Tuesday, April 21, 2020

কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে রেজাউল করিম

কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে রেজাউল করিম

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আপতকালীন কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায়দের মাঝে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী কোন প্রকার ফটোসেশান না করে ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।
কোন প্রকার যুদ্ধ ছাড়াই অচল করে দিয়েছে পুরো বিশ্বকে। ইউরোপ থেকে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে যাওয়া এ ভাইরাসের প্রকোপে অবরুদ্ধ, অচলাবস্থা বিরাজ করছে দেশজুড়ে।
করোনাকালে অসহায়দের পাশে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী নেই বলে কতিপয় এক চক্র অভিযোগ তুলছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিন ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন প্রতিনিয়ত কোন না কোন জায়গায় ছবি তোলে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের জানান দিচ্ছে।
চলমান পরিস্থিতিতে আলোড়ন নিউজের এক প্রতিনিধি নানান প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে,তার জবাবে রেজাউল করিম চৌধুরী যা বলেন
সমাজের কোন কোন শ্রেণির মাঝে আপনার ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যহত রেখেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে নগরের আওয়ামী মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী বলেন, নগরের ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড, সিটি করপোরেশনের ৪১ ওয়ার্ডের সবটাতে সাধ্যমতো নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি। কোনো সাহায্য আমি সরাসরি পৌঁছে দিয়েছি, আবার কোনো কোনো সাহায্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাধ্যমে সমন্বয় করে বিতরণ করেছি। ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির-গির্জা সব জায়গাকে সাধ্যমতো সাহায্যের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি আমি।
একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এই পরিস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গের খোঁজখবরাখবর নিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রকৃত  মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, আওয়ামী পরিবারে যারা টানা লকডাউনে সঙ্কটে পড়েছে, কিন্তু কাউকেই বলতে পারছে না, আমি সেইসব পরিবারগুলোকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি, করছি। বিকাশের মাধ্যমেও আর্থিকভাবে অনেক পরিবারকে সাহায্য দিয়েছি। দেশের মানুষ করোনা থেকে মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এ অর্থসাহায্য, খাদ্যবণ্টন চলবে। রমজানকে ঘিরেও চলবে ইফতারসামগ্রী বিতরণ। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সর্বোচ্চ করছি, করে যাবো।’এতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। তাছাড়া আমার সম্বন্ধে আগ থেকে  যাদের ধারণা আছে, তারা আরো স্পষ্ঠ ভাষায় বলতে পারবে। নিজ মুখে নিজের প্রশংসনীয় কাজ বলতে আমার ভালো লাগে না। এটা অনেকে পারলেও কেন জানি আমি পারি না।
এর আগে এমন কোন দুর্যোগ মোকাবিলায় অংশগ্রহণ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় থানা বাঁশখালিতে ব্যক্তি-উদ্যোগে সাহায্য নিয়ে  মানুষের ঘরে ঘরে ছুটে গেছি। বিপদগ্রস্তদের পাশে এই যে ছুটে যাওয়া, দাঁড়ানো সবই চিত্তের তাগাদা, মানসিক প্রশান্তির জন্য। এভাবে যেভাবেই সুযোগ পেয়েছি নিজের জায়গা থেকে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। তখন কোনো প্রচার চাইনি,  এখন কেন চাইবো। মানুষকে জানাবো যে, আমি এই দিয়েছি, সেই দিয়েছি।
বর্তমান মেয়র তো নগরের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে জীবাণুনাশক স্প্রে হতে শুরু করে হতদরিদ্রদের মাঝে ত্রাণ নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন, সেই তুলনায় আপনাকে তো কম দেখা যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু স্বেচ্ছাকর্মী নিয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছি।আমি ছোট মানুষ, খুব বেশি সামর্থ্য আমার নেই। হয়তো বৃহৎ পরিসরে, বড় কোনো উপকার আমি করতে পারছি না। কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি আমাকে দিয়ে কখনো মানুষের অপকার হবে না। হবে না অপরাজনীতি, নোংরামি, আত্মপ্রচারের উদগ্র প্রতিযোগিতা।আর তাছাড়া জীবাণুনাশক স্প্রে ও নগরের সৌন্দর্য বন্ধনে একজন মেয়র হিসেবে কাজ করে যাওয়াটা স্বাভাবিক। আর এসব কাজ তো হচ্ছে সরকারি অর্থায়নে, ব্যক্তি অর্থায়নে নয়।
পরিশেষে নগরবাসীর উদ্দেশ্য বলার কিছু আছে কিনা এমন প্রশ্নে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন আমি মাঠে নেই, আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এমন বিভ্রান্তিকর প্রচার যারা চালাচ্ছে, তাতে আমার বলার কিছু নেই।তবে তাদের জন্য আমার মায়া হওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি পারি না কাউকে সাহায্য করে প্রচার করতে। আর এই প্রচার না চাওয়া কি আমার অপরাধ? আর তাই যদি হয়ে থাকে রাজনীতির নামে অসম, লোকদেখানো প্রতিযোগিতা, অশোভন আচরণ আমাকে দিয়ে এই বয়সে আর হবে না।
স্থানীয় সূত্র জানান, না বলে-না কয়ে, ডাকঢোল না পিটিয়ে, ছবি না তুলে ও কোন প্রকার আনুষ্ঠানিকতা না করে নীরবে আপতকালীন অসহায়দের ঘরের দোয়ারে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে রেজাউল করিম চৌধূরী ও তার অনুসারীরা।
যারা শুধুমাত্র বিরোধিতার খাতিরে রেজাউল করিম চৌধূরীর সমালোচনা করে যাচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্য স্থানীয়দের পক্ষে নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক সমাজকর্মী বলেন ,অন্তত প্রিয় স্বদেশ ও বৈশ্বিক মহামারীর এই সময়টুকুতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অসহায় মানুষের পাশে যার যার অবস্থান থেকে সাধ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাহায্যের হাত বাড়ায়।যদি আল্লাহ সুবাহানাতালা সবাইকে ভালো রাখেন সুস্থ্ রাখেন,প্রিয় দেশে,রাজনীতির মাঠে-রাজনীতি করার সময় আমরা অবশ্যই পাব। মহান রব সবাইকে সুস্থ রাখুক,নিরাপদে রাখুক,সবাই নিজ নিজ ঘরে থাকুন অন্যকে ঘরে অবস্থান করার জন্য উৎসাহিত করুন।সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা আবারও একত্রিত হব ইনশাআল্লাহ।
সূত্র : আলোড়ন নিউজ

Monday, March 9, 2020

ই’য়াবাসহ জবির কর্মচারী গ্রেফতার

ই’য়াবাসহ জবির কর্মচারী গ্রেফতার

মাসুদ আলম, জগন্নাথ প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের আল-আমিন নামে এক কর্মচারীকে ১৩ পিস ই’য়াবাসহ গ্রে’ফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। আ’টককৃত আ’সামী স’হায়ক ক’র্মচারী ক’ল্যাণ স’মিতি, জবি-এর প্র’চার স’ম্পাদক বলে জানা গেছে। এছাড়া আরও জানা যায়, গতকাল (৮ মার্চ) বিকাল ৪ টা ১০ মিনিটে স’দরঘাটের ওয়াইজঘাট মোড় থেকে তাকে গ্রে’ফতার করে কোতয়ালী থানা ‘পুলিশের উপ-প’রিদর্শক পবিত্র স’রকার ও খালিদ শেখ। এ সময় তার কাছ থেকে ১৩ পিস ই’য়াবা উ’দ্ধার করা হয়।
এ বি’ষয়ে মা’মলার ত’দন্ত ক’র্মকর্তা, উপ-পরিদর্শক খালিদ শেখ জানান, এ ব্যাপারে কোতয়ালী থানায় মা’দক দ্র’ব্য আ’ইনে একটি মা’মলা হয়েছে। আইন অ’নুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান জানান, তার বিরুদ্ধে পুলিশ আ’ইন অনুযায়ী ব্য’বস্থা নিবেন এবং আমার কাছে কোন অ’ভিযোগ আসলে ব্য’বস্থা নিব।
আ’টক হওয়া আসামী আল-আমিন এর ব্যাপারে জানার জন্য সহায়ক ক’র্মচারী কল্যাণ সমিতি, জবি এর স’ভাপতি আব্দুর রহমানের সাথে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায় নি।

Tuesday, January 14, 2020

আদালতে রিট খারিজ, ৩০ জানুয়ারিই দুই সিটির ভোট

আদালতে রিট খারিজ, ৩০ জানুয়ারিই দুই সিটির ভোট

ছুটির তালিকা ও অন্যান্য বিবেচনায় ৩০ জানুয়ারিই দুই সিটির ভোট, রিট খারিজ

আদালত বলেছেন, ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনী কার্যক্রম এখন যে অবস্থায় আছে, ভোটের তারিখ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। 
তাই নির্বাচন পেছাতে যে রিট করা হয়েছে, তা সরাসরি খারিজ করা হলো।
সরস্বতীপূজার কারণে নির্বাচন পেছানোর জন্য হাইকোর্টে একটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। 
৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রিট খারিজের কারণে এই তারিখ পরিবর্তনের আর কোনো সম্ভাবনা থাকছে না যদিও নির্বাচন কমিশন চাইলে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ বা ভোটের তফসিলে কোনো পরিবর্তন আনতে পারে।
রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর উস সাদিক ও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছর ডিসেম্বরে করা চলতি বছরের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির যে ক্যালেন্ডার আছে, 
সেখানে সরস্বতীপূজার ছুটি ২৯ জানুয়ারি বলা হয়েছে। 
সুপ্রিম কোর্টের ক্যালেন্ডারেও একই কথা বলা হয়েছে। ছুটির তালিকা ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। 
খন আর ভোটের তারিখ পেছানোর সুযোগ নেই। কেননা, ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।
আদালতে অশোক কুমার বলেন, ভোটের কেন্দ্র স্কুল-কলেজে হয়। আর সরস্বতীপূজাও হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয়। 
এ কারণে একই দিনে ভোট ও পূজা হলে সাধারণ মানুষের পূজা উদ্‌যাপন বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এটা সংবিধানেরও বিরোধী। 
তিনি আদালতে জানান, সরস্বতীপূজার তিথি ২৯ জানুয়ারি ৯টা ১০ মিনিট থেকে ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টা পর্যন্ত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আরও ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মিজানুর রহমান।
শুনানি শেষে মঙ্গলবার রিটটি খারিজ করে দেন বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চ।
শতবর্ষী মাকে রেলষ্টেশনে ফেলে রেখে গেল কুসন্তানরা

শতবর্ষী মাকে রেলষ্টেশনে ফেলে রেখে গেল কুসন্তানরা

তীব্র শীতের মধ্যে শতবর্ষী মাকে রেলষ্টেশনে ফেলে রেখে গেল কুসন্তানরা ও স্বজনরা 
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে হাড় কাঁপানো শীতে প্লাটফরমে ১৪ দিন থাকার পর রোববার রাতে ওই বৃদ্ধ মাকে উদ্ধার করে নেয়া হয়েছে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে তবে তার নাম-ঠিকানা কিছুই জানা যায়নি।
জানা গেছে, হাসপাতালে শতবর্ষী এই বৃদ্ধা অচেতন অবস্থায় বিছানায় রয়েছেন  মাঝেমাঝে চেতনা ফিরে পেলেও আবার অচেতন হয়ে পড়ছেন। 
রহনপুর রেলওয়ে স্টেশন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম জানান, ওই দিন আমি স্টেশনে আমার দোকানে বসেছিলাম। দেখলাম কয়েকজন রিকশাভ্যানে নিয়ে এসে বৃদ্ধ নারীকে স্টেশনের প্লাটফরমের একটি জায়গায় রেখে দিল। 
কৌতূহলী হয়ে আমি তাদের কাছে কারণ জানতে চাইলে তারা কোনো উত্তর না দিয়ে চলে যায়।
কিছুক্ষণ পর শুরু হয় বৃষ্টি। দীর্ঘক্ষণ পরও তারা ফিরে না আসায় আমি স্টেশনের তেঁতুলগাছের নিচে পরিত্যক্ত জায়গাটিতে খড় বিছিয়ে দিই। এর পর পুরনো কম্বল দিয়ে বিছানা তৈরি করে তাকে সেখানে রাখি। আমি গরিব মানুষ, তার পরও এই কয়দিন আমার যথাসাধ্য সেবাযত্ন করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই গত দুই সপ্তাহ সে এখানেই ছিলেন।
এর পর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ হলেও শঙ্কামুক্ত নয় । 
বিষয়টি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে । 
মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষ, মা মেয়ের মৃর্ত্যু

মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষ, মা মেয়ের মৃর্ত্যু

মেঘনা নদীতে দুই লঞ্চের ভয়াবহ সংঘর্ষ, মা মেয়ের মৃর্ত্যু 
বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথের মেঘনা নদীর চাঁদপুর সংলগ্ন মাঝ কাজীর চর এলাকার মাঝ নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত এবং আটজন আহত হয়েছেন।
হতাহতদের মধ্যে নিহত দুজনসহ আহত তিনজন এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের এবং বাকি আহত পাঁচজন এমভি ফারহান-৯ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন। কীর্তনখোলা লঞ্চ কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন জানান, রাতে বরিশাল থেকে যাত্রী নিয়ে এমভি কীর্তনখোলা-১০ ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। রাত ১টা নাগাদ লঞ্চটি মেঘনা নদীর মাঝ কাজীর চর অতিক্রম করার সময় ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী এমভি ফারহান-৯ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ডানপাশে মাঝ বরাবর আঘাত হানে। 
এতে কীর্তনখোলা লঞ্চের মাঝ বরাবর দ্বিতীয় তলার অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়। দুর্ঘটনায় কীর্তনখোলা লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ডেকে থাকা যাত্রী মা ও মেয়ে নিহত হন। তবে তাদের নাম জানাতে পারেননি তিনি। 
দুর্ঘটনায় ওই লঞ্চের আরও ৩ যাত্রী আহত হন। 
পরে লঞ্চটি ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে গতকাল সকাল পৌনে ৯টায় গিয়ে সদরঘাটে পৌঁছে। 
দুর্ঘটনার জন্য এমভি ফারহান-৯ লঞ্চকে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে থানায় এবং মেরিন কোর্টে মামলা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ কোম্পানির সহকারী মহাব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন। 
ঘাতক ফারহান-৯ লঞ্চের করণিক আল-আমিন দাবি করেছেন, ঘন কুয়াশার কারণে তাদের লঞ্চ দুর্ঘটনাকবলিত হয়।
দুই লঞ্চে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে বিআইডব্লিউটিএ। 
সংস্থার অতিরিক্ত পরিচালক (বন্দর) সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গতকাল সকালে গঠিত ৪ সদস্যের এই কমিটিকে পরবর্তী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনার ঘটনায় পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ এমভি ফারহান ৯ লঞ্চের মাস্টার আফতাব আলী ও সুকানি আবদুল হামিদকে হুলারহাট নদী বন্দর থেকে আটক করেছে। 
পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম বাদল জানান, বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের আটক করা হয়েছে। 
উল্লেখ্য, রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে এই দুর্ঘটনায় দুটি লঞ্চেরই অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Sunday, January 12, 2020

রুপগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে আটকে ১৫ জন মিলে গণধর্ষণ

রুপগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে আটকে ১৫ জন মিলে গণধর্ষণ

৯ম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে আটকে ১৫ জন মিলে গণধর্ষণ

নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ১৫ জনের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। 
গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন-আফজাল (২৬) ও তৌসিফ (২৪)। তাদের রবিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গ্রেফতার হওয়া আসামি তৌসিফ তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ধার নেন। ৯ জানুয়ারি সেই টাকা আনতে যায় সে। এ সময় তৌসিফসহ তানভীর, সোহাগ, ও আফাজাল নামের তিনজন জোর করে তাকে একটি মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়। পরে আলাদা দুটি বাড়িতে তাকে দু’দিন আটকে রেখে ১৫ জন মিলে গণধর্ষণ করে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ওই কিশোরীকে অসুস্থ অবস্থায় ফেলে রেখে যায় জড়িতরা। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এর আগে শুক্রবার মেয়ে নিখোঁজ থাকায় থানায় অভিযোগ জানান ওই কিশোরীর বাবা। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে আফজাল ও তৌসিফকে আটক করা হয়। মামলার পর তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
বাকিদের ধরার জন্য পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানান রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান।
ঘটনায় শনিবার (১১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। 
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংবিরোধী কমিটি গঠনের নির্দেশ

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংবিরোধী কমিটি গঠনের নির্দেশ


দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিংবিরোধী কমিটি গঠন করতে নির্দেশ

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, বিশেষত সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অধিভুক্ত কলেজে র‌্যাগিংবিরোধী কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‍্যাগিংবিরোধী কমিটি এবং র‍্যাগিং পর্যবেক্ষণে স্কোয়াড গঠনের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।
রুলে শিক্ষার্থীদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় র‌্যাগিং কার্যক্রম রোধে নীতিমালা প্রণয়নে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। 
র‌্যাগিং থেকে শিক্ষার্থীদের জীবন ও মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদ্ধতি প্রবর্তনের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। 
স্বরাষ্ট্রসচিব, শিক্ষাসচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। 
শিক্ষাসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
তিন মাসের মধ্যে কমিটি গঠন করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
র‌্যাগিংয়ে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জরুরি সাহায্য ও দ্রুত প্রতিকার দিতে এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। 
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মেয়র সাঈদ খোকন

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মেয়র সাঈদ খোকন

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মেয়র সাঈদ খোকন 

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য হয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। 
দলের গত জাতীয় সম্মেলনে দেওয়া ক্ষমতাবলে তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচনে এবারও দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন অভিন্ন ঢাকার প্রয়াত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন। কিন্তু দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। 
সাঈদ খোকনের নিয়োগের মধ্য দিয়ে ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির ৭৭টি পদ পূর্ণ হলো। আর চারটি পদ ফাঁকা আছে।
রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। 
যৌতুকবিহীন ১০০ বিয়ে এবারের বিশ্ব ইজতেমায়

যৌতুকবিহীন ১০০ বিয়ে এবারের বিশ্ব ইজতেমায়

এবছরও বিশ্ব ইজতেমায় গণবিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, চলতি ইজতেমায় যৌতুকবিহীন অন্তত ১০০ গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শনিবার বাদ আসর এ গণবিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিশ্ব ইজতেমার শীর্ষ জিম্মাদার প্রকৌশলী মাহফুজ হান্নান জানিয়েছেন, অনুষ্ঠিত সমস্ত বিয়েই সম্পূর্ণ যৌতুকমুক্ত ছিল। তিনি বলেন, শনিবার বাদ আসর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের মূলমঞ্চে ১০০ জোড়া যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিয়ে পরিচালনা করেন দিল্লির মাওলানা জোহায়েরুল হাসান। তাবলিগের রেওয়াজ অনুযায়ী ইজতেমার দ্বিতীয় দিন বাদ আসর বয়ানের মঞ্চের পাশে বসে যৌতুকবিহীন বিয়ের আসর। কনের সম্মতিতে বর ও কনে পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে ওই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মঞ্চের আশপাশের মুসল্লিদের মাঝে খুরমা খেজুর ও মিষ্টান্ন বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে যৌতুকবিহীন এ বিয়ের আয়োজন বন্ধ ছিল। তবে বর ও কনে পক্ষের সম্মতিতে তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার মসজিদে যৌতুকবিহীন বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।
এসব বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা হয় ‘মোহর ফাতেমী’র নিয়মানুযায়ী। এ নিয়ম অনুযায়ী মোহরানার পরিমাণ ধরা হয় দেড়শ’ তোলা রূপা বা এর সমমূল্য অর্থ। বিয়ের পর নব-দম্পতিদের সুখ-সমৃদ্ধিময় জীবন কামনা করে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া করা হয়।
পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স  কোচিং সেন্টার খোলা রাখার দাবি

পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টার খোলা রাখার দাবি



পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টার বন্ধ না রাখার দাবি জানিয়েছে অ‌্যাসোসিয়েশন অব শ্যাডো এডুকেশন বাংলাদেশ (অ্যাসেব)। রোববার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের  নেতারা এমন দাবি জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমদাদুল হক (ই.হক)। 
এসময় সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সোহাগ, পলাশ সরকার, মাহাবুব আরেফিন, শামসেয়ারা খান ডলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 
লিখিত বক্তব্যে ইমদাদুল হক বলেন, বর্তমান সরকারের হাত ধরে শিক্ষাখাতে আমরা বিভিন্ন বাধা অতিক্রম করতে পারলেও বর্তমান দশকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি সমস্যা আমাদের অনেক ভুগিয়েছে, সেটা হলো প্রশ্নফাঁস। বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। এই প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তার মধ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখাও একটি। যদিও প্রশ্ন তৈরি, বিতরণ, সরবরাহ- কোনো প্রক্রিয়ার সাথেই কোচিং সেন্টার জড়িত না।
সংগঠনটি শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বৃহত্তর স্বার্থে ছায়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসা হোক, যাতে পাবলিক পরীক্ষার সময়েও বন্ধ রাখতে না হয়। এতে বৈষম্য হ্রাস পাবে, শিক্ষার্থীরা ক্ষগ্রিস্ত হবে না এবং মেধাবী তরুণরাও এই সেক্টরে আসতে উৎসাহিত হবে। সেক্ষেত্রে, ছায়াশিক্ষা এন্টারপ্রিনিয়রশিপের অনেক ভালো ক্ষেত্র হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অনেক আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন যে , শুধু শুধু পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং গুলো বন্ধ রাখা হয়।
সাধারণ অভিভাবকরাও ফ্রিল্যান্স কোচিং খোলা রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন ।