News 24 Express

Saturday, January 11, 2020

দক্ষিণ সিটি কাউন্সিলর প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

দক্ষিণ সিটি কাউন্সিলর প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জহিরুল ইসলাম ভূইয়ার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম।  

ঘুড়ি প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেয়া বর্তমান কাউন্সিলর আনিসুর রহমান তার লোকজন নিয়ে হামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ওই প্রার্থী। শনিবার (১১ জানুয়ারি) দক্ষিণ সিটির ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোড়ানে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কোনো গণসংযোগ করতে যাইনি। আমি ১৫ বছর ধরে শান্তিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান। সেখানে একটা কাজে গিয়েছিলাম। একটা ছেলে এসে আমাকে ডাক দিল। বলল, আনিস ভাই ডাকে। আমি এগিয়ে যেতেই আনিসুর রহমানের নেতৃত্ব তারা আমার ওপর হামলা করে। আনিস নিজে ছিল। এছাড়া পিচ্চি রুবেল, কালা মাহবুব এবং রাকিবসহ কয়েকজনকে চিনতে পেরেছি। তারা আমাকে মারধর করেছে। লাঞ্ছিত করেছে। পরে আমার ছেলের ওপরও হামলা করেছে। তাকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।’ জহিরুল আরও বলেন, ‘ঘটনার পুরো প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করব, থানায় লিখিত অভিযোগ করব। আগামীকাল একটি প্রেস ব্রিফিংও করব।
হামলার বিষয়ে জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও আনিসুর রহমান ফোন ধরেননি। জানতে চাইলে খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, ‘দুপুরে ধাক্কাধাক্কির একটি ঘটনা ঘটেছিল। জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই। এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে লিখিত কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
অভিযুক্ত আনিসুর রহমান ক্ষমতাসীন দলের সমর্থনে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তিনি ওয়ার্ডটির বর্তমান কাউন্সিলর। ঘুড়ি প্রতীকে নির্বাচন করছেন তিনি। 
মন্ত্রীর উপহার খতিয়ে দেখার আহ্বান টিআইবির

মন্ত্রীর উপহার খতিয়ে দেখার আহ্বান টিআইবির


সেতুমন্ত্রীর উপহার ঘড়িতেই সীমাবদ্ধ কিনা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে । 

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, যেভাবেই তিনি উপহারসমূহ পেয়ে থাকুন না কেন ২০১২ সালের জুনে হালনাগাদকৃত তোশাখানা বিধি ১৯৭৪ অনুযায়ী উপহারসমূহ যথাসময়ে তোশাখানায় জমা দেয়া হলো না কেন।  
সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক অবস্থানে থেকে তিনি কি অন্যদের স্থাপিত দৃষ্টান্ত অনুসরণ করলেন, না কি অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করলেন? এরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হওয়া অমূলক না বলে মন্তব্য করেন ড. জামান।  মন্ত্রী বলেছেন যে, ঠিকাদারগণ নির্বাচনের সময় ‘একটা অ্যামাউন্ট’ দিতে চেয়েছিল, যা তিনি গ্রহণ করেননি। তার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকে সেসব ঠিকাদারদের এ ধরনের অনৈতিকতা ও দুর্নীতির চর্চা প্রতিরোধে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে? কাউকে কি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে? না কি কমপক্ষে জনস্বার্থে তাদের তালিকা প্রকাশ করা হবে?’- জানতে চেয়েছে টিআইবি। বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা এবং নিজ দলের নেতাকর্মীসহ কাউকে ছাড় দেয়া হবে না এই অঙ্গীকারের সঙ্গে কি সামঞ্জস্যপূর্ণ বিবেচিত হবে? এসব প্রশ্নের জবাব দেয়ার মতো সৎ সাহসের দৃষ্টান্ত সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা সৃষ্টিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
তিনি বলেন, জমা না দেবার সিদ্ধান্ত যেহেতু তিনি নিয়েছেন সেহেতু সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসরণ করে উপহারপ্রাপ্ত বস্তুর প্রকৃত মূল্য অনুযায়ী অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে কি না? 
এ ধরনের প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর জানার অধিকার জনগণের রয়েছে। 
এসএসসি পরীক্ষার্থী যারা নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে হতাশ

এসএসসি পরীক্ষার্থী যারা নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে হতাশ

যারা নিজেদের অবস্থান নিয়ে হতাশ তাদের কে বলি বাজ পাখী প্রায় ৭০ বছর জীবিত থাকে
কিন্তু ৪০ আসতেই ওকে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হয়! ওই সময় তার শরীরের তিনটি প্রধান অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়ে
১. থাবা (পায়ের নখ) লম্বা ও নরম হয়ে যায়। শিকার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
২. ঠোঁটটা সামনের দিকে মুড়ে যায়। ফলে খাবার খুটে বা ছিড়ে খাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
৩. ডানা ভারী হয়ে যায়। এবং বুকের কাছে আটকে যাওয়ার দরুন উড়ান সীমিত হয়ে যায়।
ফলস্বরুপ শিকার খোজা, ধরা ও খাওয়া তিনটেই ধীরে ধীরে মুশকিল হয়ে পড়ে। ওর কাছে তিনটে পথ খোলা থাকে।
১. আত্নহত্যা
২. শকুনের মত মৃতদেহ খাওয়া
৩. নিজকে পুনরস্থাপিত করা।
তখন ও একটা উচু পাহাড়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে বাসা বাঁধে।
আর শুরু করে নতুন প্রচেষ্টা। সে প্রথমে তার ঠোঁট'টা পাথরে মেরে মেরে ভেঙে ফেলে।
এর থেকে যন্ত্রণা আর হয় না। একইরকম ভাবে নখ গুলো ভেঙে ফেলে আর অপেক্ষা করে নতূন নখ ও ঠোঁট গজানোর।
১৫০ দিনের যন্ত্রণা ও প্রতীক্ষার পর সে সব নতূন করে পায়। পায় আবার সেই লম্বা উড়ান আর ক্ষিপ্রতা।
এরপর সে আরো ৩০ বছর জীবিত থাকে আগের মত শক্তি ও গরিমা নিয়ে।
ঠিক এভাবেই চেষ্টা আর অধ্যবসায় দিয়েই জয়ের মুকুট ছিনিয়ে এনে সফলতাকে ঘরের লক্ষ্মী করে জীবনে সুখ খুজে পাওয়া যায় ।
ইউ ক্যান এন্ড ইউ উইল । 
রীক্ষার দিন সকাল থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যা যা করা উচিত:
১.সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে যার যার প্রার্থনা সেরে নিবা।প্রভুর কাছে প্রাণ ভরে চেয়ে নিবা।
২.তারপর গোসল সেরে নিবা।সকালে হালকা কিছু খাবা।
৩.বাসা থেকে এমন সময় বের হবা যাতে তোমার হলে যাওয়ার পর ৪০-৪৫ মিনিট হাতে থাকে।
৪.অবশ্যই কমফোর্টেবল লাগবে এরকম জামা পড়ে যাবা। লাইন মারতে যাচ্ছ না,জীবনের লাইন ঠিক করতে যাচ্ছ! সো ভাব না মেরে যেটা পড়লে গরম কম লাগবে সেরকম কিছু পড়ে যাবা!
৫.হলে গিয়ে এরকম ভাব দেখানোর দরকার নাই যে তুমি "সবজান্তা শমশের"!!!চুপ করে বসে থাকবা।দরকার হলে পাশের জনের সাথে কুশল বিনিময় করতে পারো।কিন্তু প্রিপারেশন নিয়ে কোন কিছু বলবানা।এতে ডিপ্রেশন এ পড়তে পারো।
৬.পরীক্ষার দিন সকালে পড়ে বিদ্যাসাগর হতে পারবানা।সো এত টেনশন না নিয়ে চিল মুডে থাকার চেষ্টা করবা।
৭.বাসা থেকে বের হওয়ার আগে গুরুজনদের দোয়া নিয়ে যাবা।
৮.পরীক্ষক আসার পর কোনো নেগেটিভ আচরণ করবানা।চুপ করে OMR এর প্রয়োজনীয় সব তথ্য দেখেশুনে পূরন করবা।
৯.সেট কোড খুব সেনসিটিভ। ভালো পরীক্ষা দিয়ে লাভ নেই যদিনা সেট কোড ভরাট করো।সো চেক করবা এটা।
১০.পরীক্ষার শুরুতে কনফিডেন্স কম থাকে।তাই সহজ কোনো সাবজেক্ট দিয়ে শুরু করবা যাতে তোমার কনফিডেন্স লেভেল বাড়ে।
এতে পরের গুলা ভালো হবে।
১১.পরীক্ষায় কমন না পড়লে বিচলিত না হয়ে যা পারো তাই দিয়ে আসো।ইংরেজিতে কোনো রিস্ক নেয়ার দরকার নাই।
১২.পরীক্ষা শেষে উত্তর এর জন্য না ছুটে বাসায় চলে যাও রাতে উত্তর মিলিয়ে নিও।
ধর্ষকের আ্ঙ্গুল কামড় দিয়ে মাংস ছিড়ে নিয়েও রেহাই পায়নি মমতা

ধর্ষকের আ্ঙ্গুল কামড় দিয়ে মাংস ছিড়ে নিয়েও রেহাই পায়নি মমতা


ধর্ষকের বৃদ্ধ আ্ঙ্গুল কামড় দিয়ে মাংস ছিড়ে নিয়েও রেহাই পায়নি মমতা 
ঢাকার ধামরাইয়ে এক নারী শ্রমিককে বাসের মধ্যে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় বাস চালক সোহেলকে আটক ও বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ।
আটক সোহেল পুলিশকে জানিয়েছে, মমতা বাসে উঠার পর থেকেই চালক সোহেলের মাথায় কু-মতলব উঠে। বাসে ওই সময় মমতা একাই ছিল। পরে বাস থামিয়ে বাসের লাইট বন্ধ করে মমতাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে সে। মমতা প্রাণপণে বাঁচার আকুতিও করে। এক পর্যায়ে সোহেলের হাতের বৃদ্ধ আ্ঙ্গুল কামড় দিয়ে মাংস ছিড়ে নেয় মমতা। এর পরও মমতা রেহাই পায়নি নরপিশাচ সোহেলের কাছ থেকে। এরপর চিৎকার দিয়ে বাস থেকে বের হয়ে যায় মমতা। ওই সময় তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সোহেল। পরে তার লাশ টেনে নিয়ে সড়কের পাশের একটি পরিত্যক্ত ভিটার জঙ্গলে রেখে দেয়।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, হত্যার আগে মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে কিনা আপাতত বলা যাবে না। তবে যৌনাঙ্গে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে আলামত পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে গ্রেপ্তারের পর শনিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে চালক সোহেলকে।
লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত মমতা আক্তার (১৯) উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের শাহজাহান খাঁর মেয়ে ও ডাউটিয়া প্রতীক সিরামিক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।
আটক বাসচালক ফিরোজ ওরফে সোহেল (৩০) রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার খালকোলা গ্রামের আমানত খানের ছেলে। সে বালিয়া ইউনিয়নের জেঠাইল গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ের জামাই। তিনি শ্বশুরবাড়িতে থেকে প্রতীক সিরামিক কারখানার শ্রমিকদের ভাড়া করা বাস চালাতেন। ঘটনার সময় বাসে কোনো সহযোগী ছিল না।
নিহত নারীর স্বজন ও পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে ডাউটিয়া এলাকায় প্রতীক সিরামিক কারখানায় প্রায় সাত মাস ধরে শ্রমিকের কাজ করে আসছিলেন মমতা আক্তার। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার মা জুলেখা বেগম কারখানার শ্রমিকদের ভাড়া করা বাসে কালামপুর-মির্জাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের কাঠালিয়া এলাকা থেকে বাসে তুলে দেন মমতাকে।
এরপর আর বাড়ি ফেরেনি মমতা। বাড়ি না আসায় সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করে পায়নি স্বজনরা। পরে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের সহযোগিতায় ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে মমতার বাবা শাহাজাহান খাঁ (জিডি নং ৪০৯)।
এদিকে স্বজনরা রাত সাড়ে এগারটার দিকে মমতার মৃতদেহ দেখতে পান একই সড়কের পাশে হিজলীখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিমে পরিত্যক্ত ভিটার জঙ্গলের মধ্যে। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। ওই রাতেই বাসচালক সোহেলকে তার শ্বশুড়বাড়ির জেঠাইল থেকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আলমগীর হোসেন হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ৭)।

Tuesday, December 31, 2019

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ফেল করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সাহিদা আক্তার (১৪) নামে এক পরীক্ষার্থী। অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামে এক ছাত্রী। 

সাহিদা আক্তার (১৪) নামের পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম জানান, ‘স্কুলছাত্রী সাহিদা জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে।  
এসআই নাজমুল জানান, নিহত স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালে রাখা হয়েছে। 
নিহত শাহিদা ওই এলাকার বাসিন্দা শাহীন হাওলাদারের মেয়ে এবং বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এবার জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। 
অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামের নিহত ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চর মহাদেবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মহিদ শিকদার। মিম এবার চর জৌকুড়া নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। 
রাজবাড়ীর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার মিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর পিতা মহিদ শিকদার জানায়, মিম এবার চর জৌকুগা নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। দুপুর ১টার দিকে পরীক্ষার ফল জানতে পারে সে। অকৃতকার্য হবার খবর শুনে ঘরের মধ্যে শুয়ে ছিল। বিকেলে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ওর মা। তারপর অনেক ডাকাডাকি করে দরজা না খুললে জানালা দিয়ে দেখি সে আত্মহত্যা করেছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও থাকবে পুলিশ নিরাপত্তা 

মঙ্গলবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ও সমবেত হওয়া থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকতে বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না 
তিনি বলেন, নববর্ষ উদযাপনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির যেকোনো ধরনের আশঙ্কা রোধে ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদে এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ, উৎসব করা যাবে না। এছাড়া কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি-পটকা ফোটানো যাবে না।এবারও উন্মুক্ত স্থানে সবধরনের অনুষ্ঠান, নাচ-গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকছে না। এমনকি ঘরোয়াভাবে কেউ কোনো অনুষ্ঠান করতে চাইলেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে। সেখানে পুলিশ নিরাপত্তা বিধান করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর স্টিকার ও পরিচয়পত্র ছাড়া বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে নীলক্ষেত এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর সব বার বন্ধ থাকবে। মাদকসেবনের বৈধতা ছাড়া কাউকে যেন পাঁচ তারকা হোটেলে অ্যালাও না করা হয় সে জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।
তিনি বলেন, এবার মাদক সেবন করে কেউ বেপরোয়া যানবাহন চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ডিএমপি। পাশাপাশি অ্যালকোহল টেস্টের জন্য গুলশান বনানী ও হাতিরঝিলসহ একাধিক এলাকায় কিটসহ পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করবে।
সুষ্ঠু বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি কেন দেবে না ডিএমপি- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই মূলত উন্মুক্ত স্থানে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। কারণ উন্মুক্ত স্থানে নিরাপত্তা বিধান করা একটু কঠিনই। এক্ষেত্রে ইনডোরে অনুষ্ঠানে উৎসাহিত করা হলেও, ইনডোরের ক্ষেত্রেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের ক্ষেত্রে কোনো হুমকি তৈরি করছে কিনা- জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, সুস্পষ্ট হুমকি না থাকলেও উন্মুক্ত স্থানের ক্ষেত্রে তো প্রচ্ছন্ন হুমকি থাকে। সে জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।
ঢাবি ও বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে কিনা- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাবিতে চাইলে পুলিশ যেতে পারে না। তবে সেখানে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে ককটেল বিস্ফোরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য। আর বিএনপি পার্টি অফিসের সামনের সড়কও খুব ব্যস্ততম। অনেক যানবাহন সেখানে চলাচল করে। আমি সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিসিকে নির্দেশনা দিয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিএনপি পার্টি অফিস এলাকা পুরোটা যেন সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়।
এছাড়া গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলি ক্রসিং এবং আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে এ দুটি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের ওইসব এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
এবার রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। 
সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি আতশবাজি, পটকাবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালনাসহ যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।  
 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ২০১৯ সালে মোট ৯৪৫ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। তাঁদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিহত ২৬৯ জন এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৬৭৬ জন নিহত হয়েছেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর এবং ওশির উদ্যোগে মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে।

সেক্টরভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন, ১৫৬ জন শ্রমিক নির্মাণ খাতে প্রাণ হারান, পোশাকশিল্পে নিহত ৪০ জন, কৃষিশ্রমিক নিহত হয়েছেন ৯৮ জন এবং দিনমজুর মারা গেছেন ৪৯ জন। এ ছাড়া ২৩ জন জাহাজভাঙা শিল্পে কর্মরত শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। বাকিরা অন্যান্য বিবিধ সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন।
ওশি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারপারসন এস এম মোরশেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে কর্মস্থলে হতাহতের উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া, অগ্নিকাণ্ড, ভবন বা স্থাপনা থকে পড়ে যাওয়া, বজ্রপাত, বয়লার ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, গৃহশ্রমিকদের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন এবং ধাতব আঘাতের কথা বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিস্থিতি-২০১৯’ শীর্ষক এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (ওশি)।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি-২ হোয়াইক্যং ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসপি) শাহ আলম । 
গুলিবিদ্ধ র‌্যাব সদস্যরা হলেন- কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি সদস্য সৈনিক ইমরান ও কর্পোরাল শাহাব উদ্দিন।
র‌্যাব জানায়, বিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের আস্তানায় অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এতে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের টেকনাফে মেরিন সিটি নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে প্রেরণ করা হচ্ছে।
টেকনাফ মেরিন সিটি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফরহাদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকাল ৫টার দিকে র‌্যাবের গাড়িতে করে গুলিবিদ্ধ দুই ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। তাদের কোমরের পেছনে গুলির আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি অধিনায়ক লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ দিকে ক্যাম্পের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ছাউনি টাওয়ার এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের সময় র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালায়। মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার সলিমকে (৩২) আটকের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পাঁচ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এতে র‌্যাবের দুইজন সদস্য আহত হন।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনায় জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে র‌্যাব অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান এএসপি শাহ আলম।

Monday, December 30, 2019

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আড়িয়ারা গ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মুরছালিন মৃধা (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভূক্তভোগীরা জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৩ বছরের এক শিশুকে খাবারের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে লোহাগড়ার চাচই-ধানাইড় গ্রামের ইটভাটা শ্রমিকদের থাকার কক্ষে মুরছালিন মৃধাসহ চার যুবক মিলে ওই শিশুকে গত ২৪ ডিসেম্বর রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরেরদিন (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে ওই ইটভাটার উত্তরপাশে তালগাছের পাশে ভূক্তভোগী শিশুকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবকেরা। এক পর্যায়ে ওই শিশুটি কিছুটা চেতনা পেয়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারের এক সদস্যকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
পরবর্তীতে শিশুটির বাবা-মা ঘটনাটি জানার পর প্রতিবেশি মুরাদ শেখ গত ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে ধর্ষণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন।
এরপর শিশুটিকে দ্রুত লোহাগড়া থানায় নিতে আসতে বলা হয়।
এ ঘটনায় শিশুর চাচা বাদী হয়ে মুরছালিন মৃধাসহ তার সহযোগী আড়িয়ারা গ্রামের খায়ের শেখের ছেলে নাসির শেখ (২০), জাকারিয়া মোল্যার ছেলে এনামুল মোল্যা (২২) ও আজিম খানের ছেলে রাসেল খানকে (১৯) আসামি করে গত ২৭ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, আসামি মুরছালিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শনিবার ভোরে মামলার ১ নম্বর আসামি মুরছালিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তাকে আড়িয়ারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। মুরছালিন ওই গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে।
এদিন দুপুরেই নড়াইল সদর হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)

রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)


এসএএস স্টিল মিল রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি

ঘটনাটি এসএএস স্টিল মি কোটবাড়ি বিশ্বরোড ছোটন সাহেব নামে এক ব্যক্তির রড ফ্যাক্টরির। 
News24Express এর পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখবেন ও ব্যবস্থা নেবেন। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (আইন) খোন্দকার মোঃ ফজলুর হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের ধারনকৃত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, কারখানার মালিকের অনেক টাকার মালিক এবং ক্ষমতাশীল। অভিযোগ করলেও লাভ হবে না তাই এলাকাবাসী নিশ্চুপ।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন 
https://www.facebook.com/news24expressbd/videos/517453782196483/?modal=admin_todo_tour 
arrow_upward