পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টার বন্ধ না রাখার দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব শ্যাডো এডুকেশন বাংলাদেশ (অ্যাসেব)। রোববার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এমন দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমদাদুল হক (ই.হক)।
এসময় সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সোহাগ, পলাশ সরকার, মাহাবুব আরেফিন, শামসেয়ারা খান ডলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে ইমদাদুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের হাত ধরে শিক্ষাখাতে আমরা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে পারলেও বর্তমান দশকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি সমস্যা আমাদের অনেক ভুগিয়েছে, সেটা হলো প্রশ্নফাঁস। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখাও একটি। যদিও প্রশ্ন তৈরি, বিতরণ, সরবরাহ- কোনো প্রক্রিয়ার সাথেই কোচিং সেন্টার জড়িত না।
সংগঠনটি শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে ছায়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসা হোক, যাতে পাবলিক পরীক্ষার সময়েও বন্ধ রাখতে না হয়। এতে বৈষম্য হ্রাস পাবে, শিক্ষার্থীরা ক্ষগ্রিস্ত হবে না এবং মেধাবী তরুণরাও এই সেক্টরে আসতে উৎসাহিত হবে। সেক্ষেত্রে, ছায়াশিক্ষা এন্টারপ্রিনিয়রশিপের অনেক ভালো ক্ষেত্র হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অনেক আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে , শুধু শুধু পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং গুলো বন্ধ রাখা হয়।
সাধারণ অভিভাবকরাও ফ্রিল্যান্স কোচিং খোলা রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন ।

0 comments: