Saturday, July 27, 2019

৫ম শ্রেণির ছাএীকে যৌন হয়রানী, চার মাসের কারাদণ্ড

৫ম শ্রেণির ছাএীকে যৌন হয়রানী, চার মাসের কারাদণ্ড

ফেনী প্রতিনিধি : ২৮-০৯-২০১৯ সোনাগাজীতে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে কামাল উদ্দিন (৩৬) নামে এক বখাটে ব্যবসায়ীকে চার মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ এ আদেশ প্রদান করেন। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার আবু বকর ছিদ্দিকের ছেলে ও স্থানীয় তাকিয়া বাজারের ব্যবসায়ী।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী খাতা ও কলম কেনার জন্য তাকিয়া বাজারের ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিনের দোকানে যায়। এসময় কামাল উদ্দিন তাঁকে আচারসহ খাওয়ার জন্য কিছু জিনিস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দোকানের ভেতরে ডেকে নিয়ে গায়ে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে। ছাত্রীটি দোকান থেকে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার মা-বাবাকে বলে দেয়। তাৎক্ষনিক তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রতিকার চেয়ে শিক্ষকদেরকে অবহিত করে। শিক্ষকরা বিষয়টি সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল পারভেজ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুলিশের সহায়তায় ব্যবসায়ী কামালকে আটক করেন। পরে আদালতের বিচারক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দোষ স্বীকার করায় আটককৃত কামাল উদ্দিনকে চারমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, দন্ডপ্রাপ্ত বখাটে ব্যবসায়ী কামালকে গতকাল শুক্রবার সকালে ফেনীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে

অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে He/She এর পরিবর্তে Ze (জি)

অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে He/She এর পরিবর্তে Ze (জি)

সম্পাদকঃ অক্সফোর্ডে চালু হয়েছে নতুন শব্দ Ze (জি)
উদাহরণঃ Ze is my friend= ও আমার বন্ধু।
লিঙ্গভেদ দূরীকরণ এবং তৃতীয় লিঙ্গকেও শব্দে অন্তর্ভুক্ত করতে Ze একটা যুগান্তকারী প্রচলন হতে যাচ্ছে।
যেমন ধরুন He মানে তিনি (ছেলে অর্থে), She মানেও তিনি (মেয়ে অর্থে) তাহলে হিজড়াদের বেলায় কি বলা হবে?
# Ze এই প্রশ্নের সমাধান। Ze মানে তিনি, হোক তিনি পুরুষ, মহিলা কিংবা হিজড়া।
He/She, His/Her ইত্যাদি শব্দ লিঙ্গবৈষম্য তৈরিতে প্রভাবক হিসাবে কাজ করে এবং He/She এর বাইরে যেসব মানুষ আছে তাদের অবজ্ঞা করা হয়।
Ze হবে এসব লিঙ্গবোধক শব্দের পরিপূরক যাতে কেউই আলাদা পরিচয় পাবেনা এবং হিজড়াদের অধিকারও ক্ষুণ্ণ হবেনা।
খুশির খবর হলো, শীঘ্রই শব্দটি অক্সফোর্ড ডিকশনারি ছাপিয়ে সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে!
.
Practice: I Like zer very much (আমি তাকে খুব পছন্দ করি)
বিষটি এখনো অনেকেই জানেন না।
যেমন অবাক করার মতো তেমনি মজাদার এই টপিকস টি।
হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হিজাব বোরকা পরে স্কুলে যাওয়ায় রাজধানীর পীরেরবাগ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়,  রাজধানীর পীরেরবাগ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার হৃদি সাদা হিজাব, নীল বোরকা ও সাদা জুতা (ইউনিফর্ম রঙ অনুযায়ী) স্কুলে ঢোকার পর স্কুল এর একজন শিক্ষক তাকে বেত দিয়ে আঘাত করে এবং তাকে বিভিন্ন রকমের কথা বলে স্কুল থেকে বের করে দেয়। হিজাব বোরকা পরে নাকি স্কুলে যাওয়া যাবেনা। তারপর সানজিদা আক্তার বাসায় এসে ঘটনাটি তাঁর মাকে জানায়। সানজিদার মা প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলতে স্কুলে যায় - কেন তাঁর মেয়েকে বোরকা পড়ার কারণে বের করে দেওয়া হয়েছে! 
কিন্তু প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) কোন কথা ঠিকভাবে না শুনে তাঁর সাথে উগ্র মেজাজে কথা বলে এবং তাঁর সাথে খারাপ ব্যবহার করে, এমনকি তাকে বসতেও বলা হয়না । প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সানজিদার মাকে উক্ত রুমে উপস্থিত থাকা ম্যাডাম এর মাধ্যমে বের করে দেয়া হয়। এরপর হতাশ হয়ে সানজিদার মা বাইরে অনেক্ষণ অপেক্ষা করে আবারও কথা বলার উদ্দেশ্যে কিন্তু অনেক সময় পার হওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) এর সাথে কথা বলা সম্ভব হয়না।
সানজিদার ভাই রাকিবুল হাসান ভার্সিটি পড়ুয়া মায়ের কাছে উক্ত কথা শুনতে পায়। পরে রাকিব তার মা ও বোনসহ প্রধান শিক্ষক এর রুমে যায় কথা বলতে, অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর ভেতরে ঢুকলে তখন প্রধান শিক্ষক বলে - কি ব্যাপার আপনারা আবার আসছেন কেন? এবং খারাপ ব্যবহার করে কথা বলে তাঁদের সাথে। তখন সেখানে আরো শিক্ষক এবং স্কুলের অফিস কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। বার বার কথা বলার চেষ্টা করলে, আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক বলে - হিজাব ও বোরকা পরে স্কুলে আসা যাবেনা তার কাছে কারণ জানতে চাওয়ায় এবং তার এই খারাপ ব্যবহারগুলো মোবাইল এ ধারণ করা কালে সে তা দেখে ফেলায় এক পর্যায়ে সে রাকিবের মোবাইল ফোনটি নেয়ার জন্যে স্কুল এর কর্মচারী নাসিরকে বলে এবং সানজিদার মা বাঁধা দেয়ায় (জামান) উক্ত স্কুলের কর্মচারী সানজিদার মা এর দিকে রেগে এগিয়ে আসে এবং তাঁর গায়ে হাত তুলতে চায়। এ সময় সেখানে থাকা কিছু শিক্ষক তাকে কোন রকম ধরে রাখে।
রাকিবের হাতে থাকা মোবাইল এ ধারণ করা ভিডিওটি ডিলিট করার জন্যে এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক (রমেশ কান্তি ঘোষ) তার রুম এর দরজা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় এবং দরজা বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে সে এবং তার স্কুলের কর্মচারী দু'জন মিলে রাকিবের উপর হামলা করে এবং তার হাতে থাকা কলম ঢুকিয়ে দিয়ে রক্তাক্ত করে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাই সম্পূর্ণ ভিডিও করা সম্ভব হয়না। রাকিবের চিল্লানোর শব্দ শুনতে পেয়ে এলাকার কিছু লোক জড়ো হয়। কোন রকমে আহত অবস্থায় সানজিদাসহ মা ও ভাই সেখান থেকে বের হয়ে আসে।
সেখানে উপস্থিত থাকা কিছু মানুষ এবং নাম না জানা সেই প্রতিষ্ঠান এর তৃতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা বলে - এর আগেও নাকি এ ধরণের ঘটনা এখানে ঘটেছে এবং মামলাও নাকি হয়েছিলো।
এতে ভুক্তভোগীরা এর উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন ।
এদিকে মুহতামিম,বোর্ড বাজার গাজীপুর এর  মুফতী রিজওয়ান রফিকী তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে অভিযোগ তুলে ধরে বিচার দাবী করেছেন  ।  
শিশু যৌন নির্যাতনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কোথায় জানেন কি?

