Wednesday, July 31, 2019

এবার ডেঙ্গুতে পুলিশের এসআই কোহিনুরের মৃত্যু

SHARE
বুটেক্স প্রতিনিধিঃ রাজধানীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কোহিনুর আক্তার নীলা মারা গেছেন। মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে কোহিনুরকে (৩৩) প্রথমে রাজারবাগ পুলিশলাইনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়। রাজারবাগ পুলিশলাইনসে সকাল সাড়ে ৯টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এসআই কোহিনুরের সর্বশেষ কর্মস্থল ছিল পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে। মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কোহিনুর সিটি হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) চিকিৎসাধীন ছিলেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত কোহিনুরকে গুরুতর অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু থেকেই তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ক্রমেই তার অবস্থার অবনতি হয়। মঙ্গলবার রাত ২ টার দিকে কোহিনুরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। জানা গেছে, এসআই কোহিনূরের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সূত্রমতে, রাজারবাগ পুলিশলাইনসের ব্যারাক, মিরপুরসহ আশপাশের এলাকার বহু পুলিশ সদস্য ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত পুলিশের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৯৫ পুলিশ সদস্য ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। শনিবার আক্রান্ত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা ছিল ১০১ জন। দেশের ৬২ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৩৩৫ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় ৫৫ জনের বেশি। মঙ্গলবার নতুন করে আরও পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্ত্রী রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ১৬-৩০ বছর বয়সীরা। আগস্টে এ রোগের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় রোগী সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থান সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের ফ্লোর, বারান্দাসহ বিভিন্ন খালি জায়গায় রোগীদের রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শুধু জুলাইয়ের ২৯ দিনে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১৮২ জন। আর জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৩৬৯ জন। এর মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৪ হাজার ৪০৮ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ হাজার ৯৫৩ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।

SHARE

Author: verified_user

https://zikrulsirfarmgate.blogspot.com/

0 comments: