Tuesday, April 21, 2020

করোনায় সৌদি আরবে ২৭ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু

করোনায় সৌদি আরবে ২৭ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু


মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিধ্বস্ত। নিউইয়র্ক টাইমস এমন খবর সম্প্রতি দিয়েছিল যে, দেশটির রাজ পরিবারেরই বহু সদস্য করোনায় সংক্রমিত। এই মহামারীতে দেশটির শতাধিক মানুষ মারা গেছেন ।
আক্রান্ত হচ্ছেন সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। কোভিড-১৯  এ পর্যন্ত অন্তত ২৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন রিয়াদে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ।বহু বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তবে এখন পর্যন্ত কতজন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মসীহ সে বিষয়ে ।
গণমাধ্যমকে গোলাম মসীহ ‍মঙ্গলবার বলেন, কতজন বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সেটা সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনও জানায়নি। তবে আমরা জানার চেষ্টা করছি।
সৌদিতে করোনায় যেসব বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে তাদের অনেকের এখনও দাফন হয়নি।
তাদের দাফন কোথায় হবে এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত মসীহ বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে লাশ দেশে নেয়া সম্ভব নয়। সৌদির মাটিতেই তাদের দাফন করা হবে।
সূত্র: আলোড়ন নিউজ
এবার পাক প্রধানমন্ত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

এবার পাক প্রধানমন্ত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা


আন্তর্জাতিক প্রতিবেদক: সর্বপ্রথম গত ২৪ মার্চে প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৬ এপ্রিল মিসরের রাজধানী কায়রোর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন লিবিয়ার বিদ্রোহী সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ জিবরিল।এরপর গত ২৬ মার্চ কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়ার পড়ার পর নিজের ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনে ১০ দিন সেল্ফ আইসোলেশনে থেকেও  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।অস্থার অবনতি ঘটাতে যেতে হয়েছিল হাসপাতালের সর্বোচ্চ চিকিৎসা আইসিইউতে।এরপর ১২ এপ্রিল  হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়ে নিজের বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন বরিস জনসন । এবার পাক প্রধানমন্ত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য সিয়াসাত ডেইলি।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত পাকিস্তানের এক সমাজকর্মীর সংস্পর্শে আসায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আক্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।যার কারণে শীঘ্রই তার করোনা পরীক্ষা করে প্রয়োজনে আইসোলেশনে নেয়া হতে পারে।
ইমরান খানের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ফয়জল সুলতানের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য সিয়াসাত ডেইলি।
সংবাদমাধ্যমটি জানায়, পাকিস্তানের প্রয়াত সমাজকর্মী, ইধি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল সাত্তার ইধির ছেলে ফয়জল ইধি গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে ইমরানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর করেনা তহবিল ফান্ডে ১০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেন ইধি।
মঙ্গলবার তার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ শনাক্ত হয়। এ খবরের পরই ইমরান খানের বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ফয়জল সুলতান।
মঙ্গলবার ফয়জল সুলতান জানান, ইমরানের শরীরে করোনা সংক্রামিত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। জরুরিভিত্তিতে তার করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। প্রয়োজন পড়লে আইসোলেশনেও যেতে হতে পারে।
সংবাটি লেখার আগ পর্যন্ত সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসে মোট আক্রান্ত হয়েছে ২৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৯১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৩৪ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন ৬ লক্ষ ৮৮ হাজার ৪৩০ জন।
পাকিস্তানের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত টেস্ট করানো হয়েছে ১ লক্ষ ১১ হাজার ৮০৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৬৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত ও মারা গেছেন ২৫ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৯ হাজার ৫৬৫ জনে। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা ২২৬ জন।আর সিরিয়িাস রোগী হিসেবে আছেন ৪৬ জন।
সূত্র: আলোড়ন নিউজ

প্রধানমন্ত্রীর মুখে ছাত্রলীগের প্রশংসা

প্রধানমন্ত্রীর মুখে ছাত্রলীগের প্রশংসা


নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ায় খবর পেয়ে ছাত্রলীগের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে  প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের আট জেলার প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী এবং সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী এ প্রশংসা করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রলীগের একের পর এক কর্মকান্ড আমাকে মুগ্ধ করেছে । জমির ধান এখন পাকতে শুরু করেছে। ধানকাটা নিয়ে সমস্যা যখন সৃষ্টি হল তখন আমি ছাত্রলীগকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারা নিজ নিজ এলাকায় কৃষকের পাশে দাঁড়াচ্ছে। ধান কেটে দিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ছাত্রলীগের ছেলেরা করোনা দুর্যোগে এগিয়ে এসেছে। তারা কৃষকের ধান কেটে সহযোগীতা করছে। নিজেরা ফর্মুলা নিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানিয়েছে এবং বিতরণ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নিজেরাই হ্যান্ডস্যানিটাইজার বানিয়ে বিতরণ করছে। বাড়ি বাড়ি খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছে। এ জন্য ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ।
শেখ হাসিনা বলেন, শুধু ছাত্রলীগই নয়, আমাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
এছাড়া চলতি বোরো মৌসুমে আগের বছরের তুলনায় বেশি চাল, ধান, আতপ ও গম সংগ্রহ করা হবে বলে জানান তিনি। ধারণা করা হচ্ছে এর পরিমাণ ২১ লাখ মেট্রিক টন।
শেখ হাসিনা জানান, ‘আমাদের খাদ্যের কোনো অভাব দেখা দিবে না।কারন আমাদের এখন ধান উঠছে।ইতিমধ্যে ধান কাটাও শুরু হয়ে গেছে। আগামীতেও ফসল উঠবে।একই সঙ্গে তরিতরকারি ফলমূল স্ব স্ব অবস্থান থেকে উৎপাদন করার কথাও বলেন তিনি।সুত্র: আলোড়ন নিউজ
বঙ্গবন্ধুর খুনি রিসালদার মোসলেমের এখনও কোনো খবর ‘পায়নি’ সরকার

বঙ্গবন্ধুর খুনি রিসালদার মোসলেমের এখনও কোনো খবর ‘পায়নি’ সরকার

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে মোসলেমের মতোই ফাঁসির আরেক আসামি আব্দুল মাজেদ সম্প্রতি ধরা পড়েন। তিনি দীর্ঘদিন ভারতে পালিয়ে ছিলেন।
ফাঁসিতে ঝোলার আগে মাজেদের কাছ থেকে বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোসলেম পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা থেকে আটক হন বলে গত রোববার খবর দেয় আনন্দবাজার।
তখন জিজ্ঞাসা করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন, “আমরা শুনেছি, কিন্তু কনফার্ম করে বলতে পারছি না। নিশ্চিত হলে তখন জানাব।”
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এখনও অফিসিয়ালি কোনো নিউজ নেই। গোয়েন্দারা হয়ত এ নিয়ে অনুসন্ধান করছেন। এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”
পলাতক ফাঁসির আসামি সাবেক সেনা সদস্য মোসলেমের নামে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোলের রেড নোটিস রয়েছে।
ইন্টারপোল বাংলাদেশ শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো-এনসিবির সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিউল ইসলাম মঙ্গলবার জানান বলেন, “গ্রেপ্তারের খবর বিভিন্ন মাধ্যমে জানার পর নিয়মানুযায়ী তথ্য জানতে দিল্লিতে এনসিবি অফিসে চিঠি পাঠান হয়েছে। আজ পর্যন্ত কোনো উত্তর আসেনি।”
মাজেদের গ্রেপ্তারের সঙ্গে যুক্ত গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেছেন, মোসলেম আসলেই গ্রেপ্তার হয়েছেন কি না, সে খবরে সত্যতা যাচাইয়ে তারা কাজ করছেন।
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার ফরিদ হোসেন মঙ্গলবার জানান, তিনি শুধু সংবাদপত্রেই খবরটি দেখেছেন, এর বাইরে কোনো তথ্য তার কাছে নেই।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যে ছয় আসামি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন, তাদের মধ্যে মোসলেম একজন।
ওই ছয়জনের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন মাজেদ এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে গ্রেপ্তার হওয়ার পর গত ১১ এপ্রিল মধ্যরাতে কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
পরিচয় গোপন করে ২০ বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় পালিয়ে থাকা মাজেদকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।সুত্রঃ আলোড়ন নিউজ
কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে রেজাউল করিম

কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে রেজাউল করিম

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আপতকালীন কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়দের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।
কোন প্রকার যুদ্ধ ছাড়াই অচল করে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। ইউরোপ থেকে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে যাওয়া এ ভাইরাসের প্রকোপে অবরুদ্ধ, অচলাবস্থা বিরাজ করছে দেশজুড়ে।
করোনাকালে অসহায়দের পাশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী নেই বলে কতিপয় এক চক্র অভিযোগ তুলছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন প্রতিনিয়ত কোন না কোন জায়গায় ছবি তোলে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের জানান দিচ্ছে।
চলমান পরিস্থিতিতে আলোড়ন নিউজের এক প্রতিনিধি নানান প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে,তার জবাবে রেজাউল করিম চৌধুরী যা বলেন
সমাজের কোন কোন শ্রেণির মাঝে আপনার ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রেখেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে নগরের আওয়ামী মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী বলেন, নগরের ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড, সিটি করপোরেশনের ৪১ ওয়ার্ডের সবটাতে সাধ্যমতো নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি। কোনো সাহায্য আমি সরাসরি পৌঁছে দিয়েছি, আবার কোনো কোনো সাহায্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাধ্যমে সমন্বয় করে বিতরণ করেছি। ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির-গির্জা সব জায়গাকে সাধ্যমতো সাহায্যের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি আমি।
একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের খোঁজখবরাখবর নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকৃত  মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, আওয়ামী পরিবারে যারা টানা লকডাউনে সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু কাউকেই বলতে পারছে না, আমি সেইসব পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি, করছি। বিকাশের মাধ্যমেও আর্থিকভাবে অনেক পরিবারকে সাহায্য দিয়েছি। দেশের মানুষ করোনা থেকে মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এ অর্থসাহায্য, খাদ্যবণ্টন চলবে। রমজানকে ঘিরেও চলবে ইফতারসামগ্রী বিতরণ। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সর্বোচ্চ করছি, করে যাবো।’এতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। তাছাড়া আমার সম্বন্ধে আগ থেকে  যাদের ধারণা আছে, তারা আরো স্পষ্ঠ ভাষায় বলতে পারবে। নিজ মুখে নিজের প্রশংসনীয় কাজ বলতে আমার ভালো লাগে না। এটা অনেকে পারলেও কেন জানি আমি পারি না।
এর আগে এমন কোন দুর্যোগ মোকাবিলায় অংশগ্রহণ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় থানা বাঁশখালিতে ব্যক্তি-উদ্যোগে সাহায্য নিয়ে  মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে গেছি। বিপদগ্রস্তদের পাশে এই যে ছুটে যাওয়া, দাঁড়ানো সবই চিত্তের তাগাদা, মানসিক প্রশান্তির জন্য। এভাবে যেভাবেই সুযোগ পেয়েছি নিজের জায়গা থেকে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তখন কোনো প্রচার চাইনি,  এখন কেন চাইবো। মানুষকে জানাবো যে, আমি এই দিয়েছি, সেই দিয়েছি।
বর্তমান মেয়র তো নগরের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে হতে শুরু করে হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন, সেই তুলনায় আপনাকে তো কম দেখা যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু স্বেচ্ছাকর্মী নিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছি।আমি ছোট মানুষ, খুব বেশি সামর্থ্য আমার নেই। হয়তো বৃহৎ পরিসরে, বড় কোনো উপকার আমি করতে পারছি না। কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি আমাকে দিয়ে কখনো মানুষের অপকার হবে না। হবে না অপরাজনীতি, নোংরামি, আত্মপ্রচারের উদগ্র প্রতিযোগিতা।আর তাছাড়া জীবাণুনাশক স্প্রে ও নগরের সৌন্দর্য বন্ধনে একজন মেয়র হিসেবে কাজ করে যাওয়াটা স্বাভাবিক। আর এসব কাজ তো হচ্ছে সরকারি অর্থায়নে, ব্যক্তি অর্থায়নে নয়।
পরিশেষে নগরবাসীর উদ্দেশ্য বলার কিছু আছে কিনা এমন প্রশ্নে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন আমি মাঠে নেই, আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এমন বিভ্রান্তিকর প্রচার যারা চালাচ্ছে, তাতে আমার বলার কিছু নেই।তবে তাদের জন্য আমার মায়া হওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি পারি না কাউকে সাহায্য করে প্রচার করতে। আর এই প্রচার না চাওয়া কি আমার অপরাধ? আর তাই যদি হয়ে থাকে রাজনীতির নামে অসম, লোকদেখানো প্রতিযোগিতা, অশোভন আচরণ আমাকে দিয়ে এই বয়সে আর হবে না।
স্থানীয় সূত্র জানান, না বলে-না কয়ে, ডাকঢোল না পিটিয়ে, ছবি না তুলে ও কোন প্রকার আনুষ্ঠানিকতা না করে নীরবে আপতকালীন অসহায়দের ঘরের দোয়ারে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে রেজাউল করিম চৌধূরী ও তার অনুসারীরা।
যারা শুধুমাত্র বিরোধিতার খাতিরে রেজাউল করিম চৌধূরীর সমালোচনা করে যাচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্য স্থানীয়দের পক্ষে নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক সমাজকর্মী বলেন ,অন্তত প্রিয় স্বদেশ ও বৈশ্বিক মহামারীর এই সময়টুকুতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অসহায় মানুষের পাশে যার যার অবস্থান থেকে সাধ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাহায্যের হাত বাড়ায়।যদি আল্লাহ সুবাহানাতালা সবাইকে ভালো রাখেন সুস্থ্ রাখেন,প্রিয় দেশে,রাজনীতির মাঠে-রাজনীতি করার সময় আমরা অবশ্যই পাব। মহান রব সবাইকে সুস্থ রাখুক,নিরাপদে রাখুক,সবাই নিজ নিজ ঘরে থাকুন অন্যকে ঘরে অবস্থান করার জন্য উৎসাহিত করুন।সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা আবারও একত্রিত হব ইনশাআল্লাহ।
সূত্র : আলোড়ন নিউজ