াও ফাউন্ডেশনের কেনাকাটায় আরো বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুধু একটি ঘটনায়ই তাঁর ৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পড়েছে।