Wednesday, July 31, 2019

লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী  প্রশংসার ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

লাইনে দাঁড়িয়ে শিক্ষামন্ত্রী প্রশংসার ঝড় সোশ্যাল মিডিয়ায়

সম্পাদকঃ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ১ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সিকিউরিটি চেক পার হয়েছেন। পাঁচ শতাধিক মানুষের লাইনে ঘণ্টাখানেক দাঁড়িয়ে তিনি সিকিউরিটি চেক পার হন। তার ওই ছবিটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নিরাপত্তাকর্মীরা দীপু মনিকে আলাদাভাবে সিকিউরিটি চেক পার হতে বললেও তিনি তাতে রাজি হননি। 

রোববার ঢাকা থেকে বিমানযোগে চট্টগ্রাম যান তিনি। সেখানে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তনে যোগ দেন। 






এর আগে রোববার সকালে বিমাবন্দরের সিকিউরিটি চেক পার হন তিনি। 
সম্প্রতি অস্ত্র নিয়ে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি ঘটনায় নিরাপত্তা জোরদার হয়।




বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ফেসবুকে তার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার ছবি প্রচার করেন। 
তারা নিজেদের মুগ্ধতাও প্রকাশ করেন।
এর আগে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চাঁদপুর নিজ এলাকায় লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন শিক্ষামন্ত্রী। 
তার ওই ঘটনায় তিনি দেশে বেশ আলোচিত ও প্রশংসিত হন । 
উল্লেখ্য ড. দীপু মনি একজন বাংলাদেশী নারী রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান সফল শিক্ষামন্ত্রী এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী । 
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়, বাকিরা সবাই রাষ্ট্রের কর্মচারীঃ হাইকোর্ট

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়, বাকিরা সবাই রাষ্ট্রের কর্মচারীঃ হাইকোর্ট

সম্পাদকঃ ভিআইপি প্রটোকল বিষয়ে হাইকোর্ট বলেছেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়, বাকিরা সবাই রাষ্ট্রের কর্মচারী। 


বুধবার (৩১ জুলাই) মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি এক নম্বর ফেরিঘাটে যুগ্ম সচিবের অপেক্ষায় প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি না ছাড়ায় স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা রিটের শুনানিকালে আদালত এ মন্তব্য করেন।
বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটের শুনানি হয়।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন।
উল্লেখ্য, নড়াইল কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র তিতাস ঘোষ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা ভাড়া করা একটি আইসিইউ সম্বলিত অ্যাম্বুলেন্সে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির উদ্দেশে রওনা দেন পরিবারের লোকজন। রাত ৮টার দিকে কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌ-রুটের মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ১ নম্বর ভিআইপি ফেরিঘাটে পৌঁছায় অ্যাম্বুলেন্সটি। তখন কুমিল্লা নামে ফেরিটি ঘাটে যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় ছিল। সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আবদুস সবুর মণ্ডল পিরোজপুর থেকে ঢাকা যাবেন বলে ওই ফেরিকে অপেক্ষা করতে ঘাট কর্তৃপক্ষকে বার্তা পাঠানো হয়। তিন ঘণ্টা অপেক্ষার পর ফেরিতে ওঠে অ্যাম্বুলেন্সটি। কিন্তু এর মধ্যে মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যায় তিতাস। এ ঘটনা তদন্তে সোমবার (২৯ জুলাই) তিনটি কমিটি গঠন করা হয়।
অবশেষে পৌর কবরস্থান সংস্কারের উদ্যোগ

অবশেষে পৌর কবরস্থান সংস্কারের উদ্যোগ



ফেনী প্রতিনিধি : ফেনী পৌরসভায় সুলতানপুরে অবস্থিত পৌর গণকবরস্থানকে সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র হাজী আলাউদ্দিন। গতকাল সোমবার বিকালে কবরস্থান পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা জানান। পুরো কবরস্থান এলাকা ঘুরে দেখেন। তিনি লাশ বহনের জন্য খাটিয়া ও মৃতদেহ গোসল দেয়ার জন্য মোটর স্থাপনের মাধ্যমে সবসময় পানির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। গত ২১ জুলাই দৈনিক ফেনীর সময় এ ‘ফেনী পৌর কবরস্থানের বেহাল দশা’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হলে মেয়র পৌর কবরস্থান পরিদর্শন করে সংস্কারের উদ্যোগ নেন।Image may contain: 2 people, people standing, outdoor and nature
এবার ডেঙ্গুতে পুলিশের এসআই কোহিনুরের মৃত্যু

এবার ডেঙ্গুতে পুলিশের এসআই কোহিনুরের মৃত্যু

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কোহিনুর আক্তার নীলা মারা গেছেন। মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে কোহিনুরকে (৩৩) প্রথমে রাজারবাগ পুলিশলাইনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। রাজারবাগ পুলিশলাইনসে সকাল সাড়ে ৯টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এসআই কোহিনুরের সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে। মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোহিনুর সিটি হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত কোহিনুরকে গুরুতর অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু থেকেই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ক্রমেই তার অবস্থার অবনতি হয়। মঙ্গলবার রাত ২ টার দিকে কোহিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। জানা গেছে, এসআই কোহিনূরের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সূত্রমতে, রাজারবাগ পুলিশলাইনসের ব্যারাক, মিরপুরসহ আশপাশের এলাকার বহু পুলিশ সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত পুলিশের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৯৫ পুলিশ সদস্য ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। শনিবার আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ছিল ১০১ জন। দেশের ৬২ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩৩৫ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৫৫ জনের বেশি। মঙ্গলবার নতুন করে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্ত্রী রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬-৩০ বছর বয়সীরা। আগস্টে এ রোগের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থান সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের ফ্লোর, বারান্দাসহ বিভিন্ন খালি জায়গায় রোগীদের রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শুধু জুলাইয়ের ২৯ দিনে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১৮২ জন। আর জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৬৯ জন। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪ হাজার ৪০৮ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৯৫৩ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।

Tuesday, July 30, 2019

অনৈক্যের কারণেই ফেনীর সাংবাদিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

অনৈক্যের কারণেই ফেনীর সাংবাদিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

ফেনী প্রতিনিধি :ফেনী প্রেস ক্লাবে তালা ঝোলা এবং সাংবাদিকদের অনৈক্যের কারণেই তারা নিজেরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বি.কম। 
তিনি রবিবার নিউজটোয়েন্টিফোরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন। 
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্য সৃষ্টি হলে ফেনীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
Image may contain: 4 people, people standing
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বুটেক্স (BUTEX)

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বুটেক্স (BUTEX)

বুটেক্স প্রতিনিধিঃ সম্প্রতি দেশজুড়ে বেড়েছে ডেঙ্গুজ্বরের প্রকোপ।
এ থেকে মুক্তি পেতে নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে পালিত হচ্ছে নানা কার্যক্রম এরই অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার (৩০শে জুলাই) থেকে সপ্তাহব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যক্রম পরিচালনা করবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। এতে আরো বলা হয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি আবাসিক হলগুলোতেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ পালন করা হবে।
আজ বেলা সাড়ে এগারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে এ কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করেন
বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধকল্পে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সপ্তাহব্যাপী বুটেক্স ক্যাম্পাস, হল ও আবাসিক এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির শুভ উদ্ভোধন করলেন বুটেক্সের অভিভাবক, যাহার দক্ষ নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় , মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর মো. আবুল কশেম স্যার.. এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্টার মো মনিরুল ইসলাম স্যার, ডিন শাহ আলিমুজ্জামান বেলাল স্যার, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিভাগীয় প্রধান জুলহাস স্যার সহ সকল পর্যায়ের শিক্ষক এবং কর্মচারীবৃন্দ.. এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক , সকল হল শাখার সভাপতি & সাধারণ সম্পাদক ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা..
আরো উপস্থিত ছিলেন বুটেক্সের সকল শিক্ষার্থীবৃন্দ... সকলের সচেতনতার মাধ্যমে ডেঙ্গুমুক্ত , স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন।
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিবের স্ত্রীর

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিবের স্ত্রীর

ফার্মগেট প্রতিনিধিঃ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হেলথ ইকোনমিক্স ইউনিটের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) ড. নুরুল আমিনের স্ত্রী ফারজানা হক (৪২)।

এছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন লিটন হাওলাদার নামের আরেক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯ জনে।
সোমবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাতে ঢামেক হাসপাতালের জেনারেল আইসিইউতে মারা যান ফারজানা। ঢামেকের সহকারী পরিচালক ডা. নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, ফারজানা আগেই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন। সোমবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফারজানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। রাতে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ফারজানা হক পরিবারের সঙ্গে রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকায় থাকতেন।

Monday, July 29, 2019

হলি ক্রসের সেই শিক্ষার্থী বর্তমানে Harvard এ নিযুক্ত

হলি ক্রসের সেই শিক্ষার্থী বর্তমানে Harvard এ নিযুক্ত

সম্পাদকঃ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় চমকপ্রদ এক কবিতা আবৃতির ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়  রেবেকা শফি (Rebecca shafee) নামক হলি ক্রস কলেজের প্রাক্তন এক শিক্ষার্থীর ।  
১৯৯৪ তে বিটিভির এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অসাধারন বাচন ভঙ্গি আর কন্ঠের জাদুতে মধ্যবিত্তের যাপিত জীবন কে হুট করে ছুয়ে যায় কয়েক মিনিটের সেই ভিডিও।

বর্তমানে তিনি হার্ভাডের মেডিকেল স্কুলে রিসার্চ ফেলো হিসাবে আছেন। হলিক্রস থেকে বের হয়ে তিনি ক্যালটেকে ফিজিক্স নিয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট শেষ করেন।
এরপর তিনি হার্ভার্ড থেকে এস্ট্রোফিজিক্সে পিএইচডি শেষ করেন।
বর্তমানে তিনি জেনেটিক ভেরিয়েন্ট আর নিউরোসাইকিয়াট্রিক ডিসঅর্ডার এর সম্পর্ক নিয়ে কাজ করছেন। 
বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থী Harvard এ নিযুক্ত রয়েছেন তা বাংলাদেশের সকলের জন্য গর্বের বিষয় । 
তিনি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে এবং পেইজে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন । 
ভিডিও লিংকঃ https://www.facebook.com/geniusadmissioncare/videos/2443515192631512/ 
Rebecca shafee নামে বর্তমানে ওনার একটি ফেসবুক আইডিও রয়েছে ।  

Sunday, July 28, 2019

নামের আগে ডক্টরেট বা ‘ব্যারিস্টার’ যুক্ত না করার নির্দেশনাঃ হাইকোর্ট

নামের আগে ডক্টরেট বা ‘ব্যারিস্টার’ যুক্ত না করার নির্দেশনাঃ হাইকোর্ট

সম্পাদকঃ মামলার রায় বা আদেশে নিম্ন আদালতের বিচারকদের নামের আগে ‘ড.’ (ডক্টরেট) বা ‘ব্যারিস্টার’ যুক্ত না করার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছে, ‘ডক্টর (ড.)’ গবেষণামূলক উচ্চতর শিক্ষার একটি ডিগ্রি। ‘ব্যারিস্টার’ পেশাগত বিশেষ একটি কোর্স। ফলে ড. বা ব্যারিস্টার কখনোই কোনো ব্যক্তির নামের অংশ হতে পারে না।

Image result for হাইকোর্টগত ৭ জুলাই বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দেয়া পর্যবেক্ষণসহ প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন নির্দেশনা দেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এ রায় প্রকাশ করা হয়।
রায়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিচারপতির উচ্চ শিক্ষার ডিগ্রি এবং উচ্চ পেশাগত কোর্স সম্পন্নের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ রায় বা আদেশে তাদের নামের আগে ঐসব ডিগ্রি বা কোর্সের বিষয় কখনো উল্লেখ করেন না। এছাড়া, প্রথা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডার, কজলিস্টসহ দাপ্তরিক কাজেও তা উল্লেখ করা হয় না। এ অবস্থায় নিম্ন আদালতের বিচারকগণের মধ্যে যাদের উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে বা পেশাগত উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেছেন বা করবেন তারা মামলার রায় বা আদেশে নামের অংশ হিসেবে ডিগ্রি উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয়/কাম্য নয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিচারকগণ নিজ বুদ্ধিমত্তা ও প্রজ্ঞা দিয়ে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নামের অংশ হিসেবে উচ্চতর ডিগ্রির ব্যবহার থেকে নিজেদের বিরত রাখবেন।
‘আপন শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যক্ত করার’ মানসিকতা
রায়ে বলা হয়, প্রশাসন ও অন্যান্য ক্যাডারের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ নির্বাহী বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের হাতে। তাদের শৃঙ্খলাসহ সামগ্রিক বিষয় দেখভাল করার ব্যবস্থাও ভিন্ন। সুতরাং প্রশাসন বা অন্য ক্যাডারের কোনো কর্মকর্তার নামের অংশ হিসেবে উচ্চতর ডিগ্রি উল্লেখের বিষয়ে বিচার বিভাগের কোনোরূপ মন্তব্য হবে অনাকাঙ্ক্ষিত। তবে আমাদের এ কথা বলতে দ্বিধা নেই যে, ‘আপন শ্রেষ্ঠত্ব সম্বন্ধে অতিরিক্ত প্রত্যয় ব্যক্ত করার’ মানসিকতা থেকেই কারো কারো মধ্যে অর্জিত ডিগ্রি নামের অংশ হিসেবে ব্যবহারের এ প্রবণতা।
‘অন্য ক্যাডারের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়’
রায়ে বলা হয়, প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে যে, প্রশাসন বা অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাসহ অনেকেই নামের অংশ হিসেবে এসব ডিগ্রি উল্লেখ করে থাকেন। তাহলে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের উচ্চতর ডিগ্রি উল্লেখ ও ব্যবহারে বাধা কোথায়। এ প্রসঙ্গে আমাদের সুচিন্তিত অভিমত হলো যে, একজন বিচারককে কখনোই প্রশাসন বা অন্য কোনো ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সাথে তুলনা করা উচিত নয়। এতে বিচার বিভাগ ও বিচারকগণের স্বকীয়তা ও মহিমাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। ফলে প্রশাসন বা অন্য ক্যাডারের কোনো কর্মকর্তা কর্তৃক নামের অংশ হিসেবে উচ্চ ডিগ্রির ব্যবহার বা পেশাগত কোর্সের উল্লেখ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তার নিকট অনুসরণীয় বা অনুকরণীয় হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ হতে পারে না।
‘বিচারকদের উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনে সুপ্রিম কোর্টের পৃষ্ঠপোষকতা’
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, নিম্ন আদালতের বিচারকগণের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ ও ডিগ্রি লাভ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। এ বিষয়টিকে সব মহলের উত্সাহ প্রদান এবং ভবিষ্যতে নিম্ন আদালতের বিচারকদের মধ্য থেকে অধিক সংখ্যক বিচারক যাতে উচ্চতর শিক্ষা ও ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন, সে বিষয়ে সরকার ও সুপ্রিম কোর্টের সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় আদেশ বা রায়ে বিচারকের নামের আগে অর্জিত ডিগ্রি নামের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা সমীচীন নয়। মামলা রায় বা আদেশে শুধু বিচারকের নাম এবং তিনি কোন আদালতের বিচারক তা উল্লেখ থাকাই সঙ্গত।
প্রসঙ্গত, ধানমন্ডি থানার একটি হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের পাঁচ জন সাক্ষীকে পুনরায় জেরার আবেদন খারিজ করে দেন ঢাকার বিশেষ দায়রা জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আসেন মামলার আসামি ইনজামামুল ইসলাম ওরফে জিসান। মামলার নথি পর্যালোচনায় হাইকোর্ট দেখতে পায় যে, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক নামের আগে ‘ড.’ ডিগ্রি ব্যবহার করেছেন। এ অবস্থায় গত ৭ জুলাই হাইকোর্ট বিচারকদের নামের আগে এ ধরনের ডিগ্রি ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেয়। বৃহস্পতিবার পর্যবেক্ষণসহ পূর্ণাঙ্গ ওই রায় প্রকাশ করা হয়।
ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর দায়ে এক যুবক আটক

ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর দায়ে এক যুবক আটক

ফেনী প্রতিনিধিঃ২৮/৭/২০১৯ঃ ফেনীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুবে ‘গুজব’ ছড়ানোর দায়ে মো. জাহেদ হোসেন রনি (২১) নামের এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে শহরের গোপাল পট্টি এলাকার ফয়েজ জুলেলার্স থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দ নজরদারি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নজরদারি করে জানা যায় গুজবকারী ‘জাহেদ হাসান রনি’ নামক ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন শ্রেনী সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর জন্য সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠির মাঝে উস্কানিমূলক তথ্য প্রচারের করছে। তিনি মোবাইল ফোনসহ নানা রকম ইলেকট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন ছবি ও তথ্য ফেইসবুক তথা স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারসহ অন্যের পোষ্ট শেয়ার করে নানা রকম গুজব রটানোর কাজে লিপ্ত আছে।  
Image may contain: 3 people, text
একটি চমৎকার কবিতাঃ মাটির কন্যা

একটি চমৎকার কবিতাঃ মাটির কন্যা

সূর্য দেবতায় অষ্টাঙ্গে প্রণাম করে শুরু হয় আমার প্রতিটি দিন অতটা দিক্বিদিক জ্ঞান আমার নেই ( বাপু) উদর পূরতে খবর করি ভগবানের। তোমাদের মতোই রক্ত মাংশে গড়া আমারও মান আছে, অভিমান আছে তোমাদের মতো ছোট একটা মনও আছে সময়ে অসময়ে ভালোবাসতেও জানি। Image may contain: Aeyasha Seema, closeup কিন্তু ব্যবধান কোথায় জানো ? তোমাদের মতো ভাব প্রকাশ করতে মনের মানুষের প্রেয়সী হওয়ার কৌশল আমার জানা নেই ( গো ) গায়ের সুবাস ছড়াতেও শিখিনি। আমি কেবল রুক্ষ হাতের কাছে হতে পারি একদলা কাদামাটি, দুঃখ তাপের ভাগি হয়ে শুষে নিতে পারি চোখের জল প্রচণ্ড খরায় মাটি যেমন করে বুক পেতে নিয়ে যায় সূর্যের তাপ যেমন করে শুষে নিয়ে যায় গড়িয়ে চলা বৃষ্টির জল তেমনই মাটি যেখানে পাথুরে পথে চলতে থাকা মানুষের কাছে আকাঙ্ক্ষার হয়ে ওঠে দূর্বাঘাস। আমার লাবন্য লুকায় বন্যতায় সন্ধ্যা ঘনালে শূন্যতায় চোখ মেলে খুঁজি প্রশান্তি, অনুভবে পাই ভালোবাসা এঁটেল মাটির মতো, আমি মাটির কন্যা ধুলোর মতো করে আমার কষ্ট উড়াই তোমাদের সাথে কোন মিল আমার নেই। লেখিকাঃ আয়েশা সীমা (শিক্ষিকা)
২৭ : ০১ : ২০১৯ রূপগঞ্জ।
শাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষা

শাবিপ্রবিতে ভর্তি পরীক্ষা

সিলেট প্রতিনিধিঃ  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯ সালের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৯ অথবা ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ (২৮ জুলাই) সকালে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।
আগামী ১৯ অথবা ২৬ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত । আগামীতে উপাচার্যদের মিটিংয়ে এদ্বয়ের মধ্যে একটি তারিখ নির্ধারন করা হবে হবে। অতঃপর আবেদনের সময়সীমা জানানো হবে।
২০১৯ সালে লিখিত পদ্ধতির পরিবর্তে পূর্বের পদ্ধতি অর্থাৎ মাল্টিপল চয়েজ কোয়েশ্চন (এমসিকিউ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। অবশ্য আগামী (২০২০সাল)বছর থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
 কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীকে বাস থেকে ফেলে গুরুতর আহত

কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীকে বাস থেকে ফেলে গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পুরান ঢাকার ঢাবি অধিভুক্ত কবি নজরুল সরকারি কলেজের ১ম বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে  আজ সকাল ৭টায় নারায়ণগঞ্জ থেকে কলেজে যাওয়ার সময় মঞ্জিল বাসের হেল্পার বাস থেকে ধাক্কা তাকে দিয়ে ফেলে দেয়।
জানা যায় ছেলেটির অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে আছে। তবে বিস্তারিত এখনো জানা যায় নি ।  
এই ঘটনা জানাজানি হলে এবং তার কিছু বন্ধুমহল সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করলে তা  খুব দ্রুতই ভাইরাল হয়ে পড়ে।  
টাংগাইলে  গরীব, অসহায় ও বিদ্যুৎ বিহীন পরিবারের মাঝে সোলার বিতরণ

টাংগাইলে গরীব, অসহায় ও বিদ্যুৎ বিহীন পরিবারের মাঝে সোলার বিতরণ

টাংগাইল প্রতিনিধিঃ  সুমন খানঃ শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এর অংশ হিসাবে আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন এম পির মাধ্যমে আসা সোলার প্যানেল গরীব, অসহায় ও বিদ্যুৎ বিহীন পরিবারের মাঝে বিতরন করেন জনগনের প্রানপ্রিয় নেতা "বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ,টাংগাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক  তোফা খান।
হুগড়া ইউনিয়নের সাধারণ জনগনেরর মাঝে সোলার প্যানেল গুলি বিতরণ করা হয় ।


রোগী আশঙ্কাজনক, ইমার্জেন্সীতে ডাক্তার নেই

রোগী আশঙ্কাজনক, ইমার্জেন্সীতে ডাক্তার নেই

সিলেট প্রতিনিধিঃ  সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক অনিয়ম ধরা পড়েছে।সরেজমিনে ভুক্তভোগী এক যুবক মারাত্মক আহতাবস্থায় ইমার্জেন্সী বিভাগে সেবা নিতে আসেন,তার কান দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল কিন্তু ডাক্তার বা ওয়ার্ডবয় কেউই ছিলনা। 

ছেলেটি রক্তাক্ত ব্যাথায় কাতর অবস্থায় ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি আপলোড করে,এতে হাসপাতালের অনিয়ম ভাইরাল হয়ে যায়।

৩০ মিনিট অসহ্য যন্ত্রনায় কাতড়ানোর পর ডাক্তার ঘুম থেকে উঠে আসলে রোগী জানতে চাইলে উল্টো রোগীকে খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করে।

ভুক্তভোগী বলেন,  কিন্তু এসব অনিয়ম আর কত?
আর কত অনিয়ম হলে মানুষ জাগবে?
প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেবে?

Saturday, July 27, 2019

২২ ঘন্টায় স্কয়ারে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা বিল মৃত ঢাবি ছাত্রের

২২ ঘন্টায় স্কয়ারে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা বিল মৃত ঢাবি ছাত্রের

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  ঢাবি ছাত্র ফিরোজকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ২৫তারিখ রাত ১১.২২ টায়। 
ফিরোজ মারা গেছে ২৬তারিখ রাত ৯.১০ মিনিটে (ডাক্তারের ভাষ্যমতে)। 
২২ ঘন্টার ও কম সময়ে হাসপাতালে বিল হয়েছে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা। 
রক্তের ক্রসম্যাচ দেখানো হয়েছে সেটা হয় ই নি ।ঔষধ বাবদ দেখানো হয়েছে ৩২ হাজার টাকা অথচ ডাক্তার বললো স্যালাইনের কথা ও ঢাকা মেডিকেলের নরমাল কিছু ঔষধের কথা যেটা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা হতে পারে। 
পরীক্ষা না করিয়েই টাকা, বেড ভাড়া দুইদিনের যেখানে হোটেলের মতো চেক আউট সিস্টেম এ্যাপ্লাই করা হয়েছে।
স্কয়ার হাসপাতাল চিকিৎসার নামে বানিজ্য করছে। 
লেখকঃ বাণী ইয়াসমিন হাসি, সাংবাদিক ও সাবেক ছাত্রনেতা 
৫ম শ্রেণির ছাএীকে যৌন হয়রানী, চার মাসের কারাদণ্ড

৫ম শ্রেণির ছাএীকে যৌন হয়রানী, চার মাসের কারাদণ্ড

ফেনী প্রতিনিধি : ২৮-০৯-২০১৯ সোনাগাজীতে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কামাল উদ্দিন (৩৬) নামে এক বখাটে ব্যবসায়ীকে চার মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ এ আদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার আবু বকর ছিদ্দিকের ছেলে ও স্থানীয় তাকিয়া বাজারের ব্যবসায়ী।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী খাতা ও কলম কেনার জন্য তাকিয়া বাজারের ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিনের দোকানে যায়। এসময় কামাল উদ্দিন তাঁকে আচারসহ খাওয়ার জন্য কিছু জিনিস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে গায়ে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে। ছাত্রীটি দোকান থেকে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মা-বাবাকে বলে দেয়। তাৎক্ষনিক তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রতিকার চেয়ে শিক্ষকদেরকে অবহিত করে। শিক্ষকরা বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুলিশের সহায়তায় ব্যবসায়ী কামালকে আটক করেন। পরে আদালতের বিচারক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দোষ স্বীকার করায় আটককৃত কামাল উদ্দিনকে চারমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত বখাটে ব্যবসায়ী কামালকে গতকাল শুক্রবার সকালে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে

অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে He/She এর পরিবর্তে Ze (জি)

অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে He/She এর পরিবর্তে Ze (জি)

সম্পাদকঃ অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে নতুন শব্দ Ze (জি)
উদাহরণঃ Ze is my friend= ও আমার বন্ধু।
লিঙ্গভেদ দূরীকরণ এবং তৃতীয় লিঙ্গকেও শব্দে অন্তর্ভুক্ত করতে Ze একটা যুগান্তকারী প্রচলন হতে যাচ্ছে।
যেমন ধরুন He মানে তিনি (ছেলে অর্থে), She মানেও তিনি (মেয়ে অর্থে) তাহলে হিজড়াদের বেলায় কি বলা হবে?
# Ze এই প্রশ্নের সমাধান। Ze মানে তিনি, হোক তিনি পুরুষ, মহিলা কিংবা হিজড়া।
He/She, His/Her ইত্যাদি শব্দ লিঙ্গবৈষম্য তৈরিতে প্রভাবক হিসাবে কাজ করে এবং He/She এর বাইরে যেসব মানুষ আছে তাদের অবজ্ঞা করা হয়।
Ze হবে এসব লিঙ্গবোধক শব্দের পরিপূরক যাতে কেউই আলাদা পরিচয় পাবেনা এবং হিজড়াদের অধিকারও ক্ষুণ্ণ হবেনা।
খুশির খবর হলো, শীঘ্রই শব্দটি অক্সফোর্ড ডিকশনারি ছাপিয়ে সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে!
.
Practice: I Like zer very much (আমি তাকে খুব পছন্দ করি)
বিষটি এখনো অনেকেই জানেন না।
যেমন অবাক করার মতো তেমনি মজাদার এই টপিকস টি।
হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় রাজধানীর পীরেরবাগ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়,  রাজধানীর পীরেরবাগ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার হৃদি সাদা হিজাব, নীল বোরকা ও সাদা জুতা (ইউনিফর্ম রঙ অনুযায়ী) স্কুলে ঢোকার পর স্কুল এর একজন শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে আঘাত করে এবং তাকে বিভিন্ন রকমের কথা বলে স্কুল থেকে বের করে দেয়। হিজাব বোরকা পরে নাকি স্কুলে যাওয়া যাবেনা। তারপর সানজিদা আক্তার বাসায় এসে ঘটনাটি তাঁর মাকে জানায়। সানজিদার মা প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলতে স্কুলে যায় - কেন তাঁর মেয়েকে বোরকা পড়ার কারণে বের করে দেওয়া হয়েছে! 
কিন্তু প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) কোন কথা ঠিকভাবে না শুনে তাঁর সাথে উগ্র মেজাজে কথা বলে এবং তাঁর সাথে খারাপ ব্যবহার করে, এমনকি তাকে বসতেও বলা হয়না । প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সানজিদার মাকে উক্ত রুমে উপস্থিত থাকা ম্যাডাম এর মাধ্যমে বের করে দেয়া হয়। এরপর হতাশ হয়ে সানজিদার মা বাইরে অনেক্ষণ অপেক্ষা করে আবারও কথা বলার উদ্দেশ্যে কিন্তু অনেক সময় পার হওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়না।
সানজিদার ভাই রাকিবুল হাসান ভার্সিটি পড়ুয়া মায়ের কাছে উক্ত কথা শুনতে পায়। পরে রাকিব তার মা ও বোনসহ প্রধান শিক্ষক এর রুমে যায় কথা বলতে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর ভেতরে ঢুকলে তখন প্রধান শিক্ষক বলে - কি ব্যাপার আপনারা আবার আসছেন কেন? এবং খারাপ ব্যবহার করে কথা বলে তাঁদের সাথে। তখন সেখানে আরো শিক্ষক এবং স্কুলের অফিস কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। বার বার কথা বলার চেষ্টা করলে, আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক বলে - হিজাব ও বোরকা পরে স্কুলে আসা যাবেনা তার কাছে কারণ জানতে চাওয়ায় এবং তার এই খারাপ ব্যবহারগুলো মোবাইল এ ধারণ করা কালে সে তা দেখে ফেলায় এক পর্যায়ে সে রাকিবের মোবাইল ফোনটি নেয়ার জন্যে স্কুল এর কর্মচারী নাসিরকে বলে এবং সানজিদার মা বাঁধা দেয়ায় (জামান) উক্ত স্কুলের কর্মচারী সানজিদার মা এর দিকে রেগে এগিয়ে আসে এবং তাঁর গায়ে হাত তুলতে চায়। এ সময় সেখানে থাকা কিছু শিক্ষক তাকে কোন রকম ধরে রাখে।
রাকিবের হাতে থাকা মোবাইল এ ধারণ করা ভিডিওটি ডিলিট করার জন্যে এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) তার রুম এর দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে সে এবং তার স্কুলের কর্মচারী দু'জন মিলে রাকিবের উপর হামলা করে এবং তার হাতে থাকা কলম ঢুকিয়ে দিয়ে রক্তাক্ত করে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাই সম্পূর্ণ ভিডিও করা সম্ভব হয়না। রাকিবের চিল্লানোর শব্দ শুনতে পেয়ে এলাকার কিছু লোক জড়ো হয়। কোন রকমে আহত অবস্থায় সানজিদাসহ মা ও ভাই সেখান থেকে বের হয়ে আসে।
সেখানে উপস্থিত থাকা কিছু মানুষ এবং নাম না জানা সেই প্রতিষ্ঠান এর তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা বলে - এর আগেও নাকি এ ধরণের ঘটনা এখানে ঘটেছে এবং মামলাও নাকি হয়েছিলো।
এতে ভুক্তভোগীরা এর উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন ।
এদিকে মুহতামিম,বোর্ড বাজার গাজীপুর এর  মুফতী রিজওয়ান রফিকী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে অভিযোগ তুলে ধরে বিচার দাবী করেছেন  ।  
শিশু যৌন নির্যাতনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কোথায় জানেন কি?

শিশু যৌন নির্যাতনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কোথায় জানেন কি?

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতের কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বা রাজ্যসভা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করে আইন পাস করেছে । পাস হওয়া সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনে দোষী সাব্যস্ত হলে কমপক্ষে ২০ বছরের কারাদণ্ড হবে। সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। সেইসঙ্গে বিলে শিশু পর্নোগ্রাফি বন্ধের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। 
Image result for শিশু যৌন নির্যাতনরাজ্যসভায় বিলটির ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে তৃণমূলের সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন জানান, কিশোর বয়সে তিনিও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। কীভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন, রাজ্যসভায় তা-ও শুনিয়েছেন এই তৃণমূল এমপি।
এদিকে, তার ওই সাহসী স্বীকারোক্তির প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।
ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস (সংশোধনী) বিল রাজ্যসভায় পেশ করেন স্মৃতি ইরানিই। তবে রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর বিলটি পাঠানো হবে লোকসভায়।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংশোধিত ওই বিল অনুমোদন করেছিল। 
রাজ্যসভায় পাস হওয়া বিলে ন্যূনতম সাজা ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছর করা হয়েছে।
ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে

ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে

ঢাবি প্রতিনিধিঃ  ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা- ১০০ এর অধিক ছাড়িয়েছে।
নিচে তার একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হলোঃ-
এফএইচ হলের ১০১৭ নাম্বার রুমে ৫জন
এফএইচ হল ১০১৫ নাম্বার রুমে ৫জন
সূর্যসেন হলের ১৭৯(লাদেন গুহা) ৭জন
সূর্যসেন- ২২৬ নাম্বার রুমে -২জন
জসীমউদদিন-৫৩১-২জন
শহীদুল্লাহ হল -১১০২- ৩জন
বঙ্গবন্ধু হল ১১৩ নাম্বার রুম- ৯জন
Image result for ঢাবিজিয়া হল- ৪২২ -১জন
জিয়া হল- ২২৫,২২৬,২২৭- মোট ৬জন
এসএম হল বারান্দা- ৫জন(আরো অনেকেই আক্রান্ত)
একুশে হল ৫০৩(সালাম) -১জন
জহু হল ৬নাম্বার রুম- ৪জন
সূর্যসেন- ২৩০,২৩৪- ২জন
জগন্নাথ- ২৪৯,৪৪৮- ২জন
মুহসীন-৩৫২- ১জন
এফআর -৫২২- ১জন
জসীমউদদীন -১১৩- ১জন
জগন্নাথ-২০০৪- ১জন
জহু হল -১০১৩- ২জন
জিয়া হল -৪২২- ১জন
বঙ্গবন্ধু হল-৪২০- ১জন
বিজয় ৭১হল- পদ্মা-৭০০৩- ১জন, ৬০০৬ -১জন, ৬০১২- ১জন, ২০০৭- ১জন, ৯০০৬-১জন।
যমুনা-৩০১০ -১জন, ৬০০৯-১জন
ফজীলাতুন্নেসা মুজিব হল- ৫২১-১জন
শামসুন নাহার হল রুম নং: ১০০২- ১ জন, রুম নং: ১০০৬- ১ জন
সুফিয়া কামাল হল
805 নাম্বার রুম- rijwana jannat farzana (4th year,management dept. suffering frm 5 days)
804 নাম্বার রুম jui, joti (suffering frm 2 days)
806 নাম্বার রুমের laboni
802 নাম্বার রুমের shanta (suffering frm 3 days)
(পুরো পরিসংখ্যানে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের হলগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশেই কম) 
পুরো পরিসংখ্যানটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এর সবার দেয়া তথ্য থেকে নেয়া । 
পুরো ক্যাম্পাসে ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করেছে ডেঙ্গু জ্বর। 
শিক্ষার্থীরা বলছে প্রশাসনের এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
ফেনীতে আবারও ডাকাতি

ফেনীতে আবারও ডাকাতি

ফেনী প্রতিনিধি : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক কৃষি উপদেষ্টা সিএস করিমের গ্রামের বাড়ি সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দিতে বৃহস্পতিবার রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এসময় ডাকাত দল স্বর্ণালংকারসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন।
ডাকাত দলের হামলায় উপদেষ্টার ভাতিজা নুর মোহাম্মদ আজাদ ওরফে ভিপু চৌধুরী, তার ছোট ভাই নুর হাসনাত ও স্কুল ছাত্র ইসতেহার হোসেন চৌধুরী ফাহিম আহত হয়। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে নুর মোহাম্মদ আজাদ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০জনকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় ডাকাতি মামলা করেছেন।No photo description available.
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি এলাকায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সিএস করিমের গ্রামের বাড়িতে হানা দেয় ২৫-৩০ জন মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাতদল। ডাকাতেরা বাড়ির দরজার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে।
গৃহকর্তা নুর মোহাম্মদ আজাদ দাবি করেন, ডাকাতেরা তাদের ঘরের ৩টি আলমিরার তালা ভেঙ্গে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদে তিন লাখ টাকা, ৫টি মোবাইল ফোন, ২টি চার্জ লাইট ও কাপড় চোপড়সহ দশ লাখ টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নিয়ে গেছে। এসময় বাঁধা দিয়ে চিৎকার করতে চাইলে ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে (নুর মোহাম্মদ আজাদ) ও তার ভাই নুর হাসনাতকে গুরুত্ব আঘাত করে মালামাল নিয়ে চলে যায়। একই সময়ে ডাকাত দল ওই বাড়ির উপদেষ্টার চাচাতো ভাই আবুধাবী প্রবাসী ইফতেখার হোসেন চৌধুরীর ঘরে মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়।
গৃহকর্তা ফুট্ট মিয়া বলেন, ডাকাতদল একই কায়দায় ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমিরার তালা ভেঙে ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদে ২১হাজার টাকা, ২টি মোবাইল ফোনসহ ৫ লাখ টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। এসময় তার নাতি মো. ইসতেহার হোসেন চৌধুরীর পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করেছে। এসময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাতেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাতেই সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন । 

ডেঙ্গুজ্বরে  আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সম্পাদকঃ ২৭-০৭-২০১৯ঃ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে উ কিন(U Khein Nu) নামের এক জাবি শিক্ষার্থী মৃত্যুবরণ করেছেন ।
 তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  প্রিতিলতা হল এর ফার্মাসি বিভাগের ৪৮ তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন  । 
জানা যায়,  উক্ত শিক্ষার্থী ডেংগু লাংস ইনফেকশন এ আক্রান্ত হয়ে  সাভার এনাম মেডিকেলে এডমিট ছিলো। 
তার পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে  নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন  ।  
তাঁর এই মৃত্যুতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বন্ধুমহল সবাই অনেক শোকাহত ।    
উল্ল্যেখ্য বর্তমানে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে দ্রুতই চিকিৎসা নিন । 
সবাই নিজেকে সাবধানে রাখুন । 
নিয়মিত মশারি ব্যবহার করুন ।  

Image may contain: 1 person, outdoor
কেউ ভুলের উর্ধ্বে নয়: ধলিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতারা

কেউ ভুলের উর্ধ্বে নয়: ধলিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতারা

ফেনী প্রতিনিধিঃ ধলিয়ায় ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামীলীগ নেতারা বলেছেন, 
‘আমাদের ভুলে কমিটিতে কোন বিতর্কিত কোন লোক চলে আসলে আমাদের 
জানাবেন। প্রতিবাদ করবেন, খবর নিয়ে সেই কমিটি বাতিল করব। কেউ ভুলের
 উর্ধ্বে নয়, আমাদের নেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী 
মাদক, চাঁদাবাজ, সালিশ বানিজ্য ও বিতর্কিতদের দলে আনা হবে না। 
আপনারা কে কি কর্ম করেছেন ভেবে দেখুন। 
কতটুকু ভালো কাজ করেছেন। 
যারা ভালো করেছেন তারা পদের জন্য প্রাথী হবেন।’
Image may contain: one or more people, people standing and wedding
ডাঙ্গিখাল থেকে বোরকা উদ্ধার নুসরাত এর

ডাঙ্গিখাল থেকে বোরকা উদ্ধার নুসরাত এর

ফেনী প্রতিনিধিঃ ‘আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বোরকা 
জোবায়েরের দেখানো মতে পিবিআই কর্মকর্তারা ডাঙ্গিখাল থেকে উদ্ধার করেন 
বোরকাটি হত্যাকান্ডের সময় জোবায়েরের পরনে ছিলো। 
রাফির গায়ে আগুন দেওয়ার পরপরই বোরকাটি এখানে খুলে রেখে জোবায়ের 
পালিয়ে যায় বলে জানা যায় ।  
ঘটনার সময় নিউজ ইনফো ২৪ এর ফেনী প্রতিনিধি নূরুল ইসলামসহ 
কয়েকজনকে ডেকে এনে জব্দ তালিকায় সাক্ষ্য নেন পিবিআই।’ 
Image may contain: 1 person
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে

সম্পাদকঃগুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে 
 অকাল কুষ্মাণ্ড (অপদার্থ,              অকেজো)অক্কা পাওয়া (মারা যাওয়া)
অগস্ত্য যাত্রা (চির দিনের জন্য প্রস্থান)     অগাধ জলের মাছ (সুচতুর ব্যক্তি)
অর্ধচন্দ্র (গলা ধাক্কা)         অন্ধের যষ্ঠি (একমাত্র অবলম্বন)
অন্ধের নড়ি (একমাত্র অবলম্বন)      অগ্নিশর্মা (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
অগ্নিপরীক্ষা (কঠিন পরীক্ষা)       অগ্নিশর্মা (ক্ষিপ্ত)
Related imageঅগাধ জলের মাছ (খুব চালাক)
অতি চালাকের গলায় দড়ি (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট (লোভে ক্ষতি)
অদৃষ্টের পরিহাস (বিধির বিড়ম্বনা)
অর্ধচন্দ্র দেওয়া (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
অষ্টরম্ভা (ফাঁকি)
অথৈ জলে পড়া (খুব বিপদে পড়া)
অন্ধকারে ঢিল মারা (আন্দাজে কাজ করা)
অমৃতে অরুচি (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
অন্ধকারে ঢিল মারা (আন্দাজে কাজ করা)
অকূল পাথার (ভীষণ বিপদ)
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
অদৃষ্টের পরিহাস (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
অনধিকার চর্চা (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
অরণ্যে রোদন (নিষ্ফল আবেদন)
অহিনকুল সম্বন্ধ (ভীষণ শত্রুতা)
অন্ধকার দেখা (দিশেহারা হয়ে পড়া)
অমাবস্যার চাঁদ (দুর্লভ বস্তু)
আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)
আকাশ পাতাল (প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
আকাশ থেকে পড়া (অপ্রত্যাশিত)
আকাশের চাঁদ (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
আগুন নিয়ে খেলা (ভয়ঙ্কর বিপদ)
আগুনে ঘি ঢালা (রাগ বাড়ানো)
আঙুল ফুলে কলাগাছ (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
আঠার আনা (সমূহ সম্ভাবনা)
আদায় কাঁচকলায় (তিক্ত সম্পর্ক)
আহ্লাদে আটখানা (খুব খুশি)
আক্কেল সেলামি (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
আঙুল ফুলে কলাগাছ (হঠাৎ বড়লোক)
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
আদায় কাঁচকলায় (শত্রুতা)
আদা জল খেয়ে লাগা (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
আক্কেল গুড়ুম (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অপদার্থ)
আকাশ ভেঙে পড়া (ভীষণ বিপদে পড়া)
আমতা আমতা করা (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
আটকপালে (হতভাগ্য)
আঠার মাসের বছর (দীর্ঘসূত্রিতা)
আলালের ঘরের দুলাল (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
আকাশে তোলা (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
আষাঢ়ে গল্প (আজগুবি কেচ্ছা)
ইঁদুর কপালে (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
ইঁচড়ে পাকা (অকালপক্ব)
ইলশে গুঁড়ি (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
ইতর বিশেষ (পার্থক্য)
উত্তম মধ্যম (প্রহার)
উড়নচন্ডী (অমিতব্যয়ী)
উভয় সংকট (দুই দিকেই বিপদ)
উলু বনে মুক্ত ছড়ানো (অপাত্রে/অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
উড়ো চিঠি (বেনামি পত্র)
উড়ে এসে জুড়ে বসা (অনধিকারীর অধিকার)
উজানে কৈ (সহজলভ্য)
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
ঊনপাঁজুড়ে (অপদার্থ)
ঊনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো (একই স্বভাবের)
এক চোখা (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
এলোপাতাড়ি (বিশৃঙ্খলা)
এসপার ওসপার (মীমাংসা)
একাদশে বৃহস্পতি (সৌভাগ্যের বিষয়)
এক বনে দুই বাঘ (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো (একই দলভুক্ত)
এক করতে আর
এলাহি কাণ্ড (বিরাট আয়োজন)
ওজন বুঝে চলা (অবস্থা বুঝে চলা)
ওষুধে ধরা (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
কচুকাটা করা (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
কচু পোড়া (অখাদ্য)
কচ্ছপের কামড় (যা সহজে ছাড়ে না)
কলম পেষা (কেরানিগিরি)
কলুর বলদ (এক টানা খাটুনি)
কথার কথা (গুরুত্বহীন কথা)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কাকতাল (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
কপাল ফেরা (সৌভাগ্য লাভ)
কত ধানে কত চাল (হিসেব করে চলা)
কড়ায় গণ্ডায় (পুরোপুরি)
কান খাড়া করা (মনোযোগী হওয়া)
কানকাটা (নির্লজ্জ)
কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাছা আলগা (অসাবধান)
কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
কাছা ঢিলা (অসাবধান)
কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
কেউ কেটা (সামান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
খয়ের খাঁ (চাটুকার)
খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
গরমা গরম (টাটকা)
গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
গোবর গণেশ (মূর্খ)
গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
চক্ষুদান করা (চুরি করা)
চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
চোখের বালি (চক্ষুশূল)
চোখের পর্দা (লজ্জা)
চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
চোখের চামড়া (লজ্জা)
চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
চোখের মণি (প্রিয়)
চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
চুঁনোপুটি (নগণ্য)
চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
জীবিতপ্রায়
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ)
ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
ডামাডোল (গণ্ডগোল)
ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
ঢিমে তেতালা (মন্থর)
তালকানা (বেতাল হওয়া)
তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
দুকান কাটা (বেহায়া)
দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
নয় ছয় (অপচয়)
নাটের গুরু (মূল নায়ক)
নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
নিমরাজি (প্রায় রাজি)
নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
নথ নাড়া (গর্ব করা)
নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
পটল তোলা (মারা যাওয়া)
পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
পটের বিবি (সুসজ্জিত)
পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
পালের গোদা (দলপতি)
পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
পায়াভারি (অহঙ্কার)
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
ফুলবাবু (বিলাসী)
ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
ভরাডুবি (সর্বনাশ)
ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
মন না মতি (অস্থির মানব মন)
মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
মেনি মুখো (লাজুক)
মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
রাহুর দশা (দুঃসময়)
রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
লাল পানি (মদ)
লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
শিকায় ওঠা (স্থগিত)
শিঙে ফোঁকা (মরা)
শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
শ্রীঘর (কারাগার)
ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
ষোল আনা (পুরোপুরি)
ঘোল কলা (পুরোপুরি)
সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
সাত সতের (নানা রকমের)
সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
হাতটান (চুরির অভ্যাস)
হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
হরিলুট (অপচয়)
হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)