শিশু যৌন নির্যাতনের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কোথায় জানেন কি?

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতের কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বা রাজ্যসভা শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনের কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করে আইন পাস করেছে । পাস হওয়া সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতনে দোষী সাব্যস্ত হলে কমপক্ষে ২০ বছরের কারাদণ্ড হবে। সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড। সেইসঙ্গে বিলে শিশু পর্নোগ্রাফি বন্ধের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। 
Image result for শিশু যৌন নির্যাতনরাজ্যসভায় বিলটির ওপর বিতর্কে অংশ নিয়ে তৃণমূলের সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন জানান, কিশোর বয়সে তিনিও যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। কীভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন, রাজ্যসভায় তা-ও শুনিয়েছেন এই তৃণমূল এমপি।
এদিকে, তার ওই সাহসী স্বীকারোক্তির প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।
ভারতীয় গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস (সংশোধনী) বিল রাজ্যসভায় পেশ করেন স্মৃতি ইরানিই। তবে রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর বিলটি পাঠানো হবে লোকসভায়।
উল্লেখ্য, চলতি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সংশোধিত ওই বিল অনুমোদন করেছিল। 
রাজ্যসভায় পাস হওয়া বিলে ন্যূনতম সাজা ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছর করা হয়েছে।
ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে

ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়েছে

ঢাবি প্রতিনিধিঃ  ঢাবির বিভিন্ন হলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা- ১০০ এর অধিক ছাড়িয়েছে।
নিচে তার একটি পরিসংখ্যান দেওয়া হলোঃ-
এফএইচ হলের ১০১৭ নাম্বার রুমে ৫জন
এফএইচ হল ১০১৫ নাম্বার রুমে ৫জন
সূর্যসেন হলের ১৭৯(লাদেন গুহা) ৭জন
সূর্যসেন- ২২৬ নাম্বার রুমে -২জন
জসীমউদদিন-৫৩১-২জন
শহীদুল্লাহ হল -১১০২- ৩জন
বঙ্গবন্ধু হল ১১৩ নাম্বার রুম- ৯জন
Image result for ঢাবিজিয়া হল- ৪২২ -১জন
জিয়া হল- ২২৫,২২৬,২২৭- মোট ৬জন
এসএম হল বারান্দা- ৫জন(আরো অনেকেই আক্রান্ত)
একুশে হল ৫০৩(সালাম) -১জন
জহু হল ৬নাম্বার রুম- ৪জন
সূর্যসেন- ২৩০,২৩৪- ২জন
জগন্নাথ- ২৪৯,৪৪৮- ২জন
মুহসীন-৩৫২- ১জন
এফআর -৫২২- ১জন
জসীমউদদীন -১১৩- ১জন
জগন্নাথ-২০০৪- ১জন
জহু হল -১০১৩- ২জন
জিয়া হল -৪২২- ১জন
বঙ্গবন্ধু হল-৪২০- ১জন
বিজয় ৭১হল- পদ্মা-৭০০৩- ১জন, ৬০০৬ -১জন, ৬০১২- ১জন, ২০০৭- ১জন, ৯০০৬-১জন।
যমুনা-৩০১০ -১জন, ৬০০৯-১জন
ফজীলাতুন্নেসা মুজিব হল- ৫২১-১জন
শামসুন নাহার হল রুম নং: ১০০২- ১ জন, রুম নং: ১০০৬- ১ জন
সুফিয়া কামাল হল
805 নাম্বার রুম- rijwana jannat farzana (4th year,management dept. suffering frm 5 days)
804 নাম্বার রুম jui, joti (suffering frm 2 days)
806 নাম্বার রুমের laboni
802 নাম্বার রুমের shanta (suffering frm 3 days)
(পুরো পরিসংখ্যানে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের হলগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশেই কম) 
পুরো পরিসংখ্যানটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এর সবার দেয়া তথ্য থেকে নেয়া । 
পুরো ক্যাম্পাসে ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করেছে ডেঙ্গু জ্বর। 
শিক্ষার্থীরা বলছে প্রশাসনের এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
ফেনীতে আবারও ডাকাতি

ফেনীতে আবারও ডাকাতি

ফেনী প্রতিনিধি : তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক কৃষি উপদেষ্টা সিএস করিমের গ্রামের বাড়ি সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দিতে বৃহস্পতিবার রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। এসময় ডাকাত দল স্বর্ণালংকারসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। তাদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন।
ডাকাত দলের হামলায় উপদেষ্টার ভাতিজা নুর মোহাম্মদ আজাদ ওরফে ভিপু চৌধুরী, তার ছোট ভাই নুর হাসনাত ও স্কুল ছাত্র ইসতেহার হোসেন চৌধুরী ফাহিম আহত হয়। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেলে নুর মোহাম্মদ আজাদ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০জনকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় ডাকাতি মামলা করেছেন।No photo description available.
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি এলাকায় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সিএস করিমের গ্রামের বাড়িতে হানা দেয় ২৫-৩০ জন মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাতদল। ডাকাতেরা বাড়ির দরজার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে ফেলে।
গৃহকর্তা নুর মোহাম্মদ আজাদ দাবি করেন, ডাকাতেরা তাদের ঘরের ৩টি আলমিরার তালা ভেঙ্গে ৮ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদে তিন লাখ টাকা, ৫টি মোবাইল ফোন, ২টি চার্জ লাইট ও কাপড় চোপড়সহ দশ লাখ টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র লুটে নিয়ে গেছে। এসময় বাঁধা দিয়ে চিৎকার করতে চাইলে ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে (নুর মোহাম্মদ আজাদ) ও তার ভাই নুর হাসনাতকে গুরুত্ব আঘাত করে মালামাল নিয়ে চলে যায়। একই সময়ে ডাকাত দল ওই বাড়ির উপদেষ্টার চাচাতো ভাই আবুধাবী প্রবাসী ইফতেখার হোসেন চৌধুরীর ঘরে মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়।
গৃহকর্তা ফুট্ট মিয়া বলেন, ডাকাতদল একই কায়দায় ঘরে ঢুকে পরিবারের সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমিরার তালা ভেঙে ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদে ২১হাজার টাকা, ২টি মোবাইল ফোনসহ ৫ লাখ টাকার মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। এসময় তার নাতি মো. ইসতেহার হোসেন চৌধুরীর পায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করেছে। এসময় পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাতেরা দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাতেই সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন । 

ডেঙ্গুজ্বরে  আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সম্পাদকঃ ২৭-০৭-২০১৯ঃ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে উ কিন(U Khein Nu) নামের এক জাবি শিক্ষার্থী মৃত্যুবরণ করেছেন ।
 তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  প্রিতিলতা হল এর ফার্মাসি বিভাগের ৪৮ তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন  । 
জানা যায়,  উক্ত শিক্ষার্থী ডেংগু লাংস ইনফেকশন এ আক্রান্ত হয়ে  সাভার এনাম মেডিকেলে এডমিট ছিলো। 
তার পরিবারের লোকজন তাকে বাড়িতে  নিয়ে যাওয়ার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন  ।  
তাঁর এই মৃত্যুতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বন্ধুমহল সবাই অনেক শোকাহত ।    
উল্ল্যেখ্য বর্তমানে কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে দ্রুতই চিকিৎসা নিন । 
সবাই নিজেকে সাবধানে রাখুন । 
নিয়মিত মশারি ব্যবহার করুন ।  

Image may contain: 1 person, outdoor
কেউ ভুলের উর্ধ্বে নয়: ধলিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতারা

কেউ ভুলের উর্ধ্বে নয়: ধলিয়ায় আওয়ামীলীগ নেতারা

ফেনী প্রতিনিধিঃ ধলিয়ায় ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামীলীগ নেতারা বলেছেন, 
‘আমাদের ভুলে কমিটিতে কোন বিতর্কিত কোন লোক চলে আসলে আমাদের 
জানাবেন। প্রতিবাদ করবেন, খবর নিয়ে সেই কমিটি বাতিল করব। কেউ ভুলের
 উর্ধ্বে নয়, আমাদের নেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী 
মাদক, চাঁদাবাজ, সালিশ বানিজ্য ও বিতর্কিতদের দলে আনা হবে না। 
আপনারা কে কি কর্ম করেছেন ভেবে দেখুন। 
কতটুকু ভালো কাজ করেছেন। 
যারা ভালো করেছেন তারা পদের জন্য প্রাথী হবেন।’
Image may contain: one or more people, people standing and wedding
ডাঙ্গিখাল থেকে বোরকা উদ্ধার নুসরাত এর

ডাঙ্গিখাল থেকে বোরকা উদ্ধার নুসরাত এর

ফেনী প্রতিনিধিঃ ‘আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বোরকা 
জোবায়েরের দেখানো মতে পিবিআই কর্মকর্তারা ডাঙ্গিখাল থেকে উদ্ধার করেন 
বোরকাটি হত্যাকান্ডের সময় জোবায়েরের পরনে ছিলো। 
রাফির গায়ে আগুন দেওয়ার পরপরই বোরকাটি এখানে খুলে রেখে জোবায়ের 
পালিয়ে যায় বলে জানা যায় ।  
ঘটনার সময় নিউজ ইনফো ২৪ এর ফেনী প্রতিনিধি নূরুল ইসলামসহ 
কয়েকজনকে ডেকে এনে জব্দ তালিকায় সাক্ষ্য নেন পিবিআই।’ 
Image may contain: 1 person
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে

সম্পাদকঃগুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন যেগুলো সারাজীবন কাজে আসবে 
 অকাল কুষ্মাণ্ড (অপদার্থ,              অকেজো)অক্কা পাওয়া (মারা যাওয়া)
অগস্ত্য যাত্রা (চির দিনের জন্য প্রস্থান)     অগাধ জলের মাছ (সুচতুর ব্যক্তি)
অর্ধচন্দ্র (গলা ধাক্কা)         অন্ধের যষ্ঠি (একমাত্র অবলম্বন)
অন্ধের নড়ি (একমাত্র অবলম্বন)      অগ্নিশর্মা (নিরতিশয় ক্রুদ্ধ)
অগ্নিপরীক্ষা (কঠিন পরীক্ষা)       অগ্নিশর্মা (ক্ষিপ্ত)
Related imageঅগাধ জলের মাছ (খুব চালাক)
অতি চালাকের গলায় দড়ি (বেশি চাতুর্যর পরিণাম)
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট (লোভে ক্ষতি)
অদৃষ্টের পরিহাস (বিধির বিড়ম্বনা)
অর্ধচন্দ্র দেওয়া (গলা ধাক্কা দিয়ে দেয়া)
অষ্টরম্ভা (ফাঁকি)
অথৈ জলে পড়া (খুব বিপদে পড়া)
অন্ধকারে ঢিল মারা (আন্দাজে কাজ করা)
অমৃতে অরুচি (দামি জিনিসের প্রতি বিতৃষ্ণা)
অন্ধকারে ঢিল মারা (আন্দাজে কাজ করা)
অকূল পাথার (ভীষণ বিপদ)
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা (অনুরোধে দুরূহ কাজ সম্পন্ন করতে সম্মতি দেয়া)
অদৃষ্টের পরিহাস (ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা)
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী (সামান্য বিদ্যার অহংকার)
অনধিকার চর্চা (সীমার বাইরে পদক্ষেপ)
অরণ্যে রোদন (নিষ্ফল আবেদন)
অহিনকুল সম্বন্ধ (ভীষণ শত্রুতা)
অন্ধকার দেখা (দিশেহারা হয়ে পড়া)
অমাবস্যার চাঁদ (দুর্লভ বস্তু)
আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)
আকাশ পাতাল (প্রভেদ) (প্রচুর ব্যবধান)
আকাশ থেকে পড়া (অপ্রত্যাশিত)
আকাশের চাঁদ (আকাঙ্ক্ষিত বস্তু)
আগুন নিয়ে খেলা (ভয়ঙ্কর বিপদ)
আগুনে ঘি ঢালা (রাগ বাড়ানো)
আঙুল ফুলে কলাগাছ (অপ্রত্যাশিত ধনলাভ)
আঠার আনা (সমূহ সম্ভাবনা)
আদায় কাঁচকলায় (তিক্ত সম্পর্ক)
আহ্লাদে আটখানা (খুব খুশি)
আক্কেল সেলামি (নির্বুদ্ধিতার দণ্ড)
আঙুল ফুলে কলাগাছ (হঠাৎ বড়লোক)
আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া (দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি)
আদায় কাঁচকলায় (শত্রুতা)
আদা জল খেয়ে লাগা (প্রাণপণ চেষ্টা করা)
আক্কেল গুড়ুম (হতবুদ্ধি, স্তম্ভিত)
আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অপদার্থ)
আকাশ ভেঙে পড়া (ভীষণ বিপদে পড়া)
আমতা আমতা করা (ইতস্তত করা, দ্বিধা করা)
আটকপালে (হতভাগ্য)
আঠার মাসের বছর (দীর্ঘসূত্রিতা)
আলালের ঘরের দুলাল (অতি আদরে নষ্ট পুত্র)
আকাশে তোলা (অতিরিক্ত প্রশংসা করা)
আষাঢ়ে গল্প (আজগুবি কেচ্ছা)
ইঁদুর কপালে (নিতান্ত মন্দভাগ্য)
ইঁচড়ে পাকা (অকালপক্ব)
ইলশে গুঁড়ি (গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি)
ইতর বিশেষ (পার্থক্য)
উত্তম মধ্যম (প্রহার)
উড়নচন্ডী (অমিতব্যয়ী)
উভয় সংকট (দুই দিকেই বিপদ)
উলু বনে মুক্ত ছড়ানো (অপাত্রে/অস্থানে মূল্যবান দ্রব্য প্রদান)
উড়ো চিঠি (বেনামি পত্র)
উড়ে এসে জুড়ে বসা (অনধিকারীর অধিকার)
উজানে কৈ (সহজলভ্য)
উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে (একের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো)
ঊনপাঁজুড়ে (অপদার্থ)
ঊনপঞ্চাশ বায়ু (পাগলামি)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো (একই স্বভাবের)
এক চোখা (পক্ষপাতিত্ব, পক্ষপাতদুষ্ট)
এক মাঘে শীত যায় না (বিপদ এক বারই আসে না, বার বার আসে)
এলোপাতাড়ি (বিশৃঙ্খলা)
এসপার ওসপার (মীমাংসা)
একাদশে বৃহস্পতি (সৌভাগ্যের বিষয়)
এক বনে দুই বাঘ (প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী)
এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো (একই দলভুক্ত)
এক করতে আর
এলাহি কাণ্ড (বিরাট আয়োজন)
ওজন বুঝে চলা (অবস্থা বুঝে চলা)
ওষুধে ধরা (প্রার্থিত ফল পাওয়া)
কচুকাটা করা (নির্মমভাবে ধ্বংস করা)
কচু পোড়া (অখাদ্য)
কচ্ছপের কামড় (যা সহজে ছাড়ে না)
কলম পেষা (কেরানিগিরি)
কলুর বলদ (এক টানা খাটুনি)
কথার কথা (গুরুত্বহীন কথা)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কাকতাল (আকস্মিক/দৈব যোগাযোগজাত ঘটনা)
কপাল ফেরা (সৌভাগ্য লাভ)
কত ধানে কত চাল (হিসেব করে চলা)
কড়ায় গণ্ডায় (পুরোপুরি)
কান খাড়া করা (মনোযোগী হওয়া)
কানকাটা (নির্লজ্জ)
কান ভাঙানো (কুপরামর্শ দান)
কান ভারি করা (কুপরামর্শ দান)
কাপুড়ে বাবু (বাহ্যিক সাজ)
কেউ কেটা (গণ্যমান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কেঁচো খুড়তে সাপ (বিপদজনক পরিস্থিতি)
কই মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
কুঁড়ের বাদশা (খুব অলস)
কাক ভূষণ্ডী (দীর্ঘজীবী)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাছা আলগা (অসাবধান)
কাঁচা পয়সা (নগদ উপার্জন)
কাঁঠালের আমসত্ত্ব (অসম্ভব বস্তু)
কূপমণ্ডুক (সীমাবদ্ধ জ্ঞান সম্পন্ন, ঘরকুনো)
কেতা দুরস্ত (পরিপাটি)
কাঠের পুতুল (নির্জীব, অসার)
কথায় চিঁড়ে ভেজা (ফাঁকা বুলিতে কার্যসাধন)
কান পাতলা (সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ)
কাছা ঢিলা (অসাবধান)
কুল কাঠের আগুন (তীব্র জ্বালা)
কেঁচো খুড়তে সাপ (সামান্য থেকে অসামান্য পরিস্থিতি)
কেউ কেটা (সামান্য)
কেঁচে গণ্ডুষ (পুনরায় আরম্ভ)
কৈ মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে না)
খয়ের খাঁ (চাটুকার)
খণ্ড প্রলয় (ভীষণ ব্যাপার)
খাল কেটে কুমির আনা (বিপদ ডেকে আনা)
গড্ডলিকা প্রবাহ (অন্ধ অনুকরণ)
গদাই লস্করি চাল (অতি ধীর গতি, আলসেমি)
গণেশ উল্টানো (উঠে যাওয়া, ফেল মারা)
গলগ্রহ (পরের বোঝা স্বরূপ থাকা)
গরজ বড় বালাই (প্রয়োজনে গুরুত্ব)
গরমা গরম (টাটকা)
গরিবের ঘোড়া রোগ (অবস্থার অতিরিক্ত অন্যায় ইচ্ছা)
গুর খোঁজা (তন্ন তন্ন করে খোঁজা)
গুরু মেরে জুতা দান (বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ)
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল (প্রাপ্তির আগেই আয়োজন)
গা ঢাকা দেওয়া (আত্মগোপন)
গায়ে কাঁটা দেওয়া (রোমাঞ্চিত হওয়া)
গাছে তুলে মই কাড়া (সাহায্যের আশা দিয়ে সাহায্য না করা)
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো (কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা)
গুরু মারা বিদ্যা (যার কাছে শিক্ষা তারই উপর প্রয়োগ)
গোকুলের ষাঁড় (স্বেচ্ছাচারী লোক)
গোঁয়ার গোবিন্দ (নির্বোধ অথচ হঠকারী)
গোল্লায় যাওয়া (নষ্ট হওয়া, অধঃপাতে যাওয়া)
গোবর গণেশ (মূর্খ)
গোলক ধাঁধা (দিশেহারা)
গোঁফ খেজুরে (নিতান্ত অলস)
গোড়ায় গলদ (শুরুতে ভুল)
গৌরচন্দ্রিকা (ভূমিকা)
গৌরীসেনের টাকা (বেহিসাবী অর্থ)
গুড়ে বালি (আশায় নৈরাশ্য)
ঘর ভাঙানো (সংসার বিনষ্ট করা)
ঘাটের মরা (অতি বৃদ্ধ)
ঘোড়া রোগ (সাধ্যের অতিরিক্ত সাধ)
ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাওয়া (মধ্যবর্তীকে অতিক্রম করে কাজ করা)
ঘোড়ার ঘাস কাটা (অকাজে সময় নষ্ট করা)
ঘোড়ার ডিম (অবাস্তব)
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো (নিজ খরচে পরের বেগার খাটা)
ঘাটের মড়া (অতি বৃদ্ধ)
ঘটিরাম (আনাড়ি হাকিম)
চক্ষুদান করা (চুরি করা)
চক্ষুলজ্জা (সংকোচ)
চর্বিত চর্বণ (পুনরাবৃত্তি)
চাঁদের হাট (আনন্দের প্রাচুর্য)
চিনির বলদ (ভারবাহী কিন্তু ফল লাভের অংশীদার নয়)
চোখের বালি (চক্ষুশূল)
চোখের পর্দা (লজ্জা)
চোখ কপালে তোলা (বিস্মিত হওয়া)
চোখ টাটানো (ঈর্ষা করা)
চোখে ধুলো দেওয়া (প্রতারণা করা)
চোখের চামড়া (লজ্জা)
চুনকালি দেওয়া (কলঙ্ক)
চশমখোর (চক্ষুলজ্জাহীন)
চোখের মণি (প্রিয়)
চামচিকের লাথি (নগণ্য ব্যক্তির কটূক্তি)
চিনির পুতুল (শ্রমকাতর)
চুঁনোপুটি (নগণ্য)
চুলোয় যাওয়া (ধ্বংস)
চিনে/ছিনে জোঁক (নাছোড়বান্দা)
ছ কড়া ন কড়া (সস্তা দর)
ছা পোষা (অত্যন্ত গরিব)
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা (সামান্য কাজের জন্য অপদার্থ ব্যক্তি)
ছেলের হাতের মোয়া (সামান্য বস্তু)
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করা (নগণ্য স্বার্থে দুর্নাম অর্জন)
ছক্কা পাঞ্জা (বড় বড় কথা বলা)
ছিঁচ কাদুনে (অল্পই কাঁদে এমন)
ছিনিমিনি খেলা (নষ্ট করা)
ছেলের হাতের মোয়া (সহজলভ্য বস্তু)
জগাখিচুড়ি পাকানো (গোলমাল বাধানো)
জিলাপির প্যাঁচ (কুটিলতা)
জীবিতপ্রায়
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ (উভয় সঙ্কট)
ঝড়ো কাক (বিপর্যস্ত)
ঝাঁকের কৈ (এক দলভুক্ত)
ঝিকে মেরে বউকে বোঝানো (একজনের মাধ্যমে দিয়ে অন্যজনকে শিক্ষাদান)
ঝোপ বুঝে কোপ মারা (সুযোগ মত কাজ করা)
টনক নড়া (চৈতন্যোদয় হওয়া)
টাকার কুমির (ধনী ব্যক্তি)
টেকে গোঁজা (আত্মসাৎ করা)
টুপভুজঙ্গ (নেশায় বিভোর)
ঠাঁট বজায় রাখা (অভাব চাপা রাখা)
ঠোঁট কাটা (বেহায়া)
ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় (আদর্শহীনতার প্রাচুর্য)
ঠুঁটো জগন্নাথ (অকর্মণ্য)
ঠেলার নাম বাবাজি (চাপে পড়ে কাবু)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ বস্তু)
ডাকের সুন্দরী (খুবই সুন্দরী)
ডুমুরের ফুল (দুর্লভ)
ডান হাতের ব্যাপার (খাওয়া)
ডামাডোল (গণ্ডগোল)
ঢাক ঢাক গুড় গুড় (গোপন রাখার চেষ্টা)
ঢাকের কাঠি (মোসাহেব, চাটুকার)
ঢাকের বাঁয়া (অপ্রয়োজনীয়)
ঢেঁকির কচকচি (বিরক্তিকর কথা)
ঢি ঢি পড়া (কলঙ্ক প্রচার হওয়া)
ঢিমে তেতালা (মন্থর)
তালকানা (বেতাল হওয়া)
তাসের ঘর (ক্ষণস্থায়ী)
তামার বিষ (অর্থের কু প্রভাব)
তালপাতার সেপাই (ক্ষীণজীবী)
তিলকে তাল করা (বাড়িয়ে বলা)
তুলসী বনের বাঘ (ভণ্ড)
তুলা ধুনা করা (দুর্দশাগ্রস্ত করা)
তুষের আগুন (দীর্ঘস্থায়ী ও দুঃসহ যন্ত্রণা)
তীর্থের কাক (প্রতীক্ষারত)
থ বনে যাওয়া (স্তম্ভিত হওয়া)
থরহরি কম্প (ভীতির আতিশয্যে কাঁপা)
দা-কুমড়া (ভীষণ শত্রুতা)
দহরম মহরম (ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক)
দু মুখো সাপ (দু জনকে দু রকম কথা বলে পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টিকারী)
দিনকে রাত করা (সত্যকে মিথ্যা করা)
দুধে ভাতে থাকা (খেয়ে-পড়ে সুখে থাকা)
দেঁতো হাসি (কৃত্তিম হাসি)
দাদ নেওয়া (প্রতিশোধ নেয়া)
দুকান কাটা (বেহায়া)
দুধের মাছি (সু সময়ের বন্ধু)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (সকলকে তুচ্ছ ভাবা)
ধড়া-চূড়া (সাজপোশাক)
ধরাকে সরা জ্ঞান করা (অহঙ্কারে সবকিছু তুচ্ছ মনে করা)
ধর্মের ষাঁড় (যথেচ্ছাচারী)
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে (সত্য গোপন থাকে না)
ধরি মাছ না ছুঁই পানি (কৌশলে কার্যাদ্ধার)
ননীর পুতুল (শ্রমবিমুখ)
নয় ছয় (অপচয়)
নাটের গুরু (মূল নায়ক)
নাড়ি নক্ষত্র (সব তথ্য)
নিমক হারাম (অকৃতজ্ঞ)
নিমরাজি (প্রায় রাজি)
নামকাটা সেপাই (কর্মচ্যূত ব্যক্তি)
নথ নাড়া (গর্ব করা)
নেই আঁকড়া (একগুঁয়ে)
নগদ নারায়ণ (কাঁচা টাকা/নগদ অর্থ)
নেপোয় মারে দই (ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি)
পটল তোলা (মারা যাওয়া)
পগার পার (আয়ত্তের বাইরে পালিয়ে যাওয়া)
পটের বিবি (সুসজ্জিত)
পত্রপাঠ (অবিলম্বে/সঙ্গে সঙ্গে)
পালের গোদা (দলপতি)
পাকা ধানে মই (অনিষ্ট করা)
পাখিপড়া করা (বার বার শেখানো)
পাততাড়ি গুটানো (জিনিসপত্র গোটানো)
পাথরে পাঁচ কিল (সৌভাগ্য)
পুঁটি মাছের প্রাণ (যা সহজে মরে যায়)
পুকুর চুরি (বড় রকমের চুরি)
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা (পুরোনো প্রসঙ্গে কটাক্ষ করা)
পোঁ ধরা (অন্যকে দেখে একই কাজ করা)
পোয়া বারো (অতিরিক্ত সৌভাগ্য)
প্রমাদ গোণা (ভীত হওয়া)
পায়াভারি (অহঙ্কার)
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা (অপরকে দিয়ে কাজ উদ্ধার)
পরের ধনে পোদ্দারি (অন্যের অর্থের যথেচ্ছ ব্যয়)
ফপর দালালি (অতিরিক্ত চালবাজি)
ফুলবাবু (বিলাসী)
ফেউ লাগা (আঠার মতো লেগে থাকা)
ফুলের ঘাঁয়ে মূর্ছা যাওয়া (অল্পে কাতর)
ফোড়ন দেওয়া (টিপ্পনী কাটা)
বক ধার্মিক (ভণ্ড সাধু)
বইয়ের পোকা (খুব পড়ুয়া)
বগল বাজানো (আনন্দ প্রকাশ করা)
বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরো (সহজে খুলে যায় এমন)
বসন্তের কোকিল (সুদিনের বন্ধু)
বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড সাধু)
বর্ণচোরা আম (কপট ব্যক্তি)
বরাক্ষরে (অলক্ষুণে)
বাজারে কাটা (বিক্রি হওয়া)
বালির বাঁধ (অস্থায়ী বস্তু)
বাঁ হাতের ব্যাপার (ঘুষ গ্রহণ)
বাঁধা গৎ (নির্দিষ্ট আচরণ)
বাজখাঁই গলা (অত্যন্ত কর্কশ ও উঁচু গলা)
বাড়া ভাতে ছাই (অনিষ্ট করা)
বায়াত্তরে ধরা (বার্ধক্যের কারণে কাণ্ডজ্ঞানহীন)
বিদ্যার জাহাজ (অতিশয় পণ্ডিত)
বিশ বাঁও জলে (সাফল্যের অতীত)
বিনা মেঘে বজ্রপাত (আকস্মিক বিপদ)
বাঘের দুধ/ চোখ (দুঃসাধ্য বস্তু)
বিসমিল্লায় গলদ (শুরুতেই ভুল)
বুদ্ধির ঢেঁকি (নিরেট মূর্খ)
ব্যাঙের আধুলি (সামান্য সম্পদ)
ব্যাঙের সর্দি (অসম্ভব ঘটনা)
ভরাডুবি (সর্বনাশ)
ভস্মে ঘি ঢালা (নিষ্ফল কাজ)
ভাদ্র মাসের তিল (প্রচণ্ড কিল)
ভানুমতীর খেল (অবিশ্বাস্য ব্যাপার)
ভাল্লুকের জ্বর (ক্ষণস্থায়ী জ্বর)
ভাঁড়ে ভবানী (নিঃস্ব অবস্থা)
ভূতের ব্যাগার (অযথা শ্রম)
ভূঁই ফোড় (হঠাৎ গজিয়ে ওঠা)
ভিজে বিড়াল (কপটাচারী)
ভূশন্ডির কাক (দীর্ঘজীবী)
মগের মুল্লুক (অরাজক দেশ)
মণিকাঞ্চন যোগ (উপযুক্ত মিলন)
মন না মতি (অস্থির মানব মন)
মড়াকান্না (উচ্চকণ্ঠে শোক প্রকাশ)
মাছের মায়ের পুত্রশোক (কপট বেদনাবোধ)
মিছরির ছুরি (মুখে মধু অন্তরে বিষ)
মুখ চুন হওয়া (লজ্জায় ম্লান হওয়া)
মুখে দুধের গন্ধ (অতি কম বয়স)
মুস্কিল আসান (নিষ্কৃতি)
মেনি মুখো (লাজুক)
মাকাল ফল (অন্তঃসারশূণ্য)
মশা মারতে কামান দাগা (সামান্য কাজে বিরাট আয়োজন)
মুখে ফুল চন্দন পড়া (শুভ সংবাদের জন্য ধন্যবাদ)
মেছো হাটা (তুচ্ছ বিষয়ে মুখরিত)
যক্ষের ধন (কৃপণের ধন)
যমের অরুচি (যে সহজে মরে না)
রত্নপ্রসবিনী (সুযোগ্য সন্তানের মা)
রাঘব বোয়াল (সর্বগ্রাসী ক্ষমতাবান ব্যক্তি)
রাবণের চিতা (চির অশান্তি)
রাশভারি (গম্ভীর প্রকৃতির)
রাই কুড়িয়ে বেল (ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে বৃহৎ)
রাজা উজির মারা (আড়ম্বরপূর্ণ গালগল্প)
রাবণের গুষ্টি (বড় পরিবার)
রায় বাঘিনী (উগ্র স্বভাবের নারী)
রাজ যোটক (উপযুক্ত মিলন)
রাহুর দশা (দুঃসময়)
রুই-কাতলা (পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি)
লেফাফা দুরস্ত (বাইরের ঠাট বজার রেখে চলেন যিনি)
লগন চাঁদ (ভাগ্যবান)
ললাটের লিখন (অমোঘ ভাগ্য)
লাল পানি (মদ)
লাল বাতি জ্বালা (দেউলিয়া হওয়া)
লাল হয়ে যাওয়া (ধনশালী হওয়া)
লেজে গোবরে (বিশৃঙ্খলা)
শকুনি মামা (কুটিল ব্যক্তি)
শাঁখের করাত (দুই দিকেই বিপদ)
শাপে বর (অনিষ্টে ইষ্ট লাভ)
শিকায় ওঠা (স্থগিত)
শিঙে ফোঁকা (মরা)
শিবরাত্রির সলতে (একমাত্র সন্তান)
শিরে সংক্রান্তি (বিপদ মাথার ওপর)
শুয়ে শুয়ে লেজ নাড়া (আলস্যে সময় নষ্ট করা)
শরতের শিশির (সুসময়ের বন্ধু)
শত্রুর মুখে ছাই (কুদৃষ্টি এড়ানো)
শ্রীঘর (কারাগার)
ষাঁড়ের গোবর (অযোগ্য)
ষোল আনা (পুরোপুরি)
ঘোল কলা (পুরোপুরি)
সবুরে মেওয়া ফলে (ধৈর্যসুফল মিলে)
সরফরাজি করা (অযোগ্য ব্যক্তির চালাকি)
সাত খুন মাফ (অত্যধিক প্রশ্রয়)
সাত সতের (নানা রকমের)
সাপের ছুঁচো গেলা (অনিচ্ছায় বাধ্য হয়ে কাজ করা)
সেয়ানে সেয়ানে (চালাকে চালাকে)
সবে ধন নীলমণি (একমাত্র অবলম্বন)
সাতেও নয়, পাঁচেও নয় (নির্লিপ্ত)
সাপের পাঁচ পা দেখা (অহঙ্কারী হওয়া)
সোনায় সোহাগা (উপযুক্ত মিলন)
সাক্ষী গোপাল (নিষ্ক্রিয় দর্শক)
সখাত সলিলে (ঘোর বিপদে পড়া)
সব শেয়ালের এক রা (ঐকমত্য)
হাটে হাঁড়ি ভাঙা (গোপন কথা প্রকাশ করা)
হাতটান (চুরির অভ্যাস)
হ য ব র ল (বিশৃঙ্খলা)
হরি ঘোষের গোয়াল (বহু অপদার্থ ব্যক্তির সমাবেশ)
হরিলুট (অপচয়)
হস্তীমূর্খ (বুদ্ধিতে স্থূল)
হাড়ে দুর্বা গজানো (অত্যন্ত অলস হওয়া)
হাতুড়ে বদ্যি (আনাড়ি চিকিৎসক)
হাতের পাঁচ (শেষ সম্বল)
হীরার ধার (অতি তীক্ষ্ণবুদ্ধি)
হোমরা চোমরা (গণ্যমান্য ব্যক্তি)
হিতে বিপরীত (উল্টো ফল)
হাড় হদ্দ (নাড়ি নক্ষত্র/সব তথ্য)
হাড় হাভাতে (হতভাগ্য)
হালে পানি পাওয়া (সুবিধা করা)