নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অযোগ্য ও দূর্নীতিবাজদের হাতে উশু ফেডারেশন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।
এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে । এমনই একটি অভিযোগ নিউজ ২৪ এক্সপ্রেস এর কাছে পাঠিয়েছেন মোঃ ওয়াদুদ বিন মুজিব উল্যাহ । তাঁর অভিযোগটি হুবহু তুলে ধরা হলো। কি হচ্ছে উশুতে!? কারা চালাচ্ছে উশু? উশুতে এখন কারা আছে?? যারা এখন উশুতে তারা কি সত্যিকারের উশুর লোক ?
আর যারা উশু প্রতিষ্ঠা করেছে তারা আজ কোথায়?? উশু তো এখন লাইফ সাপোর্ট এ আছে।
আমার জানা মতে উশুর প্রেসিডেন্ট একজন সৎ এবং যোগ্যতম লোক। তিনি উশুর জন্য অনেক কিছু করেছেন।
যে কজন সহ সভাপতি আছেন একজন ছাড়া বাকিরা উশুর লোক না। জীবনে কখনো উশুর সাথে সম্পৃক্ত ছিল না।
উশু কি তাও জানে না। সাধারন সম্পাদক জীবনে কোনদিন উশুর কোন টুর্নামেন্ট খেলেননি।
উশু শিখেছেন কিনা সন্দেহ আছে??? আমার জানামতে তিনি মুক্তাঙ্গনে গাড়ির হেলপারি করতেন
তার বড় ভাই জনাব জাকির এখনো মুক্তাঙ্গনের গাড়ির ড্রাইভার । উশু ফেডারেশনের সভাপতি জনাব ডঃ আবদুস সুবহান গোলাপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বিশেষ সহকারী এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক।
উশু কি তাও জানে না। সাধারন সম্পাদক জীবনে কোনদিন উশুর কোন টুর্নামেন্ট খেলেননি।
উশু শিখেছেন কিনা সন্দেহ আছে??? আমার জানামতে তিনি মুক্তাঙ্গনে গাড়ির হেলপারি করতেন
তার বড় ভাই জনাব জাকির এখনো মুক্তাঙ্গনের গাড়ির ড্রাইভার । উশু ফেডারেশনের সভাপতি জনাব ডঃ আবদুস সুবহান গোলাপ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বিশেষ সহকারী এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক।
এবং উনার অধিনস্ত বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হলেন মুক্তাঙ্গনের গাড়ির হেলপার ক্লাস ফাইভ পাস। এটা কি মানানসই?? সভাপতি মহোদয় জানেন কি??? আমি মনে করি সভাপতি মহোদয়ের সম্মান ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক দুই জনের মধ্যে একজন জীবনে কোন দিন উশু খেলেননি, উশুর সংঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না।আমার জানামতে তিনি কারাতে করেছিলেন। শ্রদ্ধেয় ও জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রুবেল সাহেবের ছাত্র ।
২০১০ সালের এস এ গেমসের উশু ট্রেনিং ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার হাজী এম এ রহিম সাহেব দায়িত্ব ছেড়ে দিলে অল্প কিছুদিনের জন্য এই লোককে অল্পদিনের জন্য ক্যাম্প কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ করা হয়। আসলে তার কাজ ছিল তৎকালীন উশু এসোসিয়েশনের কোন টুর্নামেন্ট হলে উশুর সান্ডা ও তাউলু মেট লাগানো।
এখন সে নাকি বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের এস এ গেমস এর উশু ট্রেনিং ক্যাম্পের সান্ডা কোচ।
তাও আবার জাতীয় টীম এ। এ যদি উশুর অবস্থা হয়, তাহলে বাংলাদেশের উশুর ভবিষ্যৎ কি????
এখন সে নাকি বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের এস এ গেমস এর উশু ট্রেনিং ক্যাম্পের সান্ডা কোচ।
তাও আবার জাতীয় টীম এ। এ যদি উশুর অবস্থা হয়, তাহলে বাংলাদেশের উশুর ভবিষ্যৎ কি????
২০১০ সালের ঢাকা এস এ গেমস এ ১০টি স্বর্ণ পদকের বিপরীতে ২টি স্বর্ণ ও ২টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে যে সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছিল পরের এস এ গেমস এ (ভারতের গোহাটিতে) ১৭টি স্বর্ণ পদকের বিপরীতে ৫টি ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে দেশের সম্মান ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াটিকে লাইফ সাপোর্টে পাঠিয়ে দিলেন বর্তমানের উশুর অযোগ্য কর্তারা।
আসুন আমরা সবাই মিলে এই সম্ভাবনাময় ক্রীড়াটিকে বাচাতে দলমত নির্বিশেষে যোগ্য সভাপতি জনাব ডঃ আবদুস সুবহান গোলাপ এমপি মহোদয়ের কাছে আবেদন জানাই। আগামীতে আরো তথ্য নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। ইনশা আল্লাহ।"
রিমন উশু নামে একজন লিখেছেনঃ "বাংলাদেশ উশু ফেডারেশন এর মাননীয় সভাপতি- শ্রদ্ধেয় ডঃ আবদুস সোবহান গোলাপ স্যার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।।আপনার হাতে উশু ফেডারেশন হয়েছে।।আপনাকেই দরকার আমাদের উশুর অভিভাবক হিসেবে।।আপনি উশুকে বাঁচান।।উশুর নিবেদিত প্রাণ গুলোকে কাজ করতে দিন যারা আসলেই উশুর লোক।।"
মোঃ উমর ফারুক নামে একজন লিখেছেনঃ "আন্তর্জাতিক উশু ফেডারেশন যদি জানে যে বাংলাদেশের উশু ফেডারেশন চালাচ্ছে কারাতের ওস্তাদ দিয়ে তাহলে বাংলাদেশ এর নাম আন্তর্জাতিক থেকে বাদ দিয়ে দিবে। "

0 comments: