Tuesday, December 31, 2019

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় দুই ছাত্রীর আত্মহত্যা

বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ফেল করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সাহিদা আক্তার (১৪) নামে এক পরীক্ষার্থী। অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামে এক ছাত্রী। 

সাহিদা আক্তার (১৪) নামের পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম জানান, ‘স্কুলছাত্রী সাহিদা জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে।  
এসআই নাজমুল জানান, নিহত স্কুলছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালে রাখা হয়েছে। 
নিহত শাহিদা ওই এলাকার বাসিন্দা শাহীন হাওলাদারের মেয়ে এবং বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এবার জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। 
অন্যদিকে, রাজবাড়ীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অকৃতকার্য (ফেল) হবার কারণে আত্মহত্যা করেছে মিম আক্তার (১৪) নামের নিহত ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি রাজবাড়ীর সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের চর মহাদেবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মহিদ শিকদার। মিম এবার চর জৌকুড়া নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। 
রাজবাড়ীর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার মিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর পিতা মহিদ শিকদার জানায়, মিম এবার চর জৌকুগা নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। দুপুর ১টার দিকে পরীক্ষার ফল জানতে পারে সে। অকৃতকার্য হবার খবর শুনে ঘরের মধ্যে শুয়ে ছিল। বিকেলে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে ওর মা। তারপর অনেক ডাকাডাকি করে দরজা না খুললে জানালা দিয়ে দেখি সে আত্মহত্যা করেছে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও পুলিশি নিরাপত্তা

থার্টি ফার্স্ট নাইট থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকার নির্দেশ,ঘরোয়া অনুষ্ঠানেও থাকবে পুলিশ নিরাপত্তা 

মঙ্গলবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ও সমবেত হওয়া থেকে নগরবাসীকে বিরত থাকতে বলেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। এছাড়াও রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না 
তিনি বলেন, নববর্ষ উদযাপনকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির যেকোনো ধরনের আশঙ্কা রোধে ঢাকা মহানগরীতে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদে এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ, উৎসব করা যাবে না। এছাড়া কোথাও কোনো ধরনের আতশবাজি-পটকা ফোটানো যাবে না।এবারও উন্মুক্ত স্থানে সবধরনের অনুষ্ঠান, নাচ-গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি থাকছে না। এমনকি ঘরোয়াভাবে কেউ কোনো অনুষ্ঠান করতে চাইলেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে। সেখানে পুলিশ নিরাপত্তা বিধান করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর স্টিকার ও পরিচয়পত্র ছাড়া বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ি নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে নীলক্ষেত এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর সব বার বন্ধ থাকবে। মাদকসেবনের বৈধতা ছাড়া কাউকে যেন পাঁচ তারকা হোটেলে অ্যালাও না করা হয় সে জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।
তিনি বলেন, এবার মাদক সেবন করে কেউ বেপরোয়া যানবাহন চালালে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ডিএমপি। পাশাপাশি অ্যালকোহল টেস্টের জন্য গুলশান বনানী ও হাতিরঝিলসহ একাধিক এলাকায় কিটসহ পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করবে।
সুষ্ঠু বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি কেন দেবে না ডিএমপি- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণেই মূলত উন্মুক্ত স্থানে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। কারণ উন্মুক্ত স্থানে নিরাপত্তা বিধান করা একটু কঠিনই। এক্ষেত্রে ইনডোরে অনুষ্ঠানে উৎসাহিত করা হলেও, ইনডোরের ক্ষেত্রেও পুলিশকে অবহিত করতে হবে।
থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের ক্ষেত্রে কোনো হুমকি তৈরি করছে কিনা- জানতে চাইলে কমিশনার বলেন, সুস্পষ্ট হুমকি না থাকলেও উন্মুক্ত স্থানের ক্ষেত্রে তো প্রচ্ছন্ন হুমকি থাকে। সে জন্য উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।
ঢাবি ও বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি করেছে কিনা- জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাবিতে চাইলে পুলিশ যেতে পারে না। তবে সেখানে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করছে ককটেল বিস্ফোরণে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য। আর বিএনপি পার্টি অফিসের সামনের সড়কও খুব ব্যস্ততম। অনেক যানবাহন সেখানে চলাচল করে। আমি সংশ্লিষ্ট এলাকার ডিসিকে নির্দেশনা দিয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিএনপি পার্টি অফিস এলাকা পুরোটা যেন সিসিটিভির আওতায় নিয়ে আসা হয়।
এছাড়া গুলশান এলাকায় প্রবেশের জন্য কাকলি ক্রসিং এবং আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে এ দুটি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। একইভাবে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না তাদের ওইসব এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।
এবার রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। 
সোমবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি আতশবাজি, পটকাবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালনাসহ যেকোনো ধরনের অশোভন আচরণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।  
 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 দেশে ২০১৯ সালে কর্মস্থলে নিহত ৯৪৫ শ্রমিক, আহত ২৬৬

 পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ২০১৯ সালে মোট ৯৪৫ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ২৬৬ জন। তাঁদের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিহত ২৬৯ জন এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে ৬৭৬ জন নিহত হয়েছেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৫টি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর এবং ওশির উদ্যোগে মাঠপর্যায় থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে।

সেক্টরভিত্তিক তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে পরিবহন খাতে সর্বোচ্চ ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন, ১৫৬ জন শ্রমিক নির্মাণ খাতে প্রাণ হারান, পোশাকশিল্পে নিহত ৪০ জন, কৃষিশ্রমিক নিহত হয়েছেন ৯৮ জন এবং দিনমজুর মারা গেছেন ৪৯ জন। এ ছাড়া ২৩ জন জাহাজভাঙা শিল্পে কর্মরত শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। বাকিরা অন্যান্য বিবিধ সেক্টরে কাজ করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন।
ওশি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারপারসন এস এম মোরশেদ সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে কর্মস্থলে হতাহতের উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া, অগ্নিকাণ্ড, ভবন বা স্থাপনা থকে পড়ে যাওয়া, বজ্রপাত, বয়লার ও সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, গৃহশ্রমিকদের ক্ষেত্রে শারীরিক নির্যাতন এবং ধাতব আঘাতের কথা বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিস্থিতি-২০১৯’ শীর্ষক এ সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ করে বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ অকুপেশনাল সেফটি, হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফাউন্ডেশন (ওশি)।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের গুলিতে র‌্যাবের ২ সদস্য গুলিবিদ্ধ

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের ওপর গুলিবর্ষণে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি-২ হোয়াইক্যং ক্যাম্পের ইনচার্জ (এএসপি) শাহ আলম । 
গুলিবিদ্ধ র‌্যাব সদস্যরা হলেন- কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর সিপিসি সদস্য সৈনিক ইমরান ও কর্পোরাল শাহাব উদ্দিন।
র‌্যাব জানায়, বিকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চিহ্নিত মাদক কারবারিদের আস্তানায় অভিযানে গেলে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এতে দুই র‌্যাব সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের টেকনাফে মেরিন সিটি নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিএমএইচে প্রেরণ করা হচ্ছে।
টেকনাফ মেরিন সিটি হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফরহাদ সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিকাল ৫টার দিকে র‌্যাবের গাড়িতে করে গুলিবিদ্ধ দুই ব্যক্তিকে আনা হয়েছে। তাদের কোমরের পেছনে গুলির আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের কক্সবাজারে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি অধিনায়ক লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ দিকে ক্যাম্পের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ছাউনি টাওয়ার এলাকায় ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয়ের সময় র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালায়। মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার সলিমকে (৩২) আটকের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পাঁচ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এতে র‌্যাবের দুইজন সদস্য আহত হন।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনায় জড়িত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে র‌্যাব অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান এএসপি শাহ আলম।

Monday, December 30, 2019

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ১৩ বছরের শিশুকে ইটভাটার কক্ষে গণধর্ষন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের আড়িয়ারা গ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মুরছালিন মৃধা (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ভূক্তভোগীরা জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৩ বছরের এক শিশুকে খাবারের সাথে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অচেতন করে লোহাগড়ার চাচই-ধানাইড় গ্রামের ইটভাটা শ্রমিকদের থাকার কক্ষে মুরছালিন মৃধাসহ চার যুবক মিলে ওই শিশুকে গত ২৪ ডিসেম্বর রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরেরদিন (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে ওই ইটভাটার উত্তরপাশে তালগাছের পাশে ভূক্তভোগী শিশুকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত যুবকেরা। এক পর্যায়ে ওই শিশুটি কিছুটা চেতনা পেয়ে বাড়ি গিয়ে পরিবারের এক সদস্যকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়।
পরবর্তীতে শিশুটির বাবা-মা ঘটনাটি জানার পর প্রতিবেশি মুরাদ শেখ গত ২৭ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে ধর্ষণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেন।
এরপর শিশুটিকে দ্রুত লোহাগড়া থানায় নিতে আসতে বলা হয়।
এ ঘটনায় শিশুর চাচা বাদী হয়ে মুরছালিন মৃধাসহ তার সহযোগী আড়িয়ারা গ্রামের খায়ের শেখের ছেলে নাসির শেখ (২০), জাকারিয়া মোল্যার ছেলে এনামুল মোল্যা (২২) ও আজিম খানের ছেলে রাসেল খানকে (১৯) আসামি করে গত ২৭ ডিসেম্বর লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, আসামি মুরছালিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
শনিবার ভোরে মামলার ১ নম্বর আসামি মুরছালিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
তাকে আড়িয়ারা গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। মুরছালিন ওই গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে।
এদিন দুপুরেই নড়াইল সদর হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)

রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি (ভিডিও)


এসএএস স্টিল মিল রড ফ্যাক্টরির বিষাক্ত ধোয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকালয় ও আবাদি জমি

ঘটনাটি এসএএস স্টিল মি কোটবাড়ি বিশ্বরোড ছোটন সাহেব নামে এক ব্যক্তির রড ফ্যাক্টরির। 
News24Express এর পক্ষ থেকে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর বিষয়টি দেখবেন ও ব্যবস্থা নেবেন। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (আইন) খোন্দকার মোঃ ফজলুর হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে মুঠোফোনে পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের ধারনকৃত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এবং ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, কারখানার মালিকের অনেক টাকার মালিক এবং ক্ষমতাশীল। অভিযোগ করলেও লাভ হবে না তাই এলাকাবাসী নিশ্চুপ।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন 
https://www.facebook.com/news24expressbd/videos/517453782196483/?modal=admin_todo_tour 
মানব কুকুর এবার রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলে

মানব কুকুর এবার রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলে



প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ কেন কুকুরের মতো চলাফেরা করছে?

সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার জন্ম হয়েছে দেশের রাজধানী হাতিরঝিলে।
এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।
জানা যায়, হিউম্যান ডগ সেজে হাতিরঝিলের রাস্তায় যিনি হাঁটছেন তার নাম টুটুল চৌধুরী। সেঁজুতি নামের এক নারী তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সে সময় তাদের কিছু ছবি তোলা হয়। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
ধারণাটি বাংলাদেশে প্রথম হলেও এটি একটি ‘পারফর্মিং আর্ট’। পশ্চিমা ধারণার এ পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের প্রকাশ্য রাস্তায়। তখন ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এ পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন। এ পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে- কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণিকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয়; তেমনই এখানে মানুষকে প্রাণি চরিত্রে দেখানো হয়।
সম্প্রতি হাতিরঝিলে সেই ‘পারফর্মিং আর্ট’ ফ্রম পোর্টফোলিও অব ডগডনেসের পুনারাবৃত্তি ঘটে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায়। এতে অংশ নেওয়া নারী সেঁজুতি একে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি বলেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী।
সেঁজুতি লেখক ক্লদিয়া স্লানারের লেখাকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, ‘এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।’
অনেকে বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে Taboo’ অনুষ্ঠান দেখলে হিউম্যান ডগ সম্পর্কে অনেকটা ক্লিয়ার হবেন। সেখানকার একটি এপিসোডে ‘হিউম্যান ডগ’ নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি আছে, ইউটিউবে পাবেন। এটি আধুনিক দুনিয়ায় পুরাতন ক্রীতদাস প্রথাও বলা যায়। ইউরোপ-আমেরিকায় এসব দেখা যায়। আপনি মানুষ কিনে তাকে দিয়ে যা ইচ্ছে, তা-ই করাতে পারেন। আধুনিক সভ্যতায় এটাকে ‘সাইকো অসভ্যতা’ও বলা যেতে পারে।’
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এ পারফর্মিং আর্টের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেতিবাচকভাবে। সেখানে বলা হচ্ছে, হাতিরঝিলে দেখা গেল মানব কুকুর কিংবা আমাদের সমাজে ঢুকে গেল পশ্চিমা নিম্ন প্রকৃতির সংস্কৃতি। সেঁজুতি পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘রোগ হইলে যেমন ডাক্তারের কাছে যাওন লাগে কিন্তু তার আগে রোগটা নির্ণয় করতে হয়। এখন পরিচিত রোগের সাথে তো পরিচিত কিন্তু অপরিচিত/অজানা রোগ হইলে কেম্নে বুঝবা? এখন আমি অসুস্থ হইলে সেটা কষ্ট দেয় আগে কাকে! আমার পরিবারকে। আর আমরা অসুস্থ হইলে কাকে কষ্ট দেয়!! সমাজকে। তাই সমাজ সুস্থ করতে হইলে আগে আমাদের সুস্থ থাকতে হবে তাই না? তাই আমরা সুস্থ আছি কিনা অইটা পরীক্ষা করলাম। কাটা দিয়ে কাটা তোলা বুঝে সবাই কিন্তু প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস কেউ মন দিয়ে করে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনরায় ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের পাশে আজ সোমবার পুনরায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ক্যান্টিনের হৃদয় নামে এক কর্মচারী আহত হয়েছেন।
এ নিয়ে এই এলাকায় গত দুই দিনে ৬টি ককটেল বিস্ফোরিত হলো।
বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী।
ককটেল বিস্ফোরণের এসব ঘটনার জন্য তিনি কিছু ‘ভুঁইফোড়’ সংগঠনকে দায়ী করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মধুর ক্যানটিনের সামনে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ককটেলের স্প্লিন্টারের আঘাতে ক্যান্টিনের কর্মচারী হৃদয় আহত হন।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, সে ব্যাপারে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
গতকাল রোববার সকালে মধুর ক্যান্টিনের সামনে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার দিকে বিস্ফোরিত হয় আরও একটি ককটেল।
গত বৃহস্পতিবার মধুর ক্যানটিনের সামনে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার হয়। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেদিন ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট৷
প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা বলছেন, মধুর ক্যান্টিনের পার্শ্ববর্তী কলাভবনের ছাদ থেকে ককটেলটি ছোড়া হয়ে থাকতে পারে। কারণ, আশপাশ থেকে ককটেল ছোড়া হলে কেউ না কেউ দুর্বৃত্তদের দেখতে পেতেন৷ কিন্তু এমন কোনো প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায়নি, যিনি কাউকে ককটেল ছুড়তে বা পালিয়ে যেতে দেখেছেন।
আজ সকালে বিস্ফোরণের ঘটনার পরই মধুর ক্যান্টিন এলাকায় যান প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানী। একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভুঁইফোড় কিছু সংগঠন, যাদের আদর্শ নেই কিন্তু উদ্দেশ্য আছে, তারাই এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে৷’
ভুঁইফোড় সংগঠন বলতে কাদের বোঝানো হচ্ছে—জানতে চাইলে এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘বিবদমান কিছু সংগঠন যারা শিক্ষার ধারাকে নষ্ট করতে চায়। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে চায়।
তিনি আরো বলেন, এ ধরনের অপপ্রয়াসকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।
বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র

বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র


বাড়ি থেকে তুলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করলো আজিজুল হক কলেজের এক ছাত্র 

প্রেমে সাড়া না পেয়ে বগুড়ার ধুনটে সোনাহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করেছে সাব্বির হোসেন (২০) নামে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার এক ছাত্র।
সাব্বির হোসেন উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের শিয়ালী গ্রামের মোস্তাফিজার রহমান মন্ডলের ছেলে এবং বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর শারিরিক পরীক্ষার জন্য ধুনট থানা থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একই সঙ্গে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রদীপ কুমার বর্মন বলেন, স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি সাব্বির হোসেনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
জানা যায়, ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা একজন প্রান্তিক কৃষক। তার প্রতিবেশি কলেজছাত্র সাব্বির হোসেনে। মেয়েটি স্থানীয় সোনাহাটা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। প্রায় এক বছর আগে থেকে মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় সাব্বির। কিন্তু সাব্বিরের প্রেম প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি স্কুলছাত্রী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাব্বির মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করে।
এ অবস্থায় শনিবার রাত ১০টার দিকে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে একাই ঘর থেকে বের হয়। এ সময় মেয়েটিকে কৌশলে নিজের পড়ার ঘরে তুলে নিয়ে আটক রেখে ধর্ষণ করে সাব্বির হোসেন। সেখান থেকে ছাড়া পেয়ে সম্ভ্রম হারানো মেয়েটি এ বিষয়টি তার মা-বাবা জানায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদি হয়ে সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে রবিবার রাতে ধুনট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।
তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

Monday, November 18, 2019

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের নায়ক শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  রাজউকের নকশা না মেনে অবৈধভাবে বর্ধিত অংশ নির্মাণ করা হয়েছে শাকিব খানের গুলশান নিকেতনের বাড়িটি এই অভিযোগে শাকিব খানকে এ জরিমানা করেন রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফ হোসেন। 
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘টি-১০’ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাঙা ভাঙা ইংরেজি বলে তুমুল সমালোচিত হয়েছেন শাকিব খান। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আজ জরিমানার কবলে পড়লেন তিনি।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) রাজউকের এ ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালিত হয়। রাজউকের অভিযানকালে শাকিব খানের ভগ্নিপতি ও বাড়িটির কেয়ারটেকার ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন । ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে বাড়িটির কাগজপত্র দেখতে এলে সেখানে অসংলগ্নতা ধরা পড়ে। ঘটনাস্থলেই শাকিব খানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন (অনাদায়ে এক বছরের জেল) ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শাকিব খানকে জরিমানার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন রাজউকের জোন (৪) অথরাইজ অফিসার মোহাম্মদ হোসেন। তিনি জানান, সকাল থেকেই নিকেতন এলাকায় রাজউকের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাচ্ছে। অভিযানের সময় শাকিব খানের বাড়িটি নকশা না মেনে নির্মিত হওয়ায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
উল্লেখ্য যে, কিছুদিন আগে সময়মতো সিনেমার কাজ শেষ না করায় শাকিব খানের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছিলো চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া।