নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার জন্য রয়েছে অসংখ্য স্কলারশিপ
তার মধ্যে অন্যতম স্কলারশিপ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ। উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স এবং পিএইচডি পর্যায়ে এ স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. নাসির হোসেন সানি, আবু বকর সিদ্দিক এবং রিমানা ফাতেমা সম্মানজনক এ স্কলারশিপ পেয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে এ বছর মোট ৭৮ জন শিক্ষার্থী এ স্কলারশিপ পেয়েছেন।
এই স্কলারশপিরে মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী কোর্স চলাকালে ন্যূনতম দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। নাসির পড়াশোনা করবেন ডেনমার্কের কোপেন হেগেন ইউনিভার্সিটি ও জার্মানির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ডেজড্রেনে। আবু বকর ও ফাতেমা পড়বেন সুইডেনের সুইডিশ ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্স ও তুরস্কের এগি ইউনিভার্সিটিতে। তিনজনই ২ বছর মেয়াদে মাস্টার্স করবেন। প্রত্যেকে পাবেন ৪৯ হাজার ইউরো শিক্ষাবৃত্তি। উচ্চতর গবষেণা, নতুন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে সর্ম্পক গড়ার পাশাপাশি এই স্কলারশপিরে অন্যতম আর্কষণ হচ্ছে মাসিক অর্থায়নে শিক্ষার্থীর ভ্রমণ, স্বাস্থ্যবীমা ও গবেষণা সম্পর্কিত সব খরচ বহন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে সব ধরনরে টিউশন ফি, লাইব্রেরি ফি, পরীক্ষা ফি, গবেষণা সংক্রান্ত ফিসহ সবকিছুরই সুবিধা পাওয়া যায় বিনামূল্যে। এমনকি দেশভেদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে সম্পূর্ণ বিনা খরচে খাবারের সুবিধাসহ শহরভেদে পাবলিক পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার অর্ধেক খরচে চলাচলের সুবিধা, ইউরোপের বিমান চলাচলেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রমোশন ব্যবস্থা। নাসির, আবু বকর, রিমানা যথাক্রমে ৩.৮৩,৩.৮৯,৩.৮২ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স শেষ করেছেন। কাজ করেছেন বিভিন্ন গবেষকদের সঙ্গে, আইএলটিএসেও পেয়েছেন ভালো নম্বর। সবমিলিয়ে এখন স্বপ্ন পূরণের পথে পাড়ি দিবেন ইউরোপে। স্কলারশিপ প্রাপ্তি নিয়ে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কলেজ জীবন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বিদেশে পড়তে যাব। ৭ই মার্চ রাতে মেইল পাই যে আমি স্কলারশিপ পেয়েছি। স্বপ্ন হাতে পেলে যেমন মনে হয় আমারও তেমন মনে হয়েছিল। অনেক কষ্ট করেছি এরকম একটি স্কলারশিপের জন্য। এটি আমার পরিশ্রমের প্রথম স্বীকৃতি। মা-বাবার অনুপ্রেরণা, গবেষণার সুপারভাইজারসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও সিনিয়রদের সহযোগিতা আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।
তার মধ্যে অন্যতম স্কলারশিপ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইরাসমাস মুন্ডুস স্কলারশিপ। উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স এবং পিএইচডি পর্যায়ে এ স্কলারশিপ প্রদান করা হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. নাসির হোসেন সানি, আবু বকর সিদ্দিক এবং রিমানা ফাতেমা সম্মানজনক এ স্কলারশিপ পেয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে এ বছর মোট ৭৮ জন শিক্ষার্থী এ স্কলারশিপ পেয়েছেন। এই স্কলারশপিরে মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী কোর্স চলাকালে ন্যূনতম দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। নাসির পড়াশোনা করবেন ডেনমার্কের কোপেন হেগেন ইউনিভার্সিটি ও জার্মানির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব ডেজড্রেনে। আবু বকর ও ফাতেমা পড়বেন সুইডেনের সুইডিশ ইউনিভার্সিটি অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্স ও তুরস্কের এগি ইউনিভার্সিটিতে। তিনজনই ২ বছর মেয়াদে মাস্টার্স করবেন। প্রত্যেকে পাবেন ৪৯ হাজার ইউরো শিক্ষাবৃত্তি। উচ্চতর গবষেণা, নতুন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় এবং বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের সঙ্গে সর্ম্পক গড়ার পাশাপাশি এই স্কলারশপিরে অন্যতম আর্কষণ হচ্ছে মাসিক অর্থায়নে শিক্ষার্থীর ভ্রমণ, স্বাস্থ্যবীমা ও গবেষণা সম্পর্কিত সব খরচ বহন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে সব ধরনরে টিউশন ফি, লাইব্রেরি ফি, পরীক্ষা ফি, গবেষণা সংক্রান্ত ফিসহ সবকিছুরই সুবিধা পাওয়া যায় বিনামূল্যে। এমনকি দেশভেদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে সম্পূর্ণ বিনা খরচে খাবারের সুবিধাসহ শহরভেদে পাবলিক পরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার অর্ধেক খরচে চলাচলের সুবিধা, ইউরোপের বিমান চলাচলেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রমোশন ব্যবস্থা। নাসির, আবু বকর, রিমানা যথাক্রমে ৩.৮৩,৩.৮৯,৩.৮২ সিজিপিএ নিয়ে অনার্স শেষ করেছেন। কাজ করেছেন বিভিন্ন গবেষকদের সঙ্গে, আইএলটিএসেও পেয়েছেন ভালো নম্বর। সবমিলিয়ে এখন স্বপ্ন পূরণের পথে পাড়ি দিবেন ইউরোপে। স্কলারশিপ প্রাপ্তি নিয়ে আবু বকর সিদ্দিক বলেন, কলেজ জীবন থেকেই স্বপ্ন দেখতাম বিদেশে পড়তে যাব। ৭ই মার্চ রাতে মেইল পাই যে আমি স্কলারশিপ পেয়েছি। স্বপ্ন হাতে পেলে যেমন মনে হয় আমারও তেমন মনে হয়েছিল। অনেক কষ্ট করেছি এরকম একটি স্কলারশিপের জন্য। এটি আমার পরিশ্রমের প্রথম স্বীকৃতি। মা-বাবার অনুপ্রেরণা, গবেষণার সুপারভাইজারসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও সিনিয়রদের সহযোগিতা আমাকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।
0 comments